হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পটিয়া থেকে ছিনতাইয়ের লুন্ডিত সাড়ে ৭ টন চিনি চকরিয়ায় উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া ::

নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া ::

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়া ১৫ মেট্রিক টন চিনির লুন্ডিত অংশের একটি চালান কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোররাতে পটিয়া থানা পুলিশের একটি দল চক…

চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়া ১৫ মেট্রিক টন চিনির লুন্ডিত অংশের একটি চালান কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গতকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোররাতে পটিয়া থানা পুলিশের একটি দল চকরিয়া থানার হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের ইনানী রিসোর্ট সংলগ্ন সমিল এলাকার একটি বন্ধ দোকানের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে লুন্ডিত অংশের সাড়ে ৭ টন (১৫০ বস্তা) চিনি উদ্ধার করা করে।

এর আগে পুলিশ বুধবার রাতে পার্বত্য বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর বাজারের একটি গোডাউন থেকে ১৩৪ বস্তা চিনি উদ্ধার করে পুলিশ।
দুদফার অভিযানে পুলিশ লুণ্ঠিত ৩০০ বস্তা চিনির মধ্যে ২৮৪ বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে। ছিনতাইয়ের এ ঘটনায় রুজুকৃত মামলায় কাভার্ডভ্যানের চালক মো. আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

চকরিয়া থানার আওতাধীন হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মনির হোসেন হারবাং ইনানী রিসোর্ট এলাকা থেকে ১৫০ বস্তা লুন্ডিত চিনি উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চিনির মালিক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বৃহস্পতিবার পটিয়া থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় চিনি বোঝাই কাভার্ডভ্যানের চালক মো. আলমগীর ও আজিজনগর বাজারের মুদির দোকানী রাহাত উদ্দিন জুয়েলকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তার আলমগীরকে আদালতে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন

মাতামুহুরির কোনাখালীতে অগ্নিকাণ্ডে দিনমজুর পরিবারের বসতবাড়ি পুড়ে ছাই, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মানবিক সহায়তা

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পটিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুর রহমান বলেন, শুক্রবার ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের মহাসড়ক লাগোয়া নোনাছড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় বন্ধ একটি গোডাউন থেকে ১৫০ বস্তা চিনি উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয় সুত্রের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, হারবাংয়ে চিনি উদ্ধার করা বন্ধ দোকানটির মালিক রাসেল নামের এক ব্যক্তি। তিনি আজিজনগর বাজারের মুদির দোকানী জুয়েলের ভাই বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তদন্ত কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, ছিনতাই ঘটনার পর দুইদফা অভিযানে মোট ২৮৪ বস্তা চিনি উদ্ধার হয়েছে। বাকি চিনির সন্ধান এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, কাভার্ডভ্যানের চালক আলমগীর এবং সহযোগী চক্রের যোগসাজশে ছিনতাইয়ের ঘটনা সাজিয়ে চিনিগুলো আত্মসাৎ করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, লামার আজিজনগর বাজারের রাজিব স্টোরের মালিক জুয়েল বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে চিনিগুলো কিনে স্থানীয় দোকানগুলোতে বিক্রি করতেন। তবে এসব অভিযোগ তদন্তাধীন।

হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাবুল আহমদ বলেন, আজিজনগরের মুদির দোকানী জুয়েল ও নোনাছড়ির দোকান মালিক রাসেল আপন ভাই। চিনি ছিনতাইয়ের ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি বেড়িয়ে আসতে দেখে তাঁরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মগোপনে রয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সকালে পুলিশ রাসেলের বাড়িতে গেলে বাড়িটি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়।

এর আগে বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের শিকলবাহা ক্রসিং সংলগ্ন চট্টগ্রাম-আনোয়ারা সড়কে নবনির্মিত কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে পরিত্যক্ত অবস্থায় কাভার্ডভ্যানটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ওই কাভার্ডভ্যানে প্রায় ১৬ লাখ টাকা মূল্যের ১৫ টন চিনি ছিল।

