হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

গণভবনে হঠাৎ অসুস্থ হাসানাত আবদুল্লাহ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৩, ১২:০৭ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১৭ এপ্রিল – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। গত শনিবার আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে এ ঘটনা ঘটেছে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া মনোনয়ন বোর্ডের কয়েকজন প্রভাবশালী সদস্য জানান, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ তাঁর বড় ছেলে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে আবারও দলের মনোনয়ন না দেওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করেন। তিনি তাঁর ছেলেকে মনোনয়ন দেওয়ার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি দেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং দলের মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা দলীয় সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

আরও পড়ুন

মাদারীপুরে একের পর এক বোমা ও ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা

তবে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য বারবার অনুরোধ করেন আবুল হাসানাত। এক পর্যায়ে তাঁর মান-অভিমানের বিষয়টিও বৈঠকে প্রকাশ পায়। তিনি বিসিসিতে দলের প্রার্থী পরিবর্তন করা হলে তাঁর বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নড়বড়ে হওয়ার কথাও বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যদের মতামত চাইলে সবাই আবুল হাসানাতের ছোট ভাই আবুল খায়ের আবদুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাতকে মনোনয়ন দেওয়ার পক্ষে মত দেন।

তখনই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন আবুল হাসানাত। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবশ্য ওই সময়ে তাঁর প্রেশার এবং ডায়াবেটিস স্বাভাবিক ছিল। পরে তিনি আবারও বৈঠকে অংশ নেন। তিনি দলের মনোনয়ন বোর্ডের একজন প্রভাবশালী সদস্য। এর আগে আবুল হাসানাত মেয়র পদে তাঁর ছেলেকে মনোনয়ন এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসনে খোকন সেরনিয়াবাতকে দলের মনোনয়ন দেওয়ার অনুরোধ জানান।

এ সময় তাঁকে জানানো হয়, মেয়র পদে খোকন সেরনিয়াবাতই দলের প্রার্থী। আর বরিশাল-১ আসনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আবুল হাসানাত নিজেই বরিশাল-১ আসনের এমপি। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের এক নম্বর সদস্য এবং বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তাঁর ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

বিদ্রোহের আশঙ্কা গাজীপুর ও সিলেটে

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজমত উল্লা খান এর আগে দলের মনোনয়ন পেয়েও নির্বাচিত হতে পারেননি। তবে তাঁর পরাজয়ের জন্য দলের দ্বন্দ্ব-বিবাদকেই মূলত দায়ী করা হয়েছিল। এবারও একই ধরনের চিত্র। দলের মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণার পরপরই গৃহদাহের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীর অনেকেরই আশঙ্কা, গাজীপুরের বহিষ্কৃত মেয়র ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিদ্রোহী প্রার্থী হতে পারেন। অবশ্য সমকালের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তিনি অপেক্ষায় থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

এদিকে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া নিয়েও বিরোধিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজসহ মনোনয়নবঞ্চিত ১০ নেতার অনেকেই দলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারছেন না। তাঁরা আগে থেকেই আনোয়ারুজ্জামানের বিরোধিতা করে আসছেন।

নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন কিনা– জানতে চাইলে মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেছেন, ‘মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার অনেক সময় রয়েছে। এর মধ্যে সার্বিক পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেটাই বিবেচ্য বিষয়। তবে নির্বাচনে অংশ নিলে আমি জয় পাব। এটা নিশ্চিত।’

প্রায় একই ধরনের মন্তব্য করেছেন গাজীপুরের বহিষ্কৃত মেয়র জাহাঙ্গীর। অবশ্য এ দুই নেতাই দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

সম্ভাব্য বিদ্রোহী প্রার্থী প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঢাকা বিভাগের দলীয় কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, বিদ্রোহের কোনো সুযোগ নেই। দলের সিদ্ধান্ত না মানলে শাস্তি পেতেই হবে। সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেছেন, বিদ্রোহ হবে না। আর বিদ্রোহ হলে একটাই শাস্তি, সংগঠন থেকে বহিষ্কার।

সূত্র: সমকাল
আইএ/ ১৭ এপ্রিল ২০২৩

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

গণভবনে হঠাৎ অসুস্থ হাসানাত আবদুল্লাহ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

