হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

থানার সামনে লাশগুলো পুড়িয়ে রাতে বাইপাইল মসজিদের সামনে রেখে আসে

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:৫৯ অপরাহ্ন


ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর – ভাঙারির ব্যবসা করে সংসার চালান মতিবর রহমান। তবে বুইদ্দা নামেই বেশি পরিচিত তিনি। ৬০ বছর বয়সী এই বৃদ্ধ সাক্ষী জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের এক বীভৎস ঘটনার।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তার চোখের সামনে আন্দোলনকারী ছয় তরুণের লাশ পুড়িয়ে ফেলে পুলিশ। সেদিনের সেই ভয়াবহ দৃশ্যের বর্ণনা আজ (মঙ্গলবার) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন মতিবর।

আরও পড়ুন

অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই

জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে আশুলিয়ায় ছয়জনের লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ ১৬ আসামির বিরুদ্ধে চতুর্থ দিনের সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল আজ। এদিন ছয় নম্বর সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে মতিবরের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। ট্রাইব্যুনালের বাকি দুই সদস্য হলেন- অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

সাক্ষী বলেন, আমার নাম মতিবর রহমান ওরফে বুইদ্দা। আমার বয়স ৬০ বছর। বর্তমানে আশুলিয়ায় বসবাস। আমি কোনো পড়াশোনা করিনি। আমি ভাঙারির ব্যবসা করি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর ২টার পর যখন সরকার পদত্যাগ করে তখন মিছিল বের করে ছেলেরা। আশুলিয়ার থানার সামনে দিয়ে মিছিলটি যাচ্ছিল ওই সময় পুলিশেরা গুলি করে, লাশগুলো থানার সামনে নিয়ে গাড়িতে তুলে আগুন লাগিয়ে দেয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত গুলি চলতে থাকে। সাড়ে ৪টার সময় গাড়ি দিয়ে গুলি করতে করতে চলে যায় পুলিশ।

মতিবর বলেন, ওই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই জায়গাতেই থাকি আমরা। রাতে বাসায় চলে যাই। এসব লাশ থানার সামনেই পোড়ানো হয়। পরে কেউ রাতের বেলায় বাইপাইল মসজিদের সামনে রেখে আসেন। পরদিন ৬ আগস্ট দুপুর ১২টার পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আসেন। সেনাবাহিনী আসে ২টার দিকে। পরে লাশ ছয়টি পুলিশের গাড়ি থেকে বের করে আমি পলিথিনে প্যাকেট করি। এরপর জানাজা পড়ানো হয়।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

থানার সামনে লাশগুলো পুড়িয়ে রাতে বাইপাইল মসজিদের সামনে রেখে আসে

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

থানার সামনে লাশগুলো পুড়িয়ে রাতে বাইপাইল মসজিদের সামনে রেখে আসে

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর – ভাঙারির ব্যবসা করে সংসার চালান মতিবর রহমান। তবে বুইদ্দা নামেই বেশি পরিচিত তিনি। ৬০ বছর বয়সী এই বৃদ্ধ সাক্ষী জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের এক বীভৎস ঘটনার।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তার চোখের সামনে আন্দোলনকারী ছয় তরুণের লাশ পুড়িয়ে ফেলে পুলিশ। সেদিনের সেই ভয়াবহ দৃশ্যের বর্ণনা আজ (মঙ্গলবার) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন মতিবর।জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে আশুলিয়ায় ছয়জনের লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ ১৬ আসামির বিরুদ্ধে চতুর্থ দিনের সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল আজ। এদিন ছয় নম্বর সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে মতিবরের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। ট্রাইব্যুনালের বাকি দুই সদস্য হলেন- অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।সাক্ষী বলেন, আমার নাম মতিবর রহমান ওরফে বুইদ্দা। আমার বয়স ৬০ বছর। বর্তমানে আশুলিয়ায় বসবাস। আমি কোনো পড়াশোনা করিনি। আমি ভাঙারির ব্যবসা করি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর ২টার পর যখন সরকার পদত্যাগ করে তখন মিছিল বের করে ছেলেরা। আশুলিয়ার থানার সামনে দিয়ে মিছিলটি যাচ্ছিল ওই সময় পুলিশেরা গুলি করে, লাশগুলো থানার সামনে নিয়ে গাড়িতে তুলে আগুন লাগিয়ে দেয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত গুলি চলতে থাকে। সাড়ে ৪টার সময় গাড়ি দিয়ে গুলি করতে করতে চলে যায় পুলিশ।মতিবর বলেন, ওই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই জায়গাতেই থাকি আমরা। রাতে বাসায় চলে যাই। এসব লাশ থানার সামনেই পোড়ানো হয়। পরে কেউ রাতের বেলায় বাইপাইল মসজিদের সামনে রেখে আসেন। পরদিন ৬ আগস্ট দুপুর ১২টার পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আসেন। সেনাবাহিনী আসে ২টার দিকে। পরে লাশ ছয়টি পুলিশের গাড়ি থেকে বের করে আমি পলিথিনে প্যাকেট করি। এরপর জানাজা পড়ানো হয়।সূত্র: ঢাকা পোস্টএনএন/ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×