হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পাহাড় কাটার দায়ে আ’লীগ নেতাসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৩০ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীতে দেড় কোটি ঘনফুট পাহাড় কাটার ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের সদস্য মাহমুদুল করিম মাদুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) রাতে পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

এ মামলায় আলোচিত শীর্ষ পাহাড়খেকো ও ১৩ মামলার আসামি ওবায়দুল করিমকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন জেলা পরিষদের সদস্য মাহমুদুল করিমের বড় ভাই মামুন, ছনখোলার জাহাঙ্গীর আলম, তোতকখালীর জোসেফ, তোতকখালীর সাবেক ইউপি মেম্বার তাজমহল ও কায়েস সিকদার, দক্ষিণ খুনিয়া পালংয়ের নুরুল কবির বাবুল, ঘোনারপাড়ার লুৎফর রহমান ও সোনা আলী, পরানিয়া পাড়ার কাজল ও মনিরুল ইসলাম, খুরুশকুল লামাজিপাড়ার নাছির উদ্দিন, উত্তর পরানিয়াপাড়ার মো. সোহেল, তোতকখালীর সিরাজ ও শাহজাহান, নয়াপাড়ার হারুন, ডিকপাড়ার মোস্তাক আহমদ ও নুরুল আমিন। আসামিরা সবাই ডাম্প ট্রাকের মালিক ও বালু ব্যবসায়ী।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুল করিম মাদু বলেন, সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ পরিবেশ আইনের মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি তিনি আইনগতভাবে মোকাবিলা করবেন বলে তিনি জানান।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের তাজমহলের ঘোনা, ঘোনারপাড়া, ছনখোলা ও পশ্চিম পাড়া এলাকায় ওবায়দুল করিমের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ চক্র এক বছর ধরে আনুমানিক ১০ একর আয়তনের সরকারি একাধিক পাহাড় কেটে ডাম্প ট্রাক ভর্তি করে দেড় কোটি ঘনফুট বালু ও মাটি বিক্রির অভিযোগ আনা হয়।

আরও পড়ুন

এবার মিরপুরে প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ, রাজধানীতে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ

মামলা দায়ের করার বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার বাদী ও পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, মামলাটি পরিবেশ অধিদপ্তর তদন্ত করবে। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

পাহাড় কাটার দায়ে আ’লীগ নেতাসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পাহাড় কাটার দায়ে আ’লীগ নেতাসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
Print Image
নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীতে দেড় কোটি ঘনফুট পাহাড় কাটার ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের সদস্য মাহমুদুল করিম মাদুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) রাতে পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এ মামলায় আলোচিত শীর্ষ পাহাড়খেকো ও ১৩ মামলার আসামি ওবায়দুল করিমকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন জেলা পরিষদের সদস্য মাহমুদুল করিমের বড় ভাই মামুন, ছনখোলার জাহাঙ্গীর আলম, তোতকখালীর জোসেফ, তোতকখালীর সাবেক ইউপি মেম্বার তাজমহল ও কায়েস সিকদার, দক্ষিণ খুনিয়া পালংয়ের নুরুল কবির বাবুল, ঘোনারপাড়ার লুৎফর রহমান ও সোনা আলী, পরানিয়া পাড়ার কাজল ও মনিরুল ইসলাম, খুরুশকুল লামাজিপাড়ার নাছির উদ্দিন, উত্তর পরানিয়াপাড়ার মো. সোহেল, তোতকখালীর সিরাজ ও শাহজাহান, নয়াপাড়ার হারুন, ডিকপাড়ার মোস্তাক আহমদ ও নুরুল আমিন। আসামিরা সবাই ডাম্প ট্রাকের মালিক ও বালু ব্যবসায়ী। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুল করিম মাদু বলেন, সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ পরিবেশ আইনের মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি তিনি আইনগতভাবে মোকাবিলা করবেন বলে তিনি জানান। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের তাজমহলের ঘোনা, ঘোনারপাড়া, ছনখোলা ও পশ্চিম পাড়া এলাকায় ওবায়দুল করিমের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ চক্র এক বছর ধরে আনুমানিক ১০ একর আয়তনের সরকারি একাধিক পাহাড় কেটে ডাম্প ট্রাক ভর্তি করে দেড় কোটি ঘনফুট বালু ও মাটি বিক্রির অভিযোগ আনা হয়। মামলা দায়ের করার বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার বাদী ও পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, মামলাটি পরিবেশ অধিদপ্তর তদন্ত করবে। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×