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: পটিয়া থেকে ছিনতাইয়ের লুন্ডিত সাড়ে ৭ টন চিনি চকরিয়ায় উদ্ধার সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়া ১৫ মেট্রিক টন চিনির লুন্ডিত অংশের একটি চালান কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

পটিয়া থেকে ছিনতাইয়ের লুন্ডিত সাড়ে ৭ টন চিনি চকরিয়ায় উদ্ধার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পটিয়া থেকে ছিনতাইয়ের লুন্ডিত সাড়ে ৭ টন চিনি চকরিয়ায় উদ্ধার

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া :: | প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
Print Image
চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়া ১৫ মেট্রিক টন চিনির লুন্ডিত অংশের একটি চালান কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোররাতে পটিয়া থানা পুলিশের একটি দল চকরিয়া থানার হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের ইনানী রিসোর্ট সংলগ্ন সমিল এলাকার একটি বন্ধ দোকানের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে লুন্ডিত অংশের সাড়ে ৭ টন (১৫০ বস্তা) চিনি উদ্ধার করা করে। এর আগে পুলিশ বুধবার রাতে পার্বত্য বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর বাজারের একটি গোডাউন থেকে ১৩৪ বস্তা চিনি উদ্ধার করে পুলিশ। দুদফার অভিযানে পুলিশ লুণ্ঠিত ৩০০ বস্তা চিনির মধ্যে ২৮৪ বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে। ছিনতাইয়ের এ ঘটনায় রুজুকৃত মামলায় কাভার্ডভ্যানের চালক মো. আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। চকরিয়া থানার আওতাধীন হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মনির হোসেন হারবাং ইনানী রিসোর্ট এলাকা থেকে ১৫০ বস্তা লুন্ডিত চিনি উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চিনির মালিক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বৃহস্পতিবার পটিয়া থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় চিনি বোঝাই কাভার্ডভ্যানের চালক মো. আলমগীর ও আজিজনগর বাজারের মুদির দোকানী রাহাত উদ্দিন জুয়েলকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তার আলমগীরকে আদালতে পাঠানো হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পটিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুর রহমান বলেন, শুক্রবার ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের মহাসড়ক লাগোয়া নোনাছড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় বন্ধ একটি গোডাউন থেকে ১৫০ বস্তা চিনি উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সুত্রের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, হারবাংয়ে চিনি উদ্ধার করা বন্ধ দোকানটির মালিক রাসেল নামের এক ব্যক্তি। তিনি আজিজনগর বাজারের মুদির দোকানী জুয়েলের ভাই বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তদন্ত কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, ছিনতাই ঘটনার পর দুইদফা অভিযানে মোট ২৮৪ বস্তা চিনি উদ্ধার হয়েছে। বাকি চিনির সন্ধান এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, কাভার্ডভ্যানের চালক আলমগীর এবং সহযোগী চক্রের যোগসাজশে ছিনতাইয়ের ঘটনা সাজিয়ে চিনিগুলো আত্মসাৎ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, লামার আজিজনগর বাজারের রাজিব স্টোরের মালিক জুয়েল বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে চিনিগুলো কিনে স্থানীয় দোকানগুলোতে বিক্রি করতেন। তবে এসব অভিযোগ তদন্তাধীন। হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাবুল আহমদ বলেন, আজিজনগরের মুদির দোকানী জুয়েল ও নোনাছড়ির দোকান মালিক রাসেল আপন ভাই। চিনি ছিনতাইয়ের ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি বেড়িয়ে আসতে দেখে তাঁরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মগোপনে রয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সকালে পুলিশ রাসেলের বাড়িতে গেলে বাড়িটি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। এর আগে বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের শিকলবাহা ক্রসিং সংলগ্ন চট্টগ্রাম-আনোয়ারা সড়কে নবনির্মিত কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে পরিত্যক্ত অবস্থায় কাভার্ডভ্যানটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ওই কাভার্ডভ্যানে প্রায় ১৬ লাখ টাকা মূল্যের ১৫ টন চিনি ছিল।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×