হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

উপসাগরীয় দেশে পানি শোধনাগারে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, তীব্র সংকটের মুখে মধ্যপ্রাচ্য

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন


তেহরান, ৯ মার্চ – ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতের নবম দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রথমবারের মতো একটি উপসাগরীয় দেশের পানি ডিস্যালিনেশন বা লবণমুক্তকরণ প্ল্যান্টে হামলা চালিয়েছে। এর ফলে ওই অঞ্চলের দেশগুলোতে ব্যবহারযোগ্য পানির উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এই ঘটনার মাত্র এক দিন আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি অভিযোগ করেছিলেন যে দক্ষিণ ইরানের কেশম দ্বীপে অবস্থিত একটি পানি শোধনাগারে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে তিনি জানান, ওই হামলার কারণে ৩০টি গ্রামে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি আরও সতর্ক করেন যে এ ধরনের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা একটি বিপজ্জনক নজির স্থাপন করেছে যার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হতে পারে।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপের আকাশে দুটি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের

তবে বাহরাইনে চালানো সাম্প্রতিক হামলার বিষয়ে তেহরান এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এই হামলাগুলো উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তার মারাত্মক দুর্বলতা প্রকাশ করেছে। মরু অঞ্চলের এই দেশগুলো তাদের সুপেয় পানির চাহিদার জন্য প্রায় সম্পূর্ণভাবে শোধনাগারগুলোর ওপর নির্ভরশীল।

সমুদ্রের লবণাক্ত পানি থেকে দূষণ দূর করে পানযোগ্য পানি তৈরির এই প্রক্রিয়ায় মূলত রিভার্স অসমোসিস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। আরব সেন্টার ওয়াশিংটন ডিসির তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের মোট ডিস্যালিনেশন সক্ষমতার প্রায় ৬০ শতাংশই নিয়ন্ত্রণ করে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসির সদস্য দেশগুলো। কুয়েত তাদের চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ, ওমান ৮৬ শতাংশ, সৌদি আরব ৭০ শতাংশ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪২ শতাংশ পানির জন্য এসব প্ল্যান্টের ওপর নির্ভরশীল।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এসব স্থাপনা ধ্বংস হলে শুধু পানি সরবরাহ নয় বরং পুরো অর্থনীতি ও কৃষি খাত ভেঙে পড়তে পারে। এর আগে ১৯৯০ থেকে ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় ইরাক কুয়েতের বেশিরভাগ পানি শোধনাগার ধ্বংস করে দিয়েছিল। বর্তমানে বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারের মতো ছোট দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

আন্তর্জাতিক
Card Image

উপসাগরীয় দেশে পানি শোধনাগারে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, তীব্র সংকটের মুখে মধ্যপ্রাচ্য

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

উপসাগরীয় দেশে পানি শোধনাগারে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, তীব্র সংকটের মুখে মধ্যপ্রাচ্য

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] তেহরান, ৯ মার্চ – ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতের নবম দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রথমবারের মতো একটি উপসাগরীয় দেশের পানি ডিস্যালিনেশন বা লবণমুক্তকরণ প্ল্যান্টে হামলা চালিয়েছে। এর ফলে ওই অঞ্চলের দেশগুলোতে ব্যবহারযোগ্য পানির উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এই ঘটনার মাত্র এক দিন আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি অভিযোগ করেছিলেন যে দক্ষিণ ইরানের কেশম দ্বীপে অবস্থিত একটি পানি শোধনাগারে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে তিনি জানান, ওই হামলার কারণে ৩০টি গ্রামে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি আরও সতর্ক করেন যে এ ধরনের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা একটি বিপজ্জনক নজির স্থাপন করেছে যার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হতে পারে।তবে বাহরাইনে চালানো সাম্প্রতিক হামলার বিষয়ে তেহরান এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এই হামলাগুলো উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তার মারাত্মক দুর্বলতা প্রকাশ করেছে। মরু অঞ্চলের এই দেশগুলো তাদের সুপেয় পানির চাহিদার জন্য প্রায় সম্পূর্ণভাবে শোধনাগারগুলোর ওপর নির্ভরশীল।সমুদ্রের লবণাক্ত পানি থেকে দূষণ দূর করে পানযোগ্য পানি তৈরির এই প্রক্রিয়ায় মূলত রিভার্স অসমোসিস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। আরব সেন্টার ওয়াশিংটন ডিসির তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের মোট ডিস্যালিনেশন সক্ষমতার প্রায় ৬০ শতাংশই নিয়ন্ত্রণ করে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসির সদস্য দেশগুলো। কুয়েত তাদের চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ, ওমান ৮৬ শতাংশ, সৌদি আরব ৭০ শতাংশ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪২ শতাংশ পানির জন্য এসব প্ল্যান্টের ওপর নির্ভরশীল।বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এসব স্থাপনা ধ্বংস হলে শুধু পানি সরবরাহ নয় বরং পুরো অর্থনীতি ও কৃষি খাত ভেঙে পড়তে পারে। এর আগে ১৯৯০ থেকে ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় ইরাক কুয়েতের বেশিরভাগ পানি শোধনাগার ধ্বংস করে দিয়েছিল। বর্তমানে বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারের মতো ছোট দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×