হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মিয়ানমারের দু’বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি, সতর্ক বিজিবি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১০:৩৮ অপরাহ্ন

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সীমান্তের ওপারে ছালিদং পাহাড়ি এলাকাজুড়ে মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী ও সে দেশের স্বশস্ত্র বিদ্রোহীদের মধ্যে ঘন্টা ব্যাপী গোলাগুলি ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় ২০ জনের হতাহতের খবর পাওয়া গেলেও তাদের নাম ঠিকানা পাওয়া যায় নি। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারী) সকাল ৭ টা থেকে প্রায় দেড় ঘন্টা।

বিজিবি জানান,এ ঘটনার পর থেকে সীমান্তে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন ।

এ দিকে সীমান্তের লোকজন জানান,শুক্রবার সকালে অনেকে তখনও বিছানা ছিলেন।আবার অনেকেই ঘুমে। কিন্তু হঠাৎ সীমান্ত থেকে গোলাগুলির শব্দ শুনে তাদের এ ঘুম ভাঙ্গে।
বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেষা চেরারকূলের দিদারুল আলম,আমতলীর ফরিদুল আলম,৬ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার ফরিদুল আলম ও চাকঢালা মহিউচ্ছুন্নাহ দাখিল মাদরাসার শিক্ষক মৌলানা জাফর আলম বলেন,সকাল ৭ টা থেকে প্রচন্ড গোলাগুলির আওয়াজ শুনেন তারা । যাতে তাদের কান ভারী হয়ে যায় এমন অবস্থা। এরপরপর তারা বাড়ি থেকে বের হয়ে জানতে পারেন সীমান্তেই এ গোলাগুলি হচ্ছে। বিশেষ করে ৪৪ নম্বর সীমান্ত খুটির ১ কিলোমিটার পূর্বে বাংলাদেশের অংশের বড়ছনখোলা-ভেতরের ছড়ার বিপরীতে মিয়ানমারের ছালিদং গ্রামে এ ঘটনা ঘটছে।

ওই এলাকার একাধিক সীমান্তবাসী জানান,তারা নানা ভাবে জেনেছেন ঘটনায় অন্তত: ২০ জন লোক হতাহত হয়েছে। তাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। তবে কোন দায়িত্বশীল সূত্র হতাহতের নাম ঠিকানা জানাতে পারেননি এ প্রতিবেদককে।

আরও পড়ুন

পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, কড়া নজরে ১২৫ প্রতিষ্ঠান

তবে সীমান্তের এ পয়েন্টের অধিবাসী নাইক্ষ্যছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ফরিদুল আলম জানান,যেভাবে ফায়ারিং এর ঘটনা ঘটেছে,তাতে বড় কিছু ঘটেছে। সীমান্তের বাংলাদেশী লোকজন আতংকিত হয়ে পড়লেও বিজিবির টহল জোরদার করায় লোকজনের আতংক কেটে যায়।
তিনি আরো জানান,গোলাগুলির ঘটনা হয়তো বা মিয়ানমারের সরকারী বাহিনীর সাথে তাদের দেশের স্বাধীনতাকামী বিদ্রোহীদের এ সংঘর্ষ হয়েছে। যা মাঝে মধ্যে হলেও শুক্রবারের যুদ্ধটি ছিল অনেক দীর্ঘ সময় ধরে। আর ভারী অস্ত্রের।

এ সীমান্তে দায়িত্বরত ১১ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র অধিনায়ক লে: কর্ণেল নাহিদ হোসেন জানান গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে মিয়ানমারের অংশে। যা নিজেদের মধ্যকার বিষয় বলে জানতে পেরেছেন তিনি। তবু তিনি সীমান্তের তার অধীনস্ত অংশ জুড়ে বিজিবি জোয়ানদের সর্বোচ্চ সতর্ক রেখেছেন। আর সার্বিক পরিস্থিতি পযর্বেক্ষেণ করছেন।

অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেন কী কারনে কারা এ সংঘর্ষ করেছে তারা নিশ্চিত বলতে পারেননি। আর হতাহতের বিষয়টিও তার জ্ঞাত নয় বলে জানান এ প্রতিবেদককে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মিয়ানমারের দু’বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি, সতর্ক বিজিবি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মিয়ানমারের দু’বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি, সতর্ক বিজিবি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১০:৩৮ অপরাহ্ন
Print Image
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সীমান্তের ওপারে ছালিদং পাহাড়ি এলাকাজুড়ে মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী ও সে দেশের স্বশস্ত্র বিদ্রোহীদের মধ্যে ঘন্টা ব্যাপী গোলাগুলি ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় ২০ জনের হতাহতের খবর পাওয়া গেলেও তাদের নাম ঠিকানা পাওয়া যায় নি। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারী) সকাল ৭ টা থেকে প্রায় দেড় ঘন্টা। বিজিবি জানান,এ ঘটনার পর থেকে সীমান্তে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন । এ দিকে সীমান্তের লোকজন জানান,শুক্রবার সকালে অনেকে তখনও বিছানা ছিলেন।আবার অনেকেই ঘুমে। কিন্তু হঠাৎ সীমান্ত থেকে গোলাগুলির শব্দ শুনে তাদের এ ঘুম ভাঙ্গে। বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেষা চেরারকূলের দিদারুল আলম,আমতলীর ফরিদুল আলম,৬ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার ফরিদুল আলম ও চাকঢালা মহিউচ্ছুন্নাহ দাখিল মাদরাসার শিক্ষক মৌলানা জাফর আলম বলেন,সকাল ৭ টা থেকে প্রচন্ড গোলাগুলির আওয়াজ শুনেন তারা । যাতে তাদের কান ভারী হয়ে যায় এমন অবস্থা। এরপরপর তারা বাড়ি থেকে বের হয়ে জানতে পারেন সীমান্তেই এ গোলাগুলি হচ্ছে। বিশেষ করে ৪৪ নম্বর সীমান্ত খুটির ১ কিলোমিটার পূর্বে বাংলাদেশের অংশের বড়ছনখোলা-ভেতরের ছড়ার বিপরীতে মিয়ানমারের ছালিদং গ্রামে এ ঘটনা ঘটছে। ওই এলাকার একাধিক সীমান্তবাসী জানান,তারা নানা ভাবে জেনেছেন ঘটনায় অন্তত: ২০ জন লোক হতাহত হয়েছে। তাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। তবে কোন দায়িত্বশীল সূত্র হতাহতের নাম ঠিকানা জানাতে পারেননি এ প্রতিবেদককে। তবে সীমান্তের এ পয়েন্টের অধিবাসী নাইক্ষ্যছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ফরিদুল আলম জানান,যেভাবে ফায়ারিং এর ঘটনা ঘটেছে,তাতে বড় কিছু ঘটেছে। সীমান্তের বাংলাদেশী লোকজন আতংকিত হয়ে পড়লেও বিজিবির টহল জোরদার করায় লোকজনের আতংক কেটে যায়। তিনি আরো জানান,গোলাগুলির ঘটনা হয়তো বা মিয়ানমারের সরকারী বাহিনীর সাথে তাদের দেশের স্বাধীনতাকামী বিদ্রোহীদের এ সংঘর্ষ হয়েছে। যা মাঝে মধ্যে হলেও শুক্রবারের যুদ্ধটি ছিল অনেক দীর্ঘ সময় ধরে। আর ভারী অস্ত্রের। এ সীমান্তে দায়িত্বরত ১১ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র অধিনায়ক লে: কর্ণেল নাহিদ হোসেন জানান গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে মিয়ানমারের অংশে। যা নিজেদের মধ্যকার বিষয় বলে জানতে পেরেছেন তিনি। তবু তিনি সীমান্তের তার অধীনস্ত অংশ জুড়ে বিজিবি জোয়ানদের সর্বোচ্চ সতর্ক রেখেছেন। আর সার্বিক পরিস্থিতি পযর্বেক্ষেণ করছেন। অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেন কী কারনে কারা এ সংঘর্ষ করেছে তারা নিশ্চিত বলতে পারেননি। আর হতাহতের বিষয়টিও তার জ্ঞাত নয় বলে জানান এ প্রতিবেদককে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×