ইসলামে কোরবানি গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। বিশ্বনবী হিজরতের পর কখনও কোরবানি পরিত্যাগ করেননি। কোরবানির পশুর প্রত্যেকটি পশমের বদলায় একটি করে সওয়াব রয়েছে। হাদিসে, কোরবানি না দিলে তাকে ঈদগাহে আসতে বারণ করা হয়েছে। তাই, প্রত্যেক সামর্থ্যবান প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্ক, মুকিম ব্যক্তির ওপর কোরবানি ওয়াজিব করা হয়েছে। তবে, কোরবানির পশুর কিছু অংশ খেতে নিষেধ করা হয়েছে।
কুরবানির পশুসহ যেকোনো হালাল প্রাণীর রক্ত খাওয়া ইসলামে নিষিদ্ধ। এ ছাড়া বিশ্বনবী ৭টি জিনিস খাওয়া অপছন্দ করতেন।
ব্যাংক পরিচালনায় পরিবারের সদস্য কমানো ও মেয়াদ ছাঁটাইয়ের প্রস্তাবে অনড় বাংলাদেশ ব্যাংক
হজরত মুজাহিদ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বর্ণিত মহানবী পশুর সাতটি জিনিস খাওয়াকে অপছন্দ করেছেন। সেগুলো হলো- প্রবাহিত রক্ত, পিত্ত, মূত্রথলি, চামড়া ও গোশতের মাঝে সৃষ্ট জমাট মাংসগ্রন্থি, নর-মাদা পশুর গুপ্তাঙ্গ এবং অণ্ডকোষ।
হাদিসের অনুসরণে প্রিয় নবী (সা.) এর অপছন্দনীয় পশুর নির্ধারিত অংশগুলো না খাওয়াই উত্তম।
এম ইউ





মন্তব্য করুন