হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

গণঅভ্যুত্থানের সময় ৪৮ জেলায় ৪৩৫টি স্পটে পুলিশ-যুবলীগ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ১৩ অক্টোবর – জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় ৪৮ জেলায় ৪৩৫টি স্পটে পুলিশ ও যুবলীগ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশে ব্যাপক মাত্রায় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধ হওয়ার জন্য বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ব্যাপক মাত্রায় ও পদ্ধতিগতভাবে আক্রমণ হওয়ার শর্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন

জাপানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাইপ্রোফাইল সফরে ৪টিরও বেশি এমওইউ স্বাক্ষরের সম্ভাবনা

তাজুল বলেন, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ৪৮টি জেলায় ৪৩৫টি স্পটে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগ সশস্ত্র হামলা চালিয়ে হত্যা করে এবং পুলিশ বাহিনী গুলি চালিয়ে নারী, শিশু, তরুণ ও সাধারণ মানুষকে গুলি করে হত্যা করেছে।

গণহত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মামলায় সোমবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত যে হত্যাকাণ্ড, মানবতাবিরোধী অপরাধ- এটা ওয়াইড স্প্রেড (ব্যাপক মাত্রায়) ছিল। দেশজুড়ে এই আক্রমণটা করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, এই সংখ্যাগুলো প্রমাণ করে, আক্রমণটা ছিল ব্যাপকভাবে বিস্তৃত। আরেকটা শর্ত হচ্ছে সিস্টেম্যাটিক হতে হবে। সিস্টেম্যাটিক হওয়ার জন্য যে অপরাধের ধরন, এখানে রাষ্ট্রের রিসোর্স ব্যবহার করা হয়েছে। একটা পরিকল্পনার আওতায় একটা সুনির্দিষ্ট টার্গেটে এই অপারেশনগুলো পরিচালিত হয়েছে। সেই জিনিসটা যে এখানে হয়েছে সেটা আমরা সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করে আদালতের কাছে উপস্থাপন করেছি। এটা শুধু যে ওয়াইড স্প্রেড তাই নয়, একই সঙ্গে এটা সিস্টেম্যাটিকও ছিল।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের একপর্যায়ে গত বছরের ৫ আগস্ট গাজীপুরের কোনাবাড়ীতেপুলিশের নৃশংসতা নিয়ে আদালতে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, ওইদিন হাসিনার পতনের পর কোনাবাড়ী থানা এলাকায় বিজয় মিছিল বের করেন ছাত্র-জনতা। মিছিলে অংশ নেন কলেজছাত্র হৃদয়। মুহূর্তেই ছাত্র-জনতার ওপর গুলি ছোড়ে পুলিশ। সবাই জীবন বাঁচাতে আশ্রয় নেন নিরাপদ স্থানে। হৃদয়কে কয়েকজন পুলিশ সদস্য ধরে আনেন। ঘিরে রেখে তাকে লাঠি দিয়ে একজন আঘাত করতে এগিয়ে আসতেই আরেকজন হৃদয়কে চড় মারেন। হঠাৎ তাকে পেছন থেকে গুলি করেন কনস্টেবল আকরাম। এতেই প্রাণ হারান তিনি।

এ প্রসঙ্গে ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, কলেজছাত্র হৃদয়ের লাশটি রাতের আঁধারে গাজীপুরের কড্ডা নদীতে পুলিশ ফেলে দেয়। হৃদয়কে গুলি করার ব্যাপারে কনস্টেবল আকরাম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সাক্ষীদের জবানবন্দির অংশবিশেষ ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত বলে যুক্তি তুলে ধরেন তাজুল ইসলাম।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপন অসমাপ্ত থাকা অবস্থায় শুনানি মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।

আসামিরা পলাতক থাকায় আইন অনুযায়ী তাদের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের সুযোগ নেই। ফলে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়েই এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এর পরের ধাপই যুক্তিতর্ক উপস্থাপন। উভয়পক্ষের যুক্তিতর্কের পরেই মামলাটি রায়ের দিকে এগিয়ে যাবে।

এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিনজন আসামি। অপর দুই আসামি হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। তবে মামুন পরে রাজসাক্ষী হিসেবে হাসিনা ও কামালের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ১৩ অক্টোবর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

গণঅভ্যুত্থানের সময় ৪৮ জেলায় ৪৩৫টি স্পটে পুলিশ-যুবলীগ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

