হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পেকুয়ায় তরুণ সমাজসেবক আলমগীরের উদ্যোগে ১১টি সড়ক সংস্কার

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া::

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া::

রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫, ০৭:১৪ অপরাহ্ন

অবহেলিত গ্রামীণ সড়কগুলোতে নিজের অর্থায়নে উন্নয়ন কাজ করে আলোচনায় এসেছেন তরুণ সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী মো. আলমগীর। তাঁর একক উদ্যোগে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নে প্রায় ১১টি গ্রামীণ সড়ক সংস্কার করা হয়েছে। এতে ১৪টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ যাতায় হয়ে সরাসরি উপকৃত হয়েছেন।

বারবাকিয়া ইউনিয়নের পাহাড়িয়াখালী গ্রামের সন্তান মো.আলমগীর বর্তমানে চট্টগ্রাম শহরে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তবে ব্যস্ততার মাঝেও তিনি ভুলে যাননি নিজের জন্মভূমির মানুষের দুর্ভোগ। এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলিত সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা দেখে তিনি নিজ উদ্যোগে এগিয়ে আসেন।

জানা যায়, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কুতুবপাড়া থেকে পুর্ব জালিয়াকাটা সড়ক, কুতুবপাড়া থেকে পশ্চিম জালিয়াকাটা বেড়িবাঁধ, দক্ষিণ বারাইয়াকাটা থেকে চরপাড়া হয়ে বারবাকিয়া বাজার সংযোগ সড়ক, পশ্চিম পাহাড়িয়াখালী সড়ক, মধ্যম জালিয়াকাটা সাইক্লোন শেল্টার সড়ক,ইউনিয়ন পরিষদ সড়ক, বুধামাঝিঘোনা থেকে নতুন পাড়া সড়ক এবং জালিয়াকাটা ব্রিজ হতে রাহাত আলী পাড়া পর্যন্ত সড়কসহ প্রায় ১১টি সড়কে ইট, বালি ও মাটি দিয়ে সংস্কার কাজ বাস্তবায়ন করেছেন তিনি।

এছাড়া তাঁর প্রচেষ্টায় ছনখোলার জুম ও আবাদিঘোনা ছরার উপর কাঠের সেতু নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে। যেগুলোর ফলে দুর্গম এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে। কয়েকটি কালভার্ট নির্মাণের জন্য তিনি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদনও করেছেন।

আরও পড়ুন

টেকনাফে সিএনজির বিশেষ চেম্বার থেকে ১৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, চালক আটক

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,
দীর্ঘদিন ধরে এসব সড়ক সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে ছিল। বৃষ্টি হলে হাঁটাও দায় হয়ে যেত। এখন গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে, শিক্ষার্থীদের কষ্টও কমেছে। আলমগীর ভাইয়ের জন্য আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ।

এ বিষয়ে মো. আলমগীর বলেন,

মানুষের ভোগান্তি দেখে আমি চুপ থাকতে পারিনি। সরকার বা জনপ্রতিনিধিদের অপেক্ষায় না থেকে নিজ উদ্যোগেই সড়ক সংস্কারে নেমে পড়েছি। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী যা পারি করেছি, যাতে মানুষ কিছুটা স্বস্তি পায়।

তিনি আরও বলেন, বারবাকিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম জালিয়াকাটা পুরাতন মসজিদ থেকে পেকুয়া বাজার সংযোগ সড়কসহ কয়েকটি রাস্তা এখনো সংস্কার বঞ্চিত। আমি প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাই, এসব গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক।

জানা গেছে, মো. আলমগীর পাহাড়িয়াখালী এলাকার জাফর আহমদের পুত্র। তাঁর বাবা ছিলেন অবিভক্ত বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। পারিবারিকভাবে সমাজসেবায় অনুপ্রাণিত হয়ে আলমগীর এখন নিজ এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের পাশে দাঁড়াতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর এই উদ্যোগকে মানবিক ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। তাঁদের বিশ্বাস, এমন উদ্যোগ যদি প্রতিটি এলাকায় নেওয়া হয়, তবে গ্রামের চেহারা বদলে যাবে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