গণভবনে হঠাৎ অসুস্থ হাসানাত আবদুল্লাহ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৩, ১২:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৭ এপ্রিল – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। গত শনিবার আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে এ ঘটনা ঘটেছে। বৈঠকে অংশ নেওয়া মনোনয়ন বোর্ডের কয়েকজন প্রভাবশালী সদস্য জানান, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ তাঁর বড় ছেলে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে আবারও দলের মনোনয়ন না দেওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করেন। তিনি তাঁর ছেলেকে মনোনয়ন দেওয়ার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি দেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং দলের মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা দলীয় সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। তবে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য বারবার অনুরোধ করেন আবুল হাসানাত। এক পর্যায়ে তাঁর মান-অভিমানের বিষয়টিও বৈঠকে প্রকাশ পায়। তিনি বিসিসিতে দলের প্রার্থী পরিবর্তন করা হলে তাঁর বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নড়বড়ে হওয়ার কথাও বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যদের মতামত চাইলে সবাই আবুল হাসানাতের ছোট ভাই আবুল খায়ের আবদুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাতকে মনোনয়ন দেওয়ার পক্ষে মত দেন। তখনই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন আবুল হাসানাত। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবশ্য ওই সময়ে তাঁর প্রেশার এবং ডায়াবেটিস স্বাভাবিক ছিল। পরে তিনি আবারও বৈঠকে অংশ নেন। তিনি দলের মনোনয়ন বোর্ডের একজন প্রভাবশালী সদস্য। এর আগে আবুল হাসানাত মেয়র পদে তাঁর ছেলেকে মনোনয়ন এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসনে খোকন সেরনিয়াবাতকে দলের মনোনয়ন দেওয়ার অনুরোধ জানান। এ সময় তাঁকে জানানো হয়, মেয়র পদে খোকন সেরনিয়াবাতই দলের প্রার্থী। আর বরিশাল-১ আসনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আবুল হাসানাত নিজেই বরিশাল-১ আসনের এমপি। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের এক নম্বর সদস্য এবং বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তাঁর ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। বিদ্রোহের আশঙ্কা গাজীপুর ও সিলেটে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজমত উল্লা খান এর আগে দলের মনোনয়ন পেয়েও নির্বাচিত হতে পারেননি। তবে তাঁর পরাজয়ের জন্য দলের দ্বন্দ্ব-বিবাদকেই মূলত দায়ী করা হয়েছিল। এবারও একই ধরনের চিত্র। দলের মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণার পরপরই গৃহদাহের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীর অনেকেরই আশঙ্কা, গাজীপুরের বহিষ্কৃত মেয়র ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিদ্রোহী প্রার্থী হতে পারেন। অবশ্য সমকালের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তিনি অপেক্ষায় থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। এদিকে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া নিয়েও বিরোধিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজসহ মনোনয়নবঞ্চিত ১০ নেতার অনেকেই দলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারছেন না। তাঁরা আগে থেকেই আনোয়ারুজ্জামানের বিরোধিতা করে আসছেন। নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন কিনা– জানতে চাইলে মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেছেন, ‘মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার অনেক সময় রয়েছে। এর মধ্যে সার্বিক পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেটাই বিবেচ্য বিষয়। তবে নির্বাচনে অংশ নিলে আমি জয় পাব। এটা নিশ্চিত।’ প্রায় একই ধরনের মন্তব্য করেছেন গাজীপুরের বহিষ্কৃত মেয়র জাহাঙ্গীর। অবশ্য এ দুই নেতাই দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। সম্ভাব্য বিদ্রোহী প্রার্থী প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঢাকা বিভাগের দলীয় কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, বিদ্রোহের কোনো সুযোগ নেই। দলের সিদ্ধান্ত না মানলে শাস্তি পেতেই হবে। সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেছেন, বিদ্রোহ হবে না। আর বিদ্রোহ হলে একটাই শাস্তি, সংগঠন থেকে বহিষ্কার। সূত্র: সমকালআইএ/ ১৭ এপ্রিল ২০২৩

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×