ঢাকা, ১৫ ডিসেম্বর – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬৫ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও হামলার সঙ্গে জড়িত শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ও মোটরসাইকেল চালক আলমগীরকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তাদের অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।
অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের দাবি করেছেন, ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর ভারতে পালিয়ে গেছেন এবং বর্তমানে আসামের গুয়াহাটি শহরে অবস্থান করছেন। তিনি আরও জানান, তাদের ভারতে পৌঁছাতে সাহায্য করছেন আওয়ামী লীগের এক নেতার ব্যক্তিগত সহকারী মো. মাসুদুর রহমান বিপ্লব।
হামের ভয়াল থাবায় একদিনে ঝরল আরও ৬ প্রাণ
তবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, সন্দেহভাজনদের পাসপোর্ট ব্লক করা হয়েছে এবং এখনো কোনো প্রমাণ নেই যে তারা দেশে থেকে পালিয়েছেন। পুলিশ মনে করছে তারা দেশেই আছেন এবং তাদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফয়সাল ও আলমগীর শুক্রবারই ময়মনসিংহের ভুটিয়াপাড়া সীমান্ত দিয়ে মোটরসাইকেলযোগে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। তাদের সহায়তাকারী স্থানীয় একজন ব্যক্তি এখনও আটক হননি।
আপাতত বিজিবি সীমান্ত এলাকার তল্লাশি জোরদার করেছে এবং সন্দেহভাজনদের দেশ ছাড়তে দেওয়া না হয় এমন নির্দেশনা রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরকে দোষারোপ করছে। তবে দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সর্বদলীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
সূত্র: আরটিভি নিউজ
এনএন/ ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫




মন্তব্য করুন