হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কক্সবাজারে হোটেল কক্ষে আওয়ামী লীগ নেতার হাত বাঁধা লাশ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২১ আগস্ট ২০২৩, ০১:৪০ অপরাহ্ন

কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলে মিলেছে পৌর আওয়ামী লীগের এক নেতার হাত বাঁধা রক্তাক্ত মরদেহ।

সোমবার সকালে শহরের হলিডের মোড় এলাকায় সানমুন নামে একটি আবাসিক হোটেলের দ্বিতীয় তলার ২০৮ নম্বর কক্ষে লাশটি পাওয়া যায় বলে কক্সবাজারের এসপি মো. মাহফুজুল ইসলাম জানান।

নিহতের সাইফুদ্দিন (৪৫) কক্সবাজার শহরের ঘোনারপাড়া এলাকার অবসরপ্রাপ্ত আনসার কমান্ডার আবুল বশরের ছেলে। তিনি কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা ছিলেন।

মরদেহে ছুরির তিনটি আঘাত ছাড়াও জখমের চিহ্ন দেখা গেছে জানিয়ে এসপি মাহফুজুল ইসলাম জানান, হোটেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধারের জন্য এসেছে। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজসহ নানা উৎস থেকে হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে মরদেহটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন

ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজ না থাকায় ৬২৭ কোটি রুপি পর্যন্ত লোকসানের শঙ্কায় ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড

হোটেলটির ব্যবস্থাপক রেজাউল করিম জানান, গত রোববার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে সাইফুদ্দিনসহ তিন জন এসে ওই কক্ষে উঠেন। সোমবার সকালে সাইফুদ্দিনের খুঁজে তার বন্ধুরা আসেন। বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে কক্ষের দরজায় ধাক্কা দিলে তা খুলে যায়। খাটে রক্তাক্ত মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

রেজাউলের দাবি, সাইফুদ্দিন প্রায়ই হোটেলে এসে থাকতেন।

কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী জানান, সাইফুদ্দিনের নিজের প্যান্টের বেল্ট দিয়ে হাত দুটি বাঁধা। হাঁটু, পেট এবং পিঠে ছুরির তিনটি আঘাত রয়েছে।

হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে মাহাবুবুর রহমান বলেন, “কক্সবাজার পর্যটন শহর। এই শহর এখন অনেক বেশি অনিরাপদ হয়ে গেছে।”

নিহতের ছোট ভাই মহিউদ্দিন বলেন, “রাতে ভাই বাড়িতে যাননি; ফোনও বন্ধ ছিল। ভাবি (নিহতের বউ) ভাইয়ের বন্ধুদের ফোন করে খোঁজ নিচ্ছিলেন। ভাইয়ের বন্ধু ইলিয়াস বিভিন্ন স্থানে খবর নিতে নিতে এক পর্যায়ে সানমুনে এসে ভাইয়ের লাশ পান।”

এদিকে, সাইফুদ্দিনের খুনিতে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে কক্সবাজারে মিছিল করে বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

কক্সবাজারে হোটেল কক্ষে আওয়ামী লীগ নেতার হাত বাঁধা লাশ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কক্সবাজারে হোটেল কক্ষে আওয়ামী লীগ নেতার হাত বাঁধা লাশ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২১ আগস্ট ২০২৩, ০১:৪০ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলে মিলেছে পৌর আওয়ামী লীগের এক নেতার হাত বাঁধা রক্তাক্ত মরদেহ। সোমবার সকালে শহরের হলিডের মোড় এলাকায় সানমুন নামে একটি আবাসিক হোটেলের দ্বিতীয় তলার ২০৮ নম্বর কক্ষে লাশটি পাওয়া যায় বলে কক্সবাজারের এসপি মো. মাহফুজুল ইসলাম জানান। নিহতের সাইফুদ্দিন (৪৫) কক্সবাজার শহরের ঘোনারপাড়া এলাকার অবসরপ্রাপ্ত আনসার কমান্ডার আবুল বশরের ছেলে। তিনি কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা ছিলেন। মরদেহে ছুরির তিনটি আঘাত ছাড়াও জখমের চিহ্ন দেখা গেছে জানিয়ে এসপি মাহফুজুল ইসলাম জানান, হোটেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধারের জন্য এসেছে। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজসহ নানা উৎস থেকে হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে মরদেহটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। হোটেলটির ব্যবস্থাপক রেজাউল করিম জানান, গত রোববার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে সাইফুদ্দিনসহ তিন জন এসে ওই কক্ষে উঠেন। সোমবার সকালে সাইফুদ্দিনের খুঁজে তার বন্ধুরা আসেন। বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে কক্ষের দরজায় ধাক্কা দিলে তা খুলে যায়। খাটে রক্তাক্ত মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। রেজাউলের দাবি, সাইফুদ্দিন প্রায়ই হোটেলে এসে থাকতেন। কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী জানান, সাইফুদ্দিনের নিজের প্যান্টের বেল্ট দিয়ে হাত দুটি বাঁধা। হাঁটু, পেট এবং পিঠে ছুরির তিনটি আঘাত রয়েছে। হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে মাহাবুবুর রহমান বলেন, “কক্সবাজার পর্যটন শহর। এই শহর এখন অনেক বেশি অনিরাপদ হয়ে গেছে।” নিহতের ছোট ভাই মহিউদ্দিন বলেন, “রাতে ভাই বাড়িতে যাননি; ফোনও বন্ধ ছিল। ভাবি (নিহতের বউ) ভাইয়ের বন্ধুদের ফোন করে খোঁজ নিচ্ছিলেন। ভাইয়ের বন্ধু ইলিয়াস বিভিন্ন স্থানে খবর নিতে নিতে এক পর্যায়ে সানমুনে এসে ভাইয়ের লাশ পান।” এদিকে, সাইফুদ্দিনের খুনিতে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে কক্সবাজারে মিছিল করে বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×