সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকার পর রোজা ভাঙার মুহূর্তটি গুরুত্বপূর্ণ। এসময় আপনি কী খাচ্ছেন, তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে আপনি পুরো রমজানজুড়ে কতটা সুস্থ থাকবেন। ইফতারের সময় শক্তির মাত্রা পূরণ করা হয়, তাই সব প্রধান খাদ্য গোষ্ঠীর খাবার নিয়মিত খাওয়া উচিত। যেমন ফল এবং শাক-সবজি, ভাত কিংবা রুটি, সেইসঙ্গে মাংস, মাছ অথবা দুগ্ধজাত খাবার।
চলুন জেনে নেওয়া যাক ইফতারে কোন খাবারগুলো উপকারী-
সিলেট নগরীতে যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা
ফল এবং শাক-সবজি
বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন ২ বার শাকসবজি এবং ২ বার ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন। আপনার দুটি খাবারের প্রতিটিতে ন বার ফল এবং ন বার শাক-সবজি নিশ্চিত করুন। ঐতিহ্যগতভাবে রমজান মাসে ইফতারের শুরুতে খেজুর খাওয়া হয় রোজা ভাঙার প্রতীক হিসেবে। শক্তির একটি চমৎকার উৎস হওয়ার পাশাপাশি খেজুর পটাসিয়ামেও সমৃদ্ধ। যা পেশী এবং স্নায়ুগুলোকে ভালোভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। তবে খুব বেশি পরিমাণে গ্রহণ করবেন না কারণ খেজুরে চিনির পরিমাণ বেশি থাকে।
ভাত, রুটি এবং অন্যান্য
আপনার প্রতিদিনের ইফতারে প্রোটিন সমৃদ্ধ উৎস যেমন চর্বিহীন মাংস, চামড়াবিহীন মুরগি, মাছ, ডিম, ডাল এবং কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনার খাবার স্বাস্থ্যকর রাখতে তেলের ব্যবহার সীমিত করুন এবং স্টিমিং, গ্রিলিং, বেকিং বা শ্যালো ফ্রাইং বেছে নিন। তেল নির্বাচন করার সময় করুন যাতে যাতে আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকে।
এনএন




মন্তব্য করুন