গণঅভ্যুত্থানের সময় ৪৮ জেলায় ৪৩৫টি স্পটে পুলিশ-যুবলীগ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৩ অক্টোবর – জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় ৪৮ জেলায় ৪৩৫টি স্পটে পুলিশ ও যুবলীগ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।তিনি বলেন, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশে ব্যাপক মাত্রায় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধ হওয়ার জন্য বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ব্যাপক মাত্রায় ও পদ্ধতিগতভাবে আক্রমণ হওয়ার শর্ত রয়েছে।তাজুল বলেন, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ৪৮টি জেলায় ৪৩৫টি স্পটে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগ সশস্ত্র হামলা চালিয়ে হত্যা করে এবং পুলিশ বাহিনী গুলি চালিয়ে নারী, শিশু, তরুণ ও সাধারণ মানুষকে গুলি করে হত্যা করেছে।গণহত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মামলায় সোমবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।তাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত যে হত্যাকাণ্ড, মানবতাবিরোধী অপরাধ- এটা ওয়াইড স্প্রেড (ব্যাপক মাত্রায়) ছিল। দেশজুড়ে এই আক্রমণটা করা হয়েছিল।তিনি বলেন, এই সংখ্যাগুলো প্রমাণ করে, আক্রমণটা ছিল ব্যাপকভাবে বিস্তৃত। আরেকটা শর্ত হচ্ছে সিস্টেম্যাটিক হতে হবে। সিস্টেম্যাটিক হওয়ার জন্য যে অপরাধের ধরন, এখানে রাষ্ট্রের রিসোর্স ব্যবহার করা হয়েছে। একটা পরিকল্পনার আওতায় একটা সুনির্দিষ্ট টার্গেটে এই অপারেশনগুলো পরিচালিত হয়েছে। সেই জিনিসটা যে এখানে হয়েছে সেটা আমরা সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করে আদালতের কাছে উপস্থাপন করেছি। এটা শুধু যে ওয়াইড স্প্রেড তাই নয়, একই সঙ্গে এটা সিস্টেম্যাটিকও ছিল।যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের একপর্যায়ে গত বছরের ৫ আগস্ট গাজীপুরের কোনাবাড়ীতেপুলিশের নৃশংসতা নিয়ে আদালতে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, ওইদিন হাসিনার পতনের পর কোনাবাড়ী থানা এলাকায় বিজয় মিছিল বের করেন ছাত্র-জনতা। মিছিলে অংশ নেন কলেজছাত্র হৃদয়। মুহূর্তেই ছাত্র-জনতার ওপর গুলি ছোড়ে পুলিশ। সবাই জীবন বাঁচাতে আশ্রয় নেন নিরাপদ স্থানে। হৃদয়কে কয়েকজন পুলিশ সদস্য ধরে আনেন। ঘিরে রেখে তাকে লাঠি দিয়ে একজন আঘাত করতে এগিয়ে আসতেই আরেকজন হৃদয়কে চড় মারেন। হঠাৎ তাকে পেছন থেকে গুলি করেন কনস্টেবল আকরাম। এতেই প্রাণ হারান তিনি।এ প্রসঙ্গে ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, কলেজছাত্র হৃদয়ের লাশটি রাতের আঁধারে গাজীপুরের কড্ডা নদীতে পুলিশ ফেলে দেয়। হৃদয়কে গুলি করার ব্যাপারে কনস্টেবল আকরাম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সাক্ষীদের জবানবন্দির অংশবিশেষ ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত বলে যুক্তি তুলে ধরেন তাজুল ইসলাম।যুক্তিতর্ক উপস্থাপন অসমাপ্ত থাকা অবস্থায় শুনানি মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।আসামিরা পলাতক থাকায় আইন অনুযায়ী তাদের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের সুযোগ নেই। ফলে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়েই এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এর পরের ধাপই যুক্তিতর্ক উপস্থাপন। উভয়পক্ষের যুক্তিতর্কের পরেই মামলাটি রায়ের দিকে এগিয়ে যাবে।এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিনজন আসামি। অপর দুই আসামি হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। তবে মামুন পরে রাজসাক্ষী হিসেবে হাসিনা ও কামালের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন।সূত্র: ঢাকা পোস্টএনএন/ ১৩ অক্টোবর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×