হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ন্যাটোর বৈঠক নিয়ে হতাশ জেলেনস্কি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন


কিয়েভ, ১২ জুলাই – ইউক্রেন ন্যাটোয় যোগ দেবে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু কবে দেবে, তা এখনই স্থির করা যাচ্ছে না। ন্যাটোয় যোগদানের সমস্ত শর্ত পূরণ হলে তবেই ইউক্রেন এই সামরিক গোষ্ঠীতে যোগ দিতে পারবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে ন্যাটোয়। তবে সে সময় কতদিনে আসবে, তার নির্দিষ্ট কোনো উল্লেখ নেই।

ন্যাটোর এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। লিথুয়ানিয়ায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেছেন, ন্যাটো যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা তিনি মেনে নিতে পারছেন না। তিনি আশা করেছিলেন, ন্যাটো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেবে।

আরও পড়ুন

ট্রাম্পকে নিয়ে এখনো আশাবাদী রাশিয়া: মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল শান্তি প্রচেষ্টায় প্রভাব ফেলবে না

লিথুয়ানিয়ায় দুইদিনের ন্যাটোর বৈঠক শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার ছিল প্রথম দিন। তার আগেই যুক্তরাজ্য সফরে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানিয়ে দিয়েছিলেন, ইউক্রেনকে এখনই ন্যাটোয় নেওয়া হবে না। তার বক্তব্য ছিল, ইউক্রেনকে এখনই ন্যাটোয় নেওয়া মানে রাশিয়ার সঙ্গে সার্বিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া। অর্থাৎ, শুধু ইউক্রেন নয় ন্যাটো রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তো।

বিশেষজ্ঞদের অনেকেরই অভিমত, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইউক্রেনের ন্যাটোয় যোগদান নিয়ে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। তার আগে নয়। কারণ, প্রতিটি দেশই জানিয়েছে, ইউক্রেনের যোগদান নিয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই।

এদিকে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হতাশা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘ন্যাটোর এই সিদ্ধান্ত একটি বড় মিথ্যা। ইউক্রেন তার সমস্ত শক্তি দিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করছে।

গোটা ইউরোপকে রক্ষা করছে। অথচ ন্যাটো ইউক্রেন নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না।’
লিথুয়ানিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানকে পাশে নিয়ে জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেনের প্রত্যেক সেনা, প্রতিটি মানুষ আশা করেছিল ন্যাটো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু ন্যাটো গোটা ইউক্রেনকে হতাশ করেছে।

লিথুয়ানিয়াসহ পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো অবশ্য ইউক্রেনকে সমর্থন করেছে। লিথুয়ানিয়া প্রথম অস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনকে সাহায্য করেছিল। তখনো রাশিয়া ইউক্রেনকে আক্রমণ করেনি। পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো মনে করছে ইউক্রেনকে দ্রুত ন্যাটোয় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইউক্রেনকে যেভাবে সাহায্য করা হচ্ছে, তা চালিয়ে যাওয়া হবে। কিন্তু ইউক্রেনের বক্তব্য, যুক্তরাষ্ট্রের এই আশ্বাসে তারা সম্পূর্ণ স্বস্তি পাচ্ছে না। কারণ ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। নতুন প্রেসিডেন্ট এসে এই সমস্ত আশ্বাসবাণী বদলে দিতে পারেন। তাই একটি স্পষ্ট সিদ্ধান্ত চাইছে ইউক্রেন।

সূত্র: কালের কন্ঠ
আইএ/ ১২ জুলাই ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ন্যাটোর বৈঠক নিয়ে হতাশ জেলেনস্কি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ন্যাটোর বৈঠক নিয়ে হতাশ জেলেনস্কি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] কিয়েভ, ১২ জুলাই – ইউক্রেন ন্যাটোয় যোগ দেবে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু কবে দেবে, তা এখনই স্থির করা যাচ্ছে না। ন্যাটোয় যোগদানের সমস্ত শর্ত পূরণ হলে তবেই ইউক্রেন এই সামরিক গোষ্ঠীতে যোগ দিতে পারবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে ন্যাটোয়। তবে সে সময় কতদিনে আসবে, তার নির্দিষ্ট কোনো উল্লেখ নেই। ন্যাটোর এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। লিথুয়ানিয়ায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেছেন, ন্যাটো যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা তিনি মেনে নিতে পারছেন না। তিনি আশা করেছিলেন, ন্যাটো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেবে। লিথুয়ানিয়ায় দুইদিনের ন্যাটোর বৈঠক শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার ছিল প্রথম দিন। তার আগেই যুক্তরাজ্য সফরে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানিয়ে দিয়েছিলেন, ইউক্রেনকে এখনই ন্যাটোয় নেওয়া হবে না। তার বক্তব্য ছিল, ইউক্রেনকে এখনই ন্যাটোয় নেওয়া মানে রাশিয়ার সঙ্গে সার্বিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া। অর্থাৎ, শুধু ইউক্রেন নয় ন্যাটো রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তো। বিশেষজ্ঞদের অনেকেরই অভিমত, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইউক্রেনের ন্যাটোয় যোগদান নিয়ে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। তার আগে নয়। কারণ, প্রতিটি দেশই জানিয়েছে, ইউক্রেনের যোগদান নিয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই। এদিকে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হতাশা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘ন্যাটোর এই সিদ্ধান্ত একটি বড় মিথ্যা। ইউক্রেন তার সমস্ত শক্তি দিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করছে। গোটা ইউরোপকে রক্ষা করছে। অথচ ন্যাটো ইউক্রেন নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না।’লিথুয়ানিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানকে পাশে নিয়ে জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেনের প্রত্যেক সেনা, প্রতিটি মানুষ আশা করেছিল ন্যাটো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু ন্যাটো গোটা ইউক্রেনকে হতাশ করেছে। লিথুয়ানিয়াসহ পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো অবশ্য ইউক্রেনকে সমর্থন করেছে। লিথুয়ানিয়া প্রথম অস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনকে সাহায্য করেছিল। তখনো রাশিয়া ইউক্রেনকে আক্রমণ করেনি। পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো মনে করছে ইউক্রেনকে দ্রুত ন্যাটোয় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইউক্রেনকে যেভাবে সাহায্য করা হচ্ছে, তা চালিয়ে যাওয়া হবে। কিন্তু ইউক্রেনের বক্তব্য, যুক্তরাষ্ট্রের এই আশ্বাসে তারা সম্পূর্ণ স্বস্তি পাচ্ছে না। কারণ ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। নতুন প্রেসিডেন্ট এসে এই সমস্ত আশ্বাসবাণী বদলে দিতে পারেন। তাই একটি স্পষ্ট সিদ্ধান্ত চাইছে ইউক্রেন। সূত্র: কালের কন্ঠআইএ/ ১২ জুলাই ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×