চাঁদাবাজি মামলায় রামুর যুবক জিটু বড়ুয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে বিজ্ঞ আদালত। জিটু বড়ুয়া রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের নাথপাড়া গ্রামের শিবু বড়ুয়ার ছেলে।
রবিবার, ১২ অক্টোবর জামিন নিতে গেলে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (রামু) এর বিজ্ঞ বিচারিক হাকিম জিটু বড়ুয়ার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
চলতি বছরের ২৬ জুন গ্রেফতারকৃত জিটু বড়ুয়াসহ ৩ জনকে আসামী করে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন একই এলাকার বিশান্ত বড়য়ার ছেলে ব্যবসায়ি খোকন বড়য়া। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে ঘটনার সত্যতা পেয়ে সম্প্রতি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণ করেন তদন্তকারি কর্মকর্তা রামু থানার এসআই কামাল হোসেন। রবিবার জিটু বড়ুয়াসহ অন্যান্য আসামীরা ওই মামলায় জামিন নিতে গেলে বিজ্ঞ আদালত জিটু বড়ুয়ার জামিন নামঞ্জুর করেন। মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন- শিবু বড়ুয়ার ছেলে রুবেল বড়ুয়া ও ভোলা বড়ুয়ার ছেলে শিবু বড়ুয়া।
মামলার বাদি ব্যবসায়ি খোকন বড়ুয়া জানিয়েছেন- মামলায় অভিযুক্তরা বাদীর কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলো। চাঁদা না দেয়ায় আসামীরা বাদীর ভাড়ায় প্রদান করা দোকান ঘর বন্ধ করে দেয়। এমনকি চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় বাদী ও বাদীর ছোট ভাই অপু বড়ুয়াকে মারধর এবং দোকান ঘরে থাকা দেড় লাখ টাকার মালামাল ও নগদ টাকা লুট করে।
সৌদি আরবে মক্কা ও মদিনাসহ একাধিক অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা: শনিবার পর্যন্ত চরম সতর্কবার্তা
তদন্তকারি কর্মকর্তা রামু থানার এসআই কামাল হোসেন জানিয়েছেন- তদন্তে ঘটনার সত্য পেয়ে তিনি বিজ্ঞ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছেন। মামলায় অভিযুক্তরা এখনো বাদীর দোকান ঘর দখল করে রেখেছে।
এদিকে মামলার বাদী ও পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন- মামলার আসামীরা প্রতিনিয়ত তাদের বসত বাড়ি জবরদখলসহ প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এ কারণে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এমনকি তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিজেদের জান-মালের নিরাপত্তা চেয়েছেন।




মন্তব্য করুন