হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কানাডিয়ান নীল পাসপোর্টের হাল-হকিকত! – DesheBideshe

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:৩০ অপরাহ্ন


কানাডার নীল কভারের পাসপোর্টটা হাতে পেয়ে একসময় ভেবেছিলাম—শরীরে বাতাস লাগিয়ে পৃথিবী চষে বেড়াবো। নিজের ইচ্ছেমতো উড়োজাহাজ বদলাব। সিডনি, টোকিও, কায়রো, লন্ডনের ইমিগ্রেশনে আর কোনো প্রশ্নের সন্মুখিন হতে হবে না। কিন্তু এখন? আমিও পাসপোর্ট পেলাম আর পৃথিবীর সিস্টেমও পাল্টে গেলো! আজকাল ‘ভিসা’ শব্দটার নামই বদলে গেছে। কেউ বলে ETA, কেউ বলে VOA, কেউ বা e-Visa। কানাডিয়ান পাসপোর্ট বলে কোথাও কোনো বিশেষ সুবিধা নেই। এটাই এখন নতুন বাস্তবতা।

ইউরোপ ভ্রমণের প্রস্তুতি নিয়েছি। অনেকগুলো দেশ ঘোরার ইচ্ছে। যেই ভাবা সেই কাজ। টরন্টো টু লন্ডন টিকিট কেটে ফেললাম। বিভিন্ন দেশে বসবাসরত আত্মীয়-বন্ধুদের সাথে কথা বলে প্ল্যানও করলাম। হঠাৎই শুনি—যুক্তরাজ্যে ঢুকতে এখন ETA (Electronic Travel Authorisation) লাগবে। এ কেমন কথা! একই রাজা, একই রাজার (কানাডা ও যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রপ্রধান রাজা চার্লস III) এক দেশ থেকে আরেক দেশে যেতে ভিসা লাগবে? অবিশ্বাস্য ব্যাপার! বিশ্বাস হোক, বা নাই হোক, নিয়ম তো মানতে হবে। অতঃপর অনলাইনে অ্যাপ ডাউনলোড করে £১৬ পাউন্ড (৩০ ডলার) ফি দিয়ে ETA নিলাম।

আরও পড়ুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

কানাডিয়ান পাসপোর্ট নিয়ে নিজ দেশ বাংলাদেশে যেতে ভিসা লাগবে এটা কস্মিনকালেও ভাবিনি। ভেবেছিলাম ডুয়েল সিটিজেনশিপ হলে খুব সহজেই দেশে যাওয়া-আসা করতে পারবো। কিন্তু কোথায় কি! ১৩০ ডলার দিয়ে NVR(No Visa Required) সিল/স্টিকার লাগাতে হয়। কেবল ফি দিলেই হয় না; এই NVR নিতে দূতাবাস/কনস্যুলেটে কাউকে কাউকে কঠিন পরীক্ষা দিতে হয় (আবেদন করতে জন্মসনদ, পিতামাতার কাগজ, বিবাহের প্রমাণ ইত্যাদি)। কাগজপত্র না গুছালে ভোগান্তি অনিবার্য।

ভারত বেশ ক’বছর আগে কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের জন্য e-Tourist Visa চালু করেছে। সম্ভবতঃ ১-বছরের ভিসা ৪০ ডলার; ৫-বছরের ভিসা ৮০ ডলার। ৫ বছরের জন্য মাল্টিপল ভিসা করে রাখলাম যাতে যখন খুশি যেতে পারি। এ ভিসায় সমস্যা হলো যেতে হবে প্লেনে করে। ভিআইপি বলে কথা! নির্দিষ্ট দিনে যথারীতি কলকাতার উদ্দেশে উড়াল দিলাম। বিমানবন্দরে পা রাখতেই যা তা ব্যবহার শুরু হলো। অফিসাররা নিম্নবর্ণের(!) বাঙালিদের ভাষা বাংলায় কথা বলেন না; আবার ফিরিঙ্গিদের ভাষা ইংরেজিও বলতে চান না। তারা হিন্দিতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে লাগলেন। অন্যান্য বাংলাভাষী যাত্রীদের সাথে যা করা হয়—আমিও রেহাই পেলাম না। কানাডিয়ান পাসপোর্ট তো কি হয়েছে? যাই হোক, সে গল্প আর নাই বললাম।

গত বছর ইন্দোনেশিয়ার বালি বিমানবন্দরে গিয়ে একটি ধাক্কা খেলাম। ইমিগ্রেশন কাউন্টারে নীল রঙের পাসপোর্টটি অফিসারের হাতে দিলাম। তিনি উল্টেপাল্টে দেখে বললেন, “ভিসার ফরম্যালিটি শেষ করে আসুন”। আমিতো অবাক! জিজ্ঞেস করলাম—কানাডিয়ানদের কি ভিসা লাগে? কাচের ওপাশ থেকে তিনি আঙুল তুলে দেখালেন— VOA (Visa on Arrival) কাউন্টার। ইন্দোনেশিয়ার VOA ফি ৫ লক্ষ রুপিয়া (৪২ ডলার)। এর সাথে যুক্ত হয় আলাদা ট্যুরিস্ট লেভি ১.৫ লক্ষ রুপিয়া (১৩ ডলার)।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

কানাডিয়ান নীল পাসপোর্টের হাল-হকিকত! – DesheBideshe

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কানাডিয়ান নীল পাসপোর্টের হাল-হকিকত! – DesheBideshe

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:৩০ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] কানাডার নীল কভারের পাসপোর্টটা হাতে পেয়ে একসময় ভেবেছিলাম—শরীরে বাতাস লাগিয়ে পৃথিবী চষে বেড়াবো। নিজের ইচ্ছেমতো উড়োজাহাজ বদলাব। সিডনি, টোকিও, কায়রো, লন্ডনের ইমিগ্রেশনে আর কোনো প্রশ্নের সন্মুখিন হতে হবে না। কিন্তু এখন? আমিও পাসপোর্ট পেলাম আর পৃথিবীর সিস্টেমও পাল্টে গেলো! আজকাল ‘ভিসা’ শব্দটার নামই বদলে গেছে। কেউ বলে ETA, কেউ বলে VOA, কেউ বা e-Visa। কানাডিয়ান পাসপোর্ট বলে কোথাও কোনো বিশেষ সুবিধা নেই। এটাই এখন নতুন বাস্তবতা।ইউরোপ ভ্রমণের প্রস্তুতি নিয়েছি। অনেকগুলো দেশ ঘোরার ইচ্ছে। যেই ভাবা সেই কাজ। টরন্টো টু লন্ডন টিকিট কেটে ফেললাম। বিভিন্ন দেশে বসবাসরত আত্মীয়-বন্ধুদের সাথে কথা বলে প্ল্যানও করলাম। হঠাৎই শুনি—যুক্তরাজ্যে ঢুকতে এখন ETA (Electronic Travel Authorisation) লাগবে। এ কেমন কথা! একই রাজা, একই রাজার (কানাডা ও যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রপ্রধান রাজা চার্লস III) এক দেশ থেকে আরেক দেশে যেতে ভিসা লাগবে? অবিশ্বাস্য ব্যাপার! বিশ্বাস হোক, বা নাই হোক, নিয়ম তো মানতে হবে। অতঃপর অনলাইনে অ্যাপ ডাউনলোড করে £১৬ পাউন্ড (৩০ ডলার) ফি দিয়ে ETA নিলাম।কানাডিয়ান পাসপোর্ট নিয়ে নিজ দেশ বাংলাদেশে যেতে ভিসা লাগবে এটা কস্মিনকালেও ভাবিনি। ভেবেছিলাম ডুয়েল সিটিজেনশিপ হলে খুব সহজেই দেশে যাওয়া-আসা করতে পারবো। কিন্তু কোথায় কি! ১৩০ ডলার দিয়ে NVR(No Visa Required) সিল/স্টিকার লাগাতে হয়। কেবল ফি দিলেই হয় না; এই NVR নিতে দূতাবাস/কনস্যুলেটে কাউকে কাউকে কঠিন পরীক্ষা দিতে হয় (আবেদন করতে জন্মসনদ, পিতামাতার কাগজ, বিবাহের প্রমাণ ইত্যাদি)। কাগজপত্র না গুছালে ভোগান্তি অনিবার্য।ভারত বেশ ক’বছর আগে কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের জন্য e-Tourist Visa চালু করেছে। সম্ভবতঃ ১-বছরের ভিসা ৪০ ডলার; ৫-বছরের ভিসা ৮০ ডলার। ৫ বছরের জন্য মাল্টিপল ভিসা করে রাখলাম যাতে যখন খুশি যেতে পারি। এ ভিসায় সমস্যা হলো যেতে হবে প্লেনে করে। ভিআইপি বলে কথা! নির্দিষ্ট দিনে যথারীতি কলকাতার উদ্দেশে উড়াল দিলাম। বিমানবন্দরে পা রাখতেই যা তা ব্যবহার শুরু হলো। অফিসাররা নিম্নবর্ণের(!) বাঙালিদের ভাষা বাংলায় কথা বলেন না; আবার ফিরিঙ্গিদের ভাষা ইংরেজিও বলতে চান না। তারা হিন্দিতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে লাগলেন। অন্যান্য বাংলাভাষী যাত্রীদের সাথে যা করা হয়—আমিও রেহাই পেলাম না। কানাডিয়ান পাসপোর্ট তো কি হয়েছে? যাই হোক, সে গল্প আর নাই বললাম।গত বছর ইন্দোনেশিয়ার বালি বিমানবন্দরে গিয়ে একটি ধাক্কা খেলাম। ইমিগ্রেশন কাউন্টারে নীল রঙের পাসপোর্টটি অফিসারের হাতে দিলাম। তিনি উল্টেপাল্টে দেখে বললেন, “ভিসার ফরম্যালিটি শেষ করে আসুন”। আমিতো অবাক! জিজ্ঞেস করলাম—কানাডিয়ানদের কি ভিসা লাগে? কাচের ওপাশ থেকে তিনি আঙুল তুলে দেখালেন— VOA (Visa on Arrival) কাউন্টার। ইন্দোনেশিয়ার VOA ফি ৫ লক্ষ রুপিয়া (৪২ ডলার)। এর সাথে যুক্ত হয় আলাদা ট্যুরিস্ট লেভি ১.৫ লক্ষ রুপিয়া (১৩ ডলার)। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×