কক্সবাজারে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়াম জেলা প্রশাসক (ডিসি) গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
এতে কক্সবাজার সদর উপজেলার ইউএনও,সাংবাদিক সহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজারের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছেন। এ রিপোর্ট লেখাকালীন পর্যন্ত ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলছে। তাৎক্ষণিকভাবে ভাবে আহতদের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) কয়েক দফায় এ ঘটনা ঘটে।
রামু উপজেলার মেরুলা গ্রাম থেকে আসা আবদুল মালেক বলেন চরম অব্যবস্হাপনা কারনে এ ঘটনা ঘটে। ধারন ক্ষমতার চেয়ে বেশি দর্শক মাঠে ঢুকে পড়ে। পরে যৌথ বাহিনী সাধারণ দর্শকের উপর লাঠিচার্জের এ ঘটনা ঘটে।
ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনের ‘বার আউলিয়া’
টেকনাফের সদর ইউনিয়নের ছৈয়দ করিম এসবের দায় ডিসি সাহেবকে নিতে হবে।এ ঘটনার পর থেকে কক্সবাজার জেলা পুলিশ, সেনাবাহিনীর ও র্য্যাব ঘটনাস্থলে আছেন। বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতির কারণে ফাইনাল খেলা স্থগিত করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কক্সবাজারে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে টিকেটের মূল্য ৫০ টাকা। কিন্তু সেখানে ১০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে। এছাড়া স্টেডিয়ামের ধারণ ক্ষমতা ১০ থেকে ১৫ হাজার। সেখানে ৪০ থেকে ৫০ হাজার দর্শক ঢোকানো হয়েছে।
এ কারণে বিশঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে।এদিকে, টিকিট না পেয়ে দর্শকরা স্টেডিয়ামের গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। পরে তাদের বের করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা স্টেডিয়ামে ঢুকে বিনাটিকিটের দর্শকদের বের করে দিতে চাইলেই বাধে সংঘর্ষ। এ সময় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। পুলিশকে ঘিরে ফেলা হয় চারদিক থেকে। স্টেডিয়ামের ভেতর থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যাচ্ছে।
কেউ কেউ বলছে, স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হতে পারে।থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হচ্ছে। স্টেডিয়ামের মধ্যে আটকা পড়েছে খেলোয়াড়রা। সংঘর্ষ শুরু হতেই খেলা বন্ধ হয়ে গেছে।




মন্তব্য করুন