হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কারাগার থেকে মুক্ত টেকনাফের সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আহমদ

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি জাফর আহমদ হাইকোর্ট থেকে জামিন …

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি জাফর আহমদ হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। জামিনের প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত জাফর আহমদকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং আট কোটি টাকা জরিমানা করেন। রায় ঘোষণার পর আদালতের নির্দেশে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।বিচারিক আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে জাফর আহমদের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে আপিল করা হয়।

একই সঙ্গে তাঁর জামিনের আবেদনও করা হয়। শুনানি শেষে উচ্চ আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।

পরে আদালতের আদেশের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পর এবং অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।মামলার নথি ও দুদকের অভিযোগপত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন বাদী হয়ে চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানায় জাফর আহমদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।

আরও পড়ুন

উখিয়ায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম, তিন ঘণ্টা ধরে সড়ক অবরোধ, আটকা কয়েক হাজার যানবাহন

মামলাটি তদন্তের পর ২০২৪ সালের ১৫ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক।পরে আদালতে মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। বিচার চলাকালে মোট ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

সাক্ষ্য ও অন্যান্য নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত চলতি বছরের ৫ মে মামলার রায় ঘোষণা করেন। দুদকের অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, জাফর আহমদের নামে ৪ কোটি ৯০ লাখ ৬৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এসব সম্পদের মধ্যে টেকনাফে থাকা জমি এবং বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থও অন্তর্ভুক্ত ছিল।তদন্তে দুদক জাফর আহমদের নামে মোট ৬ কোটি ৭৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পায়। এর বিপরীতে তাঁর গ্রহণযোগ্য আয় ছিল ২ কোটি ৪৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।দুদকের হিসাব অনুযায়ী, তাঁর ঘোষিত ও গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় সম্পদের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য অসামঞ্জস্য পাওয়া যায়।

এসব তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা করা হয়। জাফর আহমদ টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি ২০১৪ সাল থেকে ২০১৯ সালের মে মাস পর্যন্ত টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। পাশাপাশি তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।এরপর তিনি ২০২৪ সালে দ্বিতীয়বারের মতো টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন।

বিচারিক আদালতে দণ্ডিত হওয়ার পর হাইকোর্টে আপিল ও জামিনের আবেদন করেন জাফর আহমদ। উচ্চ আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করায় তিনি বর্তমানে কারাগারের বাইরে রয়েছেন।

তবে বিচারিক আদালতের দেওয়া দণ্ডের বিরুদ্ধে করা আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনো হয়নি। হাইকোর্টের জামিনে মুক্তি পেলেও মামলার মূল বিচারিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাঁর করা আপিলের আইনি কার্যক্রম পরবর্তী সময়ে চলবে।

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: কারাগার থেকে মুক্ত টেকনাফের সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আহমদ সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেল। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

কারাগার থেকে মুক্ত টেকনাফের সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আহমদ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কারাগার থেকে মুক্ত টেকনাফের সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আহমদ

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক :: | প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
Print Image
অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি জাফর আহমদ হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। জামিনের প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত জাফর আহমদকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং আট কোটি টাকা জরিমানা করেন। রায় ঘোষণার পর আদালতের নির্দেশে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।বিচারিক আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে জাফর আহমদের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে আপিল করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর জামিনের আবেদনও করা হয়। শুনানি শেষে উচ্চ আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। পরে আদালতের আদেশের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পর এবং অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।মামলার নথি ও দুদকের অভিযোগপত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন বাদী হয়ে চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানায় জাফর আহমদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। মামলাটি তদন্তের পর ২০২৪ সালের ১৫ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক।পরে আদালতে মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। বিচার চলাকালে মোট ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য ও অন্যান্য নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত চলতি বছরের ৫ মে মামলার রায় ঘোষণা করেন। দুদকের অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, জাফর আহমদের নামে ৪ কোটি ৯০ লাখ ৬৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব সম্পদের মধ্যে টেকনাফে থাকা জমি এবং বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থও অন্তর্ভুক্ত ছিল।তদন্তে দুদক জাফর আহমদের নামে মোট ৬ কোটি ৭৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পায়। এর বিপরীতে তাঁর গ্রহণযোগ্য আয় ছিল ২ কোটি ৪৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।দুদকের হিসাব অনুযায়ী, তাঁর ঘোষিত ও গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় সম্পদের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য অসামঞ্জস্য পাওয়া যায়। এসব তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা করা হয়। জাফর আহমদ টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০১৪ সাল থেকে ২০১৯ সালের মে মাস পর্যন্ত টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। পাশাপাশি তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।এরপর তিনি ২০২৪ সালে দ্বিতীয়বারের মতো টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। বিচারিক আদালতে দণ্ডিত হওয়ার পর হাইকোর্টে আপিল ও জামিনের আবেদন করেন জাফর আহমদ। উচ্চ আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করায় তিনি বর্তমানে কারাগারের বাইরে রয়েছেন। তবে বিচারিক আদালতের দেওয়া দণ্ডের বিরুদ্ধে করা আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনো হয়নি। হাইকোর্টের জামিনে মুক্তি পেলেও মামলার মূল বিচারিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাঁর করা আপিলের আইনি কার্যক্রম পরবর্তী সময়ে চলবে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×