দোহা, ২ মার্চ – যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রতিশোধ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্র দেশগুলোর ওপর পাল্টা হামলা জোরদার করেছে ইরান।
এর অংশ হিসেবে কাতারের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পেট্রোলিয়াম কোম্পানি কাতারএনার্জির দুটি স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানি সামরিক বাহিনী। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা বিবেচনায় প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে কাতার।
টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সোমবার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কাতারএনার্জি।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে কাতারের রাস লাফান ও মেসাইদ ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে অবস্থিত তাদের পরিচালনা কেন্দ্রগুলোতে সামরিক হামলা চালানো হয়েছে। এ কারণে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পণ্যের উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে।
ইরানের ছোড়া একটি ড্রোন মেসাইদ এলাকার একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পানির ট্যাংকে এবং অন্যটি রাস লাফানে জ্বালানি স্থাপনায় আঘাত হানে। হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে বলে কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করেছে। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ গ্যাস রপ্তানিকারক দেশটির উৎপাদন বন্ধের এই সিদ্ধান্তে বিশ্ববাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
তবে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ঘোষণা দিয়েছেন যে সর্বোচ্চ নেতার হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরান তাদের সর্বশক্তি প্রয়োগ করবে।
এনএন/ ২ মার্চ ২০২৬




মন্তব্য করুন