হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

আলোচিত সেই ৫০০ ভরি স্বর্ণ চুরির রহস্য উদঘাটন, ১৯০ ভরি উদ্ধার

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:১১ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১৭ অক্টোবর – রাজধানীর মালিবাগের ফরচুন শপিং কমপ্লেক্সের সম্পা জুয়েলার্সে চুরির ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই চোর চক্রটি প্রায় তিন মাস আগে থেকে এই সোনার দোকানে চুরির পরিকল্পনায় রেকি শুরু করে।

পুলিশ বলছে, ঘটনার দিন দিনের বেলায় ওই মার্কেটের ওয়াশরুমের জানালায় একটি চিকন সুতা ঝুলিয়ে রাখে। পরে ওই সুতার সাহায্যে একটি মোটা দড়ি বেঁধে উপরে উঠে জানালার গ্রিল ভেঙে মার্কেটের ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে আগে থেকে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বোরকাসহ চুরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম।

আরও পড়ুন

টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

গ্রেফতাররা হলেন- শাহিন মাতব্বর ওরফে শাহিন (৪৬), নুরুল ইসলাম (৩৩), উত্তম চন্দ্র সূর (৪৯) ও অনিতা রায় (৩১)। এসময় চুরি হওয়া ১৯০ ভরি সোনা, সামান্য রুপা, একটি মোটরসাইকেল এবং সোনা বিক্রির নগদ এক লাখ ৭৭ হাজার ২০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ফরচুন মার্কেটের দোতলায় সম্পা জুয়েলার্সে গত ৮ অক্টোবর দিনগত রাতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রমনা থানায় মামলা দায়েরের পর আমরা ছায়া তদন্ত শুরু করি। সিসিটিভি ফুটেজ, তথ্য-প্রযুক্তি ও মাঠতথ্যের ভিত্তিতে তিন দিনের টানা অভিযানে চোরচক্রের চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, চক্রটি এর আগেও ২০২১ সালে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী মার্কেটে সোনা চুরির ঘটনায় জড়িত ছিল। সেই ঘটনায় গ্রেফতারের পর জামিনে এসে আবার একই ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।

তদন্তে জানা গেছে, গ্রেফতারদের একজনের স্ত্রীও বিষয়টি জানতেন এবং সহযোগিতা করেছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে।

উদ্ধার হয়েছে ১৯০ ভরি সোনা, বাকিটা কোথায়? এমন প্রশ্নের উত্তরে ডিবি জানায়, দোকান মালিক দাবি করেছেন তার দোকানে মোট ৫০০ ভরি সোনা ছিল। তবে উদ্ধার হয়েছে ১৯০ ভরি। বাকি সোনা কোথায় আছে, তা জানতে ডিবি তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। একজন আসামি এখনো পলাতক। তাকে গ্রেফতার করতে পারলে বাকি সোনার অবস্থান জানা যাবে বলেও জানান ডিবির অতিরিক্ত এই কমিশনার।

তিনি আরও বলেন, চুরি হওয়া সোনা এখনো বিক্রির পর্যায়ে যায়নি। কিছু অংশ গলানো অবস্থায় পাওয়া গেছে, যেখানে দোকানের ট্যাগ এখনো লেগে আছে। বিক্রির আগে আমরা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।

সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ১৭ অক্টোবর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

আলোচিত সেই ৫০০ ভরি স্বর্ণ চুরির রহস্য উদঘাটন, ১৯০ ভরি উদ্ধার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

আলোচিত সেই ৫০০ ভরি স্বর্ণ চুরির রহস্য উদঘাটন, ১৯০ ভরি উদ্ধার

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:১১ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৭ অক্টোবর – রাজধানীর মালিবাগের ফরচুন শপিং কমপ্লেক্সের সম্পা জুয়েলার্সে চুরির ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই চোর চক্রটি প্রায় তিন মাস আগে থেকে এই সোনার দোকানে চুরির পরিকল্পনায় রেকি শুরু করে।পুলিশ বলছে, ঘটনার দিন দিনের বেলায় ওই মার্কেটের ওয়াশরুমের জানালায় একটি চিকন সুতা ঝুলিয়ে রাখে। পরে ওই সুতার সাহায্যে একটি মোটা দড়ি বেঁধে উপরে উঠে জানালার গ্রিল ভেঙে মার্কেটের ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে আগে থেকে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বোরকাসহ চুরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম।শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।গ্রেফতাররা হলেন- শাহিন মাতব্বর ওরফে শাহিন (৪৬), নুরুল ইসলাম (৩৩), উত্তম চন্দ্র সূর (৪৯) ও অনিতা রায় (৩১)। এসময় চুরি হওয়া ১৯০ ভরি সোনা, সামান্য রুপা, একটি মোটরসাইকেল এবং সোনা বিক্রির নগদ এক লাখ ৭৭ হাজার ২০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ফরচুন মার্কেটের দোতলায় সম্পা জুয়েলার্সে গত ৮ অক্টোবর দিনগত রাতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রমনা থানায় মামলা দায়েরের পর আমরা ছায়া তদন্ত শুরু করি। সিসিটিভি ফুটেজ, তথ্য-প্রযুক্তি ও মাঠতথ্যের ভিত্তিতে তিন দিনের টানা অভিযানে চোরচক্রের চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।তিনি আরও বলেন, চক্রটি এর আগেও ২০২১ সালে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী মার্কেটে সোনা চুরির ঘটনায় জড়িত ছিল। সেই ঘটনায় গ্রেফতারের পর জামিনে এসে আবার একই ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।তদন্তে জানা গেছে, গ্রেফতারদের একজনের স্ত্রীও বিষয়টি জানতেন এবং সহযোগিতা করেছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে।উদ্ধার হয়েছে ১৯০ ভরি সোনা, বাকিটা কোথায়? এমন প্রশ্নের উত্তরে ডিবি জানায়, দোকান মালিক দাবি করেছেন তার দোকানে মোট ৫০০ ভরি সোনা ছিল। তবে উদ্ধার হয়েছে ১৯০ ভরি। বাকি সোনা কোথায় আছে, তা জানতে ডিবি তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। একজন আসামি এখনো পলাতক। তাকে গ্রেফতার করতে পারলে বাকি সোনার অবস্থান জানা যাবে বলেও জানান ডিবির অতিরিক্ত এই কমিশনার।তিনি আরও বলেন, চুরি হওয়া সোনা এখনো বিক্রির পর্যায়ে যায়নি। কিছু অংশ গলানো অবস্থায় পাওয়া গেছে, যেখানে দোকানের ট্যাগ এখনো লেগে আছে। বিক্রির আগে আমরা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।সূত্র: জাগো নিউজএনএন/ ১৭ অক্টোবর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×