পেকুয়ায় তরুণ সমাজসেবক আলমগীরের উদ্যোগে ১১টি সড়ক সংস্কার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পেকুয়ায় তরুণ সমাজসেবক আলমগীরের উদ্যোগে ১১টি সড়ক সংস্কার

প্রতিবেদক: নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া:: | প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫, ০৭:১৪ অপরাহ্ন
Print Image
অবহেলিত গ্রামীণ সড়কগুলোতে নিজের অর্থায়নে উন্নয়ন কাজ করে আলোচনায় এসেছেন তরুণ সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী মো. আলমগীর। তাঁর একক উদ্যোগে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নে প্রায় ১১টি গ্রামীণ সড়ক সংস্কার করা হয়েছে। এতে ১৪টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ যাতায় হয়ে সরাসরি উপকৃত হয়েছেন। বারবাকিয়া ইউনিয়নের পাহাড়িয়াখালী গ্রামের সন্তান মো.আলমগীর বর্তমানে চট্টগ্রাম শহরে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তবে ব্যস্ততার মাঝেও তিনি ভুলে যাননি নিজের জন্মভূমির মানুষের দুর্ভোগ। এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলিত সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা দেখে তিনি নিজ উদ্যোগে এগিয়ে আসেন। জানা যায়, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কুতুবপাড়া থেকে পুর্ব জালিয়াকাটা সড়ক, কুতুবপাড়া থেকে পশ্চিম জালিয়াকাটা বেড়িবাঁধ, দক্ষিণ বারাইয়াকাটা থেকে চরপাড়া হয়ে বারবাকিয়া বাজার সংযোগ সড়ক, পশ্চিম পাহাড়িয়াখালী সড়ক, মধ্যম জালিয়াকাটা সাইক্লোন শেল্টার সড়ক,ইউনিয়ন পরিষদ সড়ক, বুধামাঝিঘোনা থেকে নতুন পাড়া সড়ক এবং জালিয়াকাটা ব্রিজ হতে রাহাত আলী পাড়া পর্যন্ত সড়কসহ প্রায় ১১টি সড়কে ইট, বালি ও মাটি দিয়ে সংস্কার কাজ বাস্তবায়ন করেছেন তিনি। এছাড়া তাঁর প্রচেষ্টায় ছনখোলার জুম ও আবাদিঘোনা ছরার উপর কাঠের সেতু নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে। যেগুলোর ফলে দুর্গম এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে। কয়েকটি কালভার্ট নির্মাণের জন্য তিনি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদনও করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এসব সড়ক সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে ছিল। বৃষ্টি হলে হাঁটাও দায় হয়ে যেত। এখন গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে, শিক্ষার্থীদের কষ্টও কমেছে। আলমগীর ভাইয়ের জন্য আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ। এ বিষয়ে মো. আলমগীর বলেন, মানুষের ভোগান্তি দেখে আমি চুপ থাকতে পারিনি। সরকার বা জনপ্রতিনিধিদের অপেক্ষায় না থেকে নিজ উদ্যোগেই সড়ক সংস্কারে নেমে পড়েছি। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী যা পারি করেছি, যাতে মানুষ কিছুটা স্বস্তি পায়। তিনি আরও বলেন, বারবাকিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম জালিয়াকাটা পুরাতন মসজিদ থেকে পেকুয়া বাজার সংযোগ সড়কসহ কয়েকটি রাস্তা এখনো সংস্কার বঞ্চিত। আমি প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাই, এসব গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক। জানা গেছে, মো. আলমগীর পাহাড়িয়াখালী এলাকার জাফর আহমদের পুত্র। তাঁর বাবা ছিলেন অবিভক্ত বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। পারিবারিকভাবে সমাজসেবায় অনুপ্রাণিত হয়ে আলমগীর এখন নিজ এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের পাশে দাঁড়াতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর এই উদ্যোগকে মানবিক ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। তাঁদের বিশ্বাস, এমন উদ্যোগ যদি প্রতিটি এলাকায় নেওয়া হয়, তবে গ্রামের চেহারা বদলে যাবে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×