হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

খামেনির দাফনের পরই কাঁপল ইরান! পরমাণু কেন্দ্রের কাছে ৭টি শক্তিশালী বিস্ফোরণ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন


তেহরান, ১০ জুলাই – ইরানের সদ্যপ্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়তুল্লাহ আলী খামেনিকে চিরনিদ্রায় শায়িত করার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মাথায় এক অনাকাঙ্ক্ষিত ও চরম উত্তেজনার সাক্ষী হলো গোটা ইরান। বৃহস্পতিবার দুপুরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে খামেনির দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর, সন্ধ্যার দিকে দেশটির বিভিন্ন কৌশলগত ও সামরিক এলাকায় শক্তিশালী কমপক্ষে ৭টি বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে চারিদিক। আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজসহ একাধিক ইরানি গণমাধ্যম এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তির তোয়াক্কা না করে গত ৫ জুলাই হরমুজ প্রণালিতে ৩টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (IRGC) হামলার পর থেকেই মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যা এই বিস্ফোরণগুলোর মাধ্যমে চরম রূপ নিল।

আরও পড়ুন

সিলেট নগরীতে যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা

পরমাণু কেন্দ্রের ২০ কিলোমিটারের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা!

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা ইরনার (IRNA) বরাত দিয়ে মেহের নিউজ জানিয়েছে, ৭টি বিস্ফোরণের মধ্যে দুটি সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটেছে দক্ষিণ ইরানের প্রধান শহর বুশেহর এবং এর সংলগ্ন চোঘাদাক শহরে। উল্লেখ্য, এই বুশেহর প্রদেশেই অবস্থিত ইরানের একমাত্র বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

বুশেহর নগর প্রশাসনের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিভাগের ডেপুটি গভর্নর এহসান জাহানিয়ান জানিয়েছেন, “বুশেহর শহরের সংলগ্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ধেয়ে এসেছিল শত্রুপক্ষের দুটি ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন। তবে ইরানি প্রতিরক্ষা বাহিনীর শক্তিশালী ‘এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম’ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সেগুলোকে মাঝ আকাশেই আটকে দিয়ে ধ্বংস করে দেয়। মূলত সেই আকাশেরই পাল্টা প্রতিরোধের তীব্র শব্দ শহরবাসী শুনতে পেয়েছেন।”

বাকি ৩টি বিস্ফোরণ কোন কোন এলাকায় ঘটেছে এবং কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে কড়া সামরিক সেন্সরশিপের কারণে এখনো বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করেনি তেহরান।

ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি ভঙ্গের পর মার্কিন ও মিত্রবাহিনীর এই সাঁড়াশি প্রত্যাঘাত নাকি এর পেছনে অন্য কোনো পরাশক্তির হাত রয়েছে—তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চুলচেরা বিশ্লেষণ। খামেনিকে হারানোর শোকের মধ্যেই এই আকস্মিক হামলা ইরানকে এক দীর্ঘমেয়াদি ও ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিল কি না, সেই আশঙ্কায় কাঁপছে গোটা বিশ্ব।

এনএন/ ১০ জুলাই ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

খামেনির দাফনের পরই কাঁপল ইরান! পরমাণু কেন্দ্রের কাছে ৭টি শক্তিশালী বিস্ফোরণ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

খামেনির দাফনের পরই কাঁপল ইরান! পরমাণু কেন্দ্রের কাছে ৭টি শক্তিশালী বিস্ফোরণ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] তেহরান, ১০ জুলাই – ইরানের সদ্যপ্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়তুল্লাহ আলী খামেনিকে চিরনিদ্রায় শায়িত করার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মাথায় এক অনাকাঙ্ক্ষিত ও চরম উত্তেজনার সাক্ষী হলো গোটা ইরান। বৃহস্পতিবার দুপুরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে খামেনির দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর, সন্ধ্যার দিকে দেশটির বিভিন্ন কৌশলগত ও সামরিক এলাকায় শক্তিশালী কমপক্ষে ৭টি বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে চারিদিক। আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজসহ একাধিক ইরানি গণমাধ্যম এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তির তোয়াক্কা না করে গত ৫ জুলাই হরমুজ প্রণালিতে ৩টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (IRGC) হামলার পর থেকেই মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যা এই বিস্ফোরণগুলোর মাধ্যমে চরম রূপ নিল।পরমাণু কেন্দ্রের ২০ কিলোমিটারের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা!ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা ইরনার (IRNA) বরাত দিয়ে মেহের নিউজ জানিয়েছে, ৭টি বিস্ফোরণের মধ্যে দুটি সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটেছে দক্ষিণ ইরানের প্রধান শহর বুশেহর এবং এর সংলগ্ন চোঘাদাক শহরে। উল্লেখ্য, এই বুশেহর প্রদেশেই অবস্থিত ইরানের একমাত্র বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।বুশেহর নগর প্রশাসনের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিভাগের ডেপুটি গভর্নর এহসান জাহানিয়ান জানিয়েছেন, “বুশেহর শহরের সংলগ্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ধেয়ে এসেছিল শত্রুপক্ষের দুটি ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন। তবে ইরানি প্রতিরক্ষা বাহিনীর শক্তিশালী ‘এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম’ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সেগুলোকে মাঝ আকাশেই আটকে দিয়ে ধ্বংস করে দেয়। মূলত সেই আকাশেরই পাল্টা প্রতিরোধের তীব্র শব্দ শহরবাসী শুনতে পেয়েছেন।”বাকি ৩টি বিস্ফোরণ কোন কোন এলাকায় ঘটেছে এবং কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে কড়া সামরিক সেন্সরশিপের কারণে এখনো বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করেনি তেহরান।ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি ভঙ্গের পর মার্কিন ও মিত্রবাহিনীর এই সাঁড়াশি প্রত্যাঘাত নাকি এর পেছনে অন্য কোনো পরাশক্তির হাত রয়েছে—তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চুলচেরা বিশ্লেষণ। খামেনিকে হারানোর শোকের মধ্যেই এই আকস্মিক হামলা ইরানকে এক দীর্ঘমেয়াদি ও ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিল কি না, সেই আশঙ্কায় কাঁপছে গোটা বিশ্ব।এনএন/ ১০ জুলাই ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×