মেহেরপুর, ৭ জুলাই – নিরাপত্তার জন্য ঘরের ভেতর মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছিল ১১ ভরি ১৪ আনা ওজনের সোনার গহনা। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে এসে সেই সোনার সন্ধান পেয়ে তা লুটে নিলো টাইলস মিস্ত্রিরা। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মুন্দা গ্রামে এক কুয়েত প্রবাসীর বাড়িতে এই চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা ঘটেছে।
এই ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বানিয়াপাড়া বারাদি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে আলাল খান (৩৬) নামের এক টাইলস মিস্ত্রিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া এই মোমিন (আলাল) কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বানিয়াপাড়া বারাদি গ্রামের আরজান শেখের ছেলে।
কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসসহ ৩ খেলায় নিয়মিত অনুশীলনের নির্দেশ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাংনী উপজেলার মুন্দা গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে শাহীন কুয়েত প্রবাসী। দেশের বাড়িতে তাঁর বৃদ্ধা মা নার্গিস বানু ও দুই বোন থাকেন। নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে নার্গিস বানু তাঁর ও দুই মেয়ের ব্যবহৃত সোনার গয়না, নেকলেস, চুড়ি, কানের দুল, চেইন ও আংটিসহ মোট ১১ ভরি ১৪ আনা ওজনের অলংকার একটি প্লাস্টিকের কৌটায় ভরে পলিথিনে মুড়িয়ে ঘরের পূর্ব পাশের সিঁড়ির কাছে মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছিলেন।
সম্প্রতি শাহীনের বাড়িতে টাইলস বসানোর কাজের জন্য কুষ্টিয়া থেকে পাঁচজন মিস্ত্রি আসেন। কাজ শেষে মিস্ত্রিরা চলে যাওয়ার পর নার্গিস বানু সিঁড়ির গোড়ার মাটি খোঁড়া দেখতে পান এবং মাটির নিচে রাখা সেই স্বর্ণালংকারের কৌটাটি আর খুঁজে পাননি।
তৎক্ষণাৎ বিষয়টি কুয়েতে থাকা ছেলেকে জানালে, শাহীন বাড়ির সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরার ফুটেজ চেক করেন। আর তাতেই বেরিয়ে আসে চুরির আসল রহস্য। ফুটেজে দেখা যায়, কাজ করার সময় এক মিস্ত্রি মাটি খুঁড়ে স্বর্ণালংকারের কৌটাটি পেয়ে অন্য এক মিস্ত্রির হাতে দেন। এরপর অত্যন্ত নিখুঁতভাবে দুজন মিলে সেই সোনা নিয়ে চম্পট দেয়।
এনএন/ ৭ জুলাই ২০২৬




মন্তব্য করুন