হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘাতে প্রায় ৭ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত, নিহত ২৩

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:০০ অপরাহ্ন


ব্যাংকক, ১৩ ডিসেম্বর – দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সংঘাতের গত ৬ দিনে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৩ জন এবং বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন প্রায় ৭ লাখ মানুষ। দুই দেশের কর্মকর্তা ও সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে এ তথ্য।

কম্বোডিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা এজেন্সি কম্পুচিয়া প্রেস জানিয়েছে, ৭ ডিসেম্বর সংঘাতের শুরু থেকে এ পর্যন্ত কম্বোডিয়ায় নিহত হয়েছেন ১১ জন এবং আহত হয়েছেন ৭৬ জন বেসাামরিক। সেই সঙ্গে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন ২ লাখ ৭৪ হাজার ৪০৩ জন নাগরিক।

আরও পড়ুন

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নাজির আলমগীরের প্রভাবে দুর্নীতিবান্ধব উখিয়া ভূমি অফিস! টাকায় হয় ‘অসাধ্য সাধন’

গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে কম্বোডিয়ার জাতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল ম্যালি সোচেতা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সংঘাতে একজন কম্বোডীয় সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মৃতের যে সংখ্যা প্রকাশ করেছে, সেখানে নিহত ওই সেনাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কি না— এখনও স্পষ্ট নয়।

এদিকে শুক্রবার থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও মুখপাত্র সুরাসান্ত কংসিরি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সংঘাতে এ পর্যন্ত ৯ জন থাই সেনা এবং ৩ জন বেসামরিক নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ১৯০ জন। এছাড়া সংঘাতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে বাড়িঘর ছেড়ে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন ৪ লাখ থাই নাগরিক।

এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল বা পান্না ত্রিভুজ নামের একটি ভূখণ্ড নিয়ে ১১৮ বছর ধরে দ্বন্দ্ব চলছে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে। থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও লাওসের সীমানা মিলিত হয়েছে পান্না ত্রিভুজে। প্রাচীন মন্দির ও ধর্মীয় স্থাপনাসমৃদ্ধ পান্না ত্রিভুজকে থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়া উভয়েই নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে।

দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সীমান্ত সংঘাতের পর ১৫ বছর আগে যুদ্ধবিরতিতে গিয়েছিল দুই দেশ। কিন্তু গত বছর মে মাস থেকে উত্তেজনা শুরু হয় দু’দেশের মধ্যে। এই উত্তেজনার জের ধরে গত জুলাই মাসের শেষ দিকে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে থাই ও কম্বোডীয় সেনাবাহিনী। ৫ দিনের সেই সংঘাতে নিহত হয়েছিলেন দুই দেশের ৪৮ জন নাগরিক এবং বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানের উদ্দেশে পালাতে বাধ্য হয়েছিলেন ৩ লাখ মানুষ। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দুই দেশ।

এরপর চার মাসেরও বেশি সময় শান্ত থাকার পর গত ৭ ডিসেম্বর রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পর সীমান্তবর্তী থাই প্রদেশ সি সা কেত-এ ফের সংঘাত উসকে ওঠে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘাতে প্রায় ৭ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত, নিহত ২৩

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘাতে প্রায় ৭ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত, নিহত ২৩

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:০০ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ব্যাংকক, ১৩ ডিসেম্বর – দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সংঘাতের গত ৬ দিনে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৩ জন এবং বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন প্রায় ৭ লাখ মানুষ। দুই দেশের কর্মকর্তা ও সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে এ তথ্য।কম্বোডিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা এজেন্সি কম্পুচিয়া প্রেস জানিয়েছে, ৭ ডিসেম্বর সংঘাতের শুরু থেকে এ পর্যন্ত কম্বোডিয়ায় নিহত হয়েছেন ১১ জন এবং আহত হয়েছেন ৭৬ জন বেসাামরিক। সেই সঙ্গে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন ২ লাখ ৭৪ হাজার ৪০৩ জন নাগরিক।গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে কম্বোডিয়ার জাতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল ম্যালি সোচেতা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সংঘাতে একজন কম্বোডীয় সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মৃতের যে সংখ্যা প্রকাশ করেছে, সেখানে নিহত ওই সেনাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কি না— এখনও স্পষ্ট নয়।এদিকে শুক্রবার থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও মুখপাত্র সুরাসান্ত কংসিরি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সংঘাতে এ পর্যন্ত ৯ জন থাই সেনা এবং ৩ জন বেসামরিক নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ১৯০ জন। এছাড়া সংঘাতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে বাড়িঘর ছেড়ে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন ৪ লাখ থাই নাগরিক।এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল বা পান্না ত্রিভুজ নামের একটি ভূখণ্ড নিয়ে ১১৮ বছর ধরে দ্বন্দ্ব চলছে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে। থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও লাওসের সীমানা মিলিত হয়েছে পান্না ত্রিভুজে। প্রাচীন মন্দির ও ধর্মীয় স্থাপনাসমৃদ্ধ পান্না ত্রিভুজকে থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়া উভয়েই নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে।দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সীমান্ত সংঘাতের পর ১৫ বছর আগে যুদ্ধবিরতিতে গিয়েছিল দুই দেশ। কিন্তু গত বছর মে মাস থেকে উত্তেজনা শুরু হয় দু’দেশের মধ্যে। এই উত্তেজনার জের ধরে গত জুলাই মাসের শেষ দিকে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে থাই ও কম্বোডীয় সেনাবাহিনী। ৫ দিনের সেই সংঘাতে নিহত হয়েছিলেন দুই দেশের ৪৮ জন নাগরিক এবং বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানের উদ্দেশে পালাতে বাধ্য হয়েছিলেন ৩ লাখ মানুষ। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দুই দেশ।এরপর চার মাসেরও বেশি সময় শান্ত থাকার পর গত ৭ ডিসেম্বর রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পর সীমান্তবর্তী থাই প্রদেশ সি সা কেত-এ ফের সংঘাত উসকে ওঠে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে।সূত্র: ঢাকা পোস্টএনএন/ ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×