হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পাকিস্তানে ভয়াবহ সংঘর্ষ, পুলিশসহ নিহত ১৪

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩, ০২:০৭ অপরাহ্ন


ইসলামাবাদ, ১৬ মে – পাকিস্তানের খাইবার পাখতুন প্রদেশের কোহাট জেলায় দুই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১২ জন।

 

আরও পড়ুন

টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সোমবার কোহাট জেলার দারা আদম খেল এলাকায় দুই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটে। খবর ডনের।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১১ জন সানিখেল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এবং তিনজন আখোরওয়াল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর। এ ছাড়া আহত ১২ জনের সবাই সানি খেল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ।

সোমবার বিকাল ৫টার দিকে দারা আদম খেল পাহাড়ি এলাকায় কয়লা খনির দখলকে ঘিরে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী নিযুক্ত করা হয়।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পাহাড়ি এলাকার প্রায় চার মাইলজুড়ে কয়লা খনি রয়েছে। এলাকাটি আখোরওয়াল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর দখলে রয়েছে।

এ সংঘর্ষের ব্যাপারে এখনো কোনো মামলা হয়নি। দারা আদম খেল প্রশাসনের কর্মকর্তা আজম খান বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা সাধারণত প্রচলিত আইন মানে না। তারা নিজেদের মধ্যে সমাধান করতে পছন্দ করে। এ কারণে কোনো মামলা নথিভুক্ত করা হয়নি।

২০১৯ সাল থেকে এ এলাকার কয়লা খনির দখল নিয়ে সানি খেল ও আখোরওয়াল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষেরা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সেই বিরোধের ধারাবাহিকতা এখনো চলছে।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতেও এ এলাকায় সংঘর্ষ হয়েছিল। তখন বিরোধ নিষ্পত্তি করতে সেখানে একটি ‘বাফার জোন’ তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু গত ১২ মে আখোরওয়াল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা বাফার জোন লঙ্ঘন করলে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়।

ডনের প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, উভয় পক্ষের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু প্রশাসনের দুর্বলতার জন্য রক্তক্ষয়ী বিরোধের সমাধান হচ্ছে না বলে তারা অভিযোগ করেছেন।

সোমবার সংঘর্ষের পর সেনাবাহিনী উভয় পক্ষের জ্যেষ্ঠ নেতাদের ডেকেছে। তারা কোহাট পুলিশ ও আদম খেলের সহকারী কমিশনারের মধ্যস্থতায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন বলে মুসলিম আফ্রিদি নামের একজন তহসিলদার ডনকে জানিয়েছেন।

সূত্র: যুগান্তর
আইএ/ ১৬ মে ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

পাকিস্তানে ভয়াবহ সংঘর্ষ, পুলিশসহ নিহত ১৪

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পাকিস্তানে ভয়াবহ সংঘর্ষ, পুলিশসহ নিহত ১৪

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩, ০২:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ইসলামাবাদ, ১৬ মে – পাকিস্তানের খাইবার পাখতুন প্রদেশের কোহাট জেলায় দুই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১২ জন।   সোমবার কোহাট জেলার দারা আদম খেল এলাকায় দুই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটে। খবর ডনের। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১১ জন সানিখেল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এবং তিনজন আখোরওয়াল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর। এ ছাড়া আহত ১২ জনের সবাই সানি খেল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ। সোমবার বিকাল ৫টার দিকে দারা আদম খেল পাহাড়ি এলাকায় কয়লা খনির দখলকে ঘিরে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী নিযুক্ত করা হয়। ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পাহাড়ি এলাকার প্রায় চার মাইলজুড়ে কয়লা খনি রয়েছে। এলাকাটি আখোরওয়াল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর দখলে রয়েছে। এ সংঘর্ষের ব্যাপারে এখনো কোনো মামলা হয়নি। দারা আদম খেল প্রশাসনের কর্মকর্তা আজম খান বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা সাধারণত প্রচলিত আইন মানে না। তারা নিজেদের মধ্যে সমাধান করতে পছন্দ করে। এ কারণে কোনো মামলা নথিভুক্ত করা হয়নি। ২০১৯ সাল থেকে এ এলাকার কয়লা খনির দখল নিয়ে সানি খেল ও আখোরওয়াল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষেরা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সেই বিরোধের ধারাবাহিকতা এখনো চলছে। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতেও এ এলাকায় সংঘর্ষ হয়েছিল। তখন বিরোধ নিষ্পত্তি করতে সেখানে একটি ‘বাফার জোন’ তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু গত ১২ মে আখোরওয়াল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা বাফার জোন লঙ্ঘন করলে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। ডনের প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, উভয় পক্ষের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু প্রশাসনের দুর্বলতার জন্য রক্তক্ষয়ী বিরোধের সমাধান হচ্ছে না বলে তারা অভিযোগ করেছেন। সোমবার সংঘর্ষের পর সেনাবাহিনী উভয় পক্ষের জ্যেষ্ঠ নেতাদের ডেকেছে। তারা কোহাট পুলিশ ও আদম খেলের সহকারী কমিশনারের মধ্যস্থতায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন বলে মুসলিম আফ্রিদি নামের একজন তহসিলদার ডনকে জানিয়েছেন। সূত্র: যুগান্তরআইএ/ ১৬ মে ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×