হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ক্যাম্পে ছয় রোহিঙ্গা হত্যায় জড়িত আরেক রোহিঙ্গার স্বীকারোক্তি!

ইমরান আল মাহমুদ,উখিয়া

ইমরান আল মাহমুদ,উখিয়া

বুধবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২২, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন

ইমরান আল মাহমুদ,উখিয়া:
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিক্স মার্ডার মামলার আরও এক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৮এপিবিএন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(মিডিয়া) মো. কামরান হোসেন।

তিনি জানান, গত ১৮ জানুয়ারি দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৮এপিবিএন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিহাব কায়সার খানের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামানের তত্বাবধানে ক্যাম্প-১৮ এর জি-৪৫ ব্লকে অভিযান চালিয়ে কালা মিয়ার ছেলে আব্দুল মালেক (২৫) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

তিনি আরও জানান,গ্রেফতারকৃত আব্দুল মালেক কে এপিবিএন কর্তৃক জিজ্ঞাসাবাদে সে ৬জন রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে এবং হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে। সর্বশেষ আব্দুল মালেক কে গ্রেফতারপূর্বক তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই এর মাধ্যমে আদালতে প্রেরণ করা হলে সে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্রীজ্ঞান তঞ্চঙ্গাঁ এর আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে গত ১৯ জানুয়ারি ফৌজদারি কার্যবিধি-১৮৯৮ এর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। এর আগে আলোচিত ৬জন রোহিঙ্গা হত্যার পর থেকে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং খুনীদের গ্রেফতারে তৎপর হয়ে গত ৭ ডিসেম্বর জানে আলম নামে আরেক আসামী বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় প্রথম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
৮ এপিবিএন কর্তৃক এ পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত গ্রেফতারকৃত আসামির সংখ্যা ২১ জন বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২২ অক্টোবর ক্যাম্প-১৮ এর “দারুল উলুম নাদওয়াতুল ওলামা আল ইসলামিয়া” মাদ্রাসায় একটি সংঘবদ্ধ রোহিঙ্গা দুষ্কৃতিকারী দলের নৃশংস হামলায় ৬জন রোহিঙ্গা নিহত হয়। যা সিক্স মার্ডার নামে সারাদেশে আলোচনা সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ৮এপিবিএন মামলাটির রহস্য উদঘাটন ও অপরাধীদের গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় আনার জন্য কঠোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

আরও পড়ুন

বৃহস্পতিবার একটি জাহাজ সেন্টমার্টিন যাচ্ছে, এক জাহাজে যাবেন সব টিকেট সংগ্রহকারীরা

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ক্যাম্পে ছয় রোহিঙ্গা হত্যায় জড়িত আরেক রোহিঙ্গার স্বীকারোক্তি!

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ক্যাম্পে ছয় রোহিঙ্গা হত্যায় জড়িত আরেক রোহিঙ্গার স্বীকারোক্তি!

প্রতিবেদক: ইমরান আল মাহমুদ,উখিয়া | প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২২, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
ইমরান আল মাহমুদ,উখিয়া: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিক্স মার্ডার মামলার আরও এক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৮এপিবিএন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(মিডিয়া) মো. কামরান হোসেন। তিনি জানান, গত ১৮ জানুয়ারি দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৮এপিবিএন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিহাব কায়সার খানের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামানের তত্বাবধানে ক্যাম্প-১৮ এর জি-৪৫ ব্লকে অভিযান চালিয়ে কালা মিয়ার ছেলে আব্দুল মালেক (২৫) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তিনি আরও জানান,গ্রেফতারকৃত আব্দুল মালেক কে এপিবিএন কর্তৃক জিজ্ঞাসাবাদে সে ৬জন রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে এবং হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে। সর্বশেষ আব্দুল মালেক কে গ্রেফতারপূর্বক তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই এর মাধ্যমে আদালতে প্রেরণ করা হলে সে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্রীজ্ঞান তঞ্চঙ্গাঁ এর আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে গত ১৯ জানুয়ারি ফৌজদারি কার্যবিধি-১৮৯৮ এর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। এর আগে আলোচিত ৬জন রোহিঙ্গা হত্যার পর থেকে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং খুনীদের গ্রেফতারে তৎপর হয়ে গত ৭ ডিসেম্বর জানে আলম নামে আরেক আসামী বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় প্রথম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। ৮ এপিবিএন কর্তৃক এ পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত গ্রেফতারকৃত আসামির সংখ্যা ২১ জন বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, গত ২২ অক্টোবর ক্যাম্প-১৮ এর “দারুল উলুম নাদওয়াতুল ওলামা আল ইসলামিয়া” মাদ্রাসায় একটি সংঘবদ্ধ রোহিঙ্গা দুষ্কৃতিকারী দলের নৃশংস হামলায় ৬জন রোহিঙ্গা নিহত হয়। যা সিক্স মার্ডার নামে সারাদেশে আলোচনা সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ৮এপিবিএন মামলাটির রহস্য উদঘাটন ও অপরাধীদের গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় আনার জন্য কঠোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×