হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পেকুয়ায় প্রবল বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ২০ গ্রাম প্লাবিত, ভেঙে গেছে ১১টি সড়ক

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০২৪, ০৯:২২ অপরাহ্ন

পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি ::

কক্সবাজারের পেকুয়ায় তিন দিনের প্রবল বৃষ্টি ও উজানে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার শিলখালী ও টইটং ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়ছে এসব ইউনিয়নের প্রায় ১০ হাজার মানুষ। পানির তোড়ে ভেঙে অন্তত ১১টি গ্রামীণ সড়ক। ধসে পড়েছে অন্তত ১২টি কাঁচা বসতঘর। পানিতে ভেসে দুই শতাধিক পুকুরের মাছ। তলিয়ে গেছে ধানের বীজতলা ও সবজি ক্ষেত।

সরেজমিনে দেখা যায়, শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবনিয়া সড়কের অন্তত ১০টি স্থানে ভেঙে গেছে। জারুলবনিয়া স্টেশন এলাকায় পাহাড়ি ঢলের তোড়ে ৩০ফুট সড়ক ভেঙে মানুষের বসতঘরে পানি ঢুকেছে। ধসে পড়েছে মাটির দেয়ালের অন্তত ১২টি বসতঘর।

একটি ধসে পড়া বসতঘরের মালিক নজির আহমদ (৫৬)। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর ছয়টার দিকে পাহাড়ি ঢলের পানি ঢুকে সব ভেসে নিয়ে গেছে। ঘরের দেয়াল ধসে পড়েছে। পরিবারের সদস্যরা কোনো রকম প্রাণ নিয়ে ফিরেছি।

আরও পড়ুন

ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজ না থাকায় ৬২৭ কোটি রুপি পর্যন্ত লোকসানের শঙ্কায় ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড

এদিকে শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবনিয়া, সেগুনবাগিচা, টুইন্যামোড়া, ভেটভেটি পাড়া, মাঝেরঘোনা, চেপ্টামোড়া, হেদায়াতাবাদ, মাতবরপাড়া, কাছারীমোড়া, টইটং ইউনিয়নের আলিগ্যাকাটা, সোনাইয়াকাটা, পন্ডিতপাড়া, রমিজপাড়া, ধনিয়াকাটা, সোনাইছড়ি, নতুনপাড়া, আব্দুল্লাহপাড়া, মাঝেরপাড়া, হাজীরবাড়ি, বাজারপাড়াসহ আরো বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার মানুষ এখন এক প্রকার গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে।

শিলখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আহমদ শফি বলেন, পাহাড়ি ছড়া ছোট হয়ে যাওয়ায় ও ছড়া দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করায় ঢলের পানি উপচে এবং ভেঙে মানুষের বসতঘর প্লাবিত হচ্ছে। বৃষ্টি না কমলে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।

শিলখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বলেন, অতি বৃষ্টির ফলে শিলখালীর জারুলবনিয়া সড়কের ১০টি স্থানে ভেঙে গেছে। অন্তত ১২টি বসতঘর ধসে পড়েছে।

টইটং ইউপির সদস্য আবদুল জলিল বলেন, কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণে টইটংয়ে ডুবে গেছে অন্তত ১০-১২টি গ্রাম। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ধানের বীজতলা ও সবজি ফসল। বেশিরভাগ বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে