হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কুতুবদিয়ায় মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পরবর্তীতে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুতুবদিয়া ::

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুতুবদিয়া ::

রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল–লেমশীখালী মতিরবাপের পাড়া সংযোগ সেতুর পূর্বপাশে মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় দায়ের হওয়া মামলাটি ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত’ বলে দাবি করেছে স্থানীয় একাধিক পক্ষ।

গত ১৫ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে সংঘর্ষে আহত হন, কৈয়ারবিলের নুরুজামান হেলালীর ছেলে শামসুজ্জামান (২৮),বড়ঘোপ বিদ্যুৎ মার্কেট এলাকার মো. শফি আলমের ছেলে বাপ্পি (২৫), কৈয়ারবিলের শফিকুর রহমানের ছেলে আকতার হোসেইন (২৬)।

ঘটনার পর সংবাদ সংগ্রহে গেলে স্থানীয় ইউপি সদস্য নেজাম উদ্দিন, বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী সেলিমসহ এলাকাবাসী সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেন। তবে পরবর্তীতে দায়ের করা মামলায় সেলিমকে প্রধান আসামি, ইউপি সদস্য নেজাম উদ্দিনকে ২ নম্বর এবং বিএনপি নেতা মাস্টার কামরুল হাসানকে ৩ নম্বর আসামি নামীয় করা হয়।

আরও পড়ুন

উখিয়ায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম, তিন ঘণ্টা ধরে সড়ক অবরোধ, আটকা কয়েক হাজার যানবাহন

একই মামলায় সেলিমের দুই ভাই রমিচ উদ্দিন ও রফিক উদ্দিনকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলার বাদী উপজেলা এনসিপি যুগ্ম সমন্বয়ক রিদুয়ানুজ্জামান হেলালী প্রভাব খাটিয়ে মাদক সংশ্লিষ্ট ঘটনাকে আড়াল করতে উল্টো পক্ষকে আসামি করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন অভিযুক্তরা। স্থানীয়দের দাবি— ওসি কোনো তদন্ত ছাড়াই মামলা গ্রহণ করেছেন, যা এলাকায় বিস্তর প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।
মাস্টার কামরুল হাসান বলেন, “ঘটনার বিষয়ে আমি অবগতই ছিলাম না। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে মামলায় জড়িয়েছে। আমি সুষ্ঠু তদন্ত চাই।”

স্থানীয় রাজনৈতিক সচেতনমহল দাবি করেছে, এ ধরনের মামলা বিএনপিকে কোণঠাসা করার কৌশল মাত্র। মাদকবিরোধী কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে বরং ঘটনাটিকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার বানানো হলে প্রকৃত অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হবে বলে তারা মন্তব্য করেন।

স্থানীয়রা প্রশাসনের প্রতি নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, কোনো নিরীহ ব্যক্তি বা রাজনৈতিকভাবে হয়রানিমূলক যেন মামলা দায়ের না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

কুতুবদিয়ায় মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পরবর্তীতে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কুতুবদিয়ায় মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পরবর্তীতে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক, কুতুবদিয়া :: | প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল–লেমশীখালী মতিরবাপের পাড়া সংযোগ সেতুর পূর্বপাশে মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় দায়ের হওয়া মামলাটি ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত’ বলে দাবি করেছে স্থানীয় একাধিক পক্ষ। গত ১৫ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে সংঘর্ষে আহত হন, কৈয়ারবিলের নুরুজামান হেলালীর ছেলে শামসুজ্জামান (২৮),বড়ঘোপ বিদ্যুৎ মার্কেট এলাকার মো. শফি আলমের ছেলে বাপ্পি (২৫), কৈয়ারবিলের শফিকুর রহমানের ছেলে আকতার হোসেইন (২৬)। ঘটনার পর সংবাদ সংগ্রহে গেলে স্থানীয় ইউপি সদস্য নেজাম উদ্দিন, বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী সেলিমসহ এলাকাবাসী সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেন। তবে পরবর্তীতে দায়ের করা মামলায় সেলিমকে প্রধান আসামি, ইউপি সদস্য নেজাম উদ্দিনকে ২ নম্বর এবং বিএনপি নেতা মাস্টার কামরুল হাসানকে ৩ নম্বর আসামি নামীয় করা হয়। একই মামলায় সেলিমের দুই ভাই রমিচ উদ্দিন ও রফিক উদ্দিনকেও আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী উপজেলা এনসিপি যুগ্ম সমন্বয়ক রিদুয়ানুজ্জামান হেলালী প্রভাব খাটিয়ে মাদক সংশ্লিষ্ট ঘটনাকে আড়াল করতে উল্টো পক্ষকে আসামি করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন অভিযুক্তরা। স্থানীয়দের দাবি— ওসি কোনো তদন্ত ছাড়াই মামলা গ্রহণ করেছেন, যা এলাকায় বিস্তর প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। মাস্টার কামরুল হাসান বলেন, “ঘটনার বিষয়ে আমি অবগতই ছিলাম না। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে মামলায় জড়িয়েছে। আমি সুষ্ঠু তদন্ত চাই।” স্থানীয় রাজনৈতিক সচেতনমহল দাবি করেছে, এ ধরনের মামলা বিএনপিকে কোণঠাসা করার কৌশল মাত্র। মাদকবিরোধী কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে বরং ঘটনাটিকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার বানানো হলে প্রকৃত অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হবে বলে তারা মন্তব্য করেন। স্থানীয়রা প্রশাসনের প্রতি নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, কোনো নিরীহ ব্যক্তি বা রাজনৈতিকভাবে হয়রানিমূলক যেন মামলা দায়ের না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×