ঢাকা, ১৬ জানুয়ারি – আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গঠিত ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ২৫৩টি আসনে দলভিত্তিক আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেখানে জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, এখন থেকে কোনো প্রার্থী আর আলাদা কোনো দলের পরিচয়ে পরিচিত হবেন না। প্রতিটি আসনে তারা সবাই এই জোটের অভিন্ন প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
নাহিদ ইসলাম এই সমঝোতাকে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, জোটের প্রতিটি সদস্য দল নিজেদের আলাদা দলীয় পরিচয় পাশে রেখে একটি যৌথ প্ল্যাটফর্মে এক হয়েছে। তিনি জানান, সারা দেশের সব আসনে এখন থেকে নির্দিষ্ট কোনো দলের প্রার্থী থাকবে না। আজ থেকে প্রতিটি প্রার্থীই এই ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের একক প্রতিনিধি হিসেবে গণ্য হবেন। জনগণের ম্যান্ডেট অর্জন এবং বৈষম্যবিরোধী লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য এই ঐক্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সংবাদ সম্মেলনে এই জোটের রাজনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে জানানো হয়, গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা এবং রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতেই এই সম্মিলিত যাত্রা শুরু হয়েছে। জামায়াত ও এনসিপিসহ ১০টি দল ২৫৩টি আসনে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছালেও বাকি ৪৭টি আসন নিয়ে কৌশলগত অবস্থান বজায় রাখা হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, এই জোটের উদ্দেশ্য শুধু নির্বাচনেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক সংস্কার নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
এনএন/ ১৬ জানুয়ারি ২০২৬




মন্তব্য করুন