হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

তৃতীয়বার দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদে বহাল রইলেন দোভাল

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন


নয়াদিল্লি, ১৩ জুন – টানা তৃতীয়বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এর পরপরই সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা অজিত দোভালকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। ২০১৯ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে একই পদে অজিত দোভালকে পুনর্বহাল রেখেছিলেন মোদী। এবারও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে তাকেই বেছে নিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। খবর এনডিটিভি’র।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ৭৭ বছর বয়সী সাবেক এই চৌকস গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে পুনর্নিয়োগের কথা জানানো হয়। যদিও সোমবার (১০ জুন) থেকেই কার্যকর হয়েছে ওই নির্দেশিকা।

২০১৪ সালে অজিত দোভাল প্রথমবারের মতো জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই তার নেতৃত্বে একে একে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সন্ত্রাসীদের দমনের পদক্ষেপ নেয় ভারতের সরকার। ২০১৬ সালে জম্মু ও কাশ্মিরের বারমুলা জেলার উরি শহরে সন্ত্রাসী হামালার পর, তার নেতৃত্বেই পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মিরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছিল ভারতীয় বাহিনী। সেসময় এই ঘটনা মোদী সরকারের পক্ষে প্রবল জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছিল।

আরও পড়ুন

সিলেট নগরীতে যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা

এরপর ২০১৭ সালে দোকলামে ভারত-চীন যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেসময় মূলত দোভালের হস্তক্ষেপেই পরিস্থিতি শান্ত হয় ও দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হয়। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে পুলওয়ামায় সিআরপিএফের গাড়িবহরে সন্ত্রাসী হামলার পরে পাকিস্তানের বালাকোটে সন্ত্রাসী শিবিরে বিমান হামলার নেপথ্যেও দোভালের উপদেশ ও নির্দেশ ছিল বলে জানা গেছে।

পাঁচ বছর দক্ষতার সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব সামলানোর ‘পুরস্কার’ হিসেবে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পরে পুনর্নিয়োগ পেয়েছিলেন অজিত দোভাল। শুধু তাই-ই নয়, তার পদমর্যাদাও বাড়িয়ে দিয়েছিল দ্বিতীয় মোদী সরকার। মোদীর প্রথম বারের প্রধানমন্ত্রিত্বের পাঁচ বছরে দোভালের পদমর্যাদা ছিল কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর সমান। সেই পদমর্যাদা বাড়িয়ে তাকে দেওয়া হয়েছিল পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা।

মোদীর দ্বিতীয় দফায় দোভালের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ৩৭০ ধারা বাতিলের পর অশান্ত হয়ে ওঠা কাশ্মির উপত্যকায় আইনশৃঙ্খলা ফেরানোর ক্ষেত্রে। পাশাপাশি, ২০২০ এর জুনে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চীনা সেনাবাহিনীর সঙ্গে ভারতীয় সেনাদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরে দফায় দফায় বেজিংয়ের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা কমাতেও তার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল।

যদিও ২০২০ সালেই ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দোভালের ‘দূরত্বের’ খবর নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল। ফলে তৃতীয় দফায় মোদী প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি পুনর্নিয়োগ পাবেন কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল সংশয়। বৃহস্পতিবার সেই সংশয়েরই ইতি টেনে দিলেন মোদী।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
আইএ/ ১৩ জুন ২০২৪




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

তৃতীয়বার দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদে বহাল রইলেন দোভাল

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

তৃতীয়বার দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদে বহাল রইলেন দোভাল

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] নয়াদিল্লি, ১৩ জুন – টানা তৃতীয়বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এর পরপরই সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা অজিত দোভালকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। ২০১৯ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে একই পদে অজিত দোভালকে পুনর্বহাল রেখেছিলেন মোদী। এবারও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে তাকেই বেছে নিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। খবর এনডিটিভি’র।বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ৭৭ বছর বয়সী সাবেক এই চৌকস গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে পুনর্নিয়োগের কথা জানানো হয়। যদিও সোমবার (১০ জুন) থেকেই কার্যকর হয়েছে ওই নির্দেশিকা।২০১৪ সালে অজিত দোভাল প্রথমবারের মতো জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই তার নেতৃত্বে একে একে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সন্ত্রাসীদের দমনের পদক্ষেপ নেয় ভারতের সরকার। ২০১৬ সালে জম্মু ও কাশ্মিরের বারমুলা জেলার উরি শহরে সন্ত্রাসী হামালার পর, তার নেতৃত্বেই পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মিরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছিল ভারতীয় বাহিনী। সেসময় এই ঘটনা মোদী সরকারের পক্ষে প্রবল জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছিল।এরপর ২০১৭ সালে দোকলামে ভারত-চীন যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেসময় মূলত দোভালের হস্তক্ষেপেই পরিস্থিতি শান্ত হয় ও দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হয়। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে পুলওয়ামায় সিআরপিএফের গাড়িবহরে সন্ত্রাসী হামলার পরে পাকিস্তানের বালাকোটে সন্ত্রাসী শিবিরে বিমান হামলার নেপথ্যেও দোভালের উপদেশ ও নির্দেশ ছিল বলে জানা গেছে।পাঁচ বছর দক্ষতার সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব সামলানোর ‘পুরস্কার’ হিসেবে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পরে পুনর্নিয়োগ পেয়েছিলেন অজিত দোভাল। শুধু তাই-ই নয়, তার পদমর্যাদাও বাড়িয়ে দিয়েছিল দ্বিতীয় মোদী সরকার। মোদীর প্রথম বারের প্রধানমন্ত্রিত্বের পাঁচ বছরে দোভালের পদমর্যাদা ছিল কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর সমান। সেই পদমর্যাদা বাড়িয়ে তাকে দেওয়া হয়েছিল পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা।মোদীর দ্বিতীয় দফায় দোভালের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ৩৭০ ধারা বাতিলের পর অশান্ত হয়ে ওঠা কাশ্মির উপত্যকায় আইনশৃঙ্খলা ফেরানোর ক্ষেত্রে। পাশাপাশি, ২০২০ এর জুনে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চীনা সেনাবাহিনীর সঙ্গে ভারতীয় সেনাদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরে দফায় দফায় বেজিংয়ের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা কমাতেও তার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল।যদিও ২০২০ সালেই ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দোভালের ‘দূরত্বের’ খবর নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল। ফলে তৃতীয় দফায় মোদী প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি পুনর্নিয়োগ পাবেন কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল সংশয়। বৃহস্পতিবার সেই সংশয়েরই ইতি টেনে দিলেন মোদী।সূত্র: বাংলাদেশ জার্নালআইএ/ ১৩ জুন ২০২৪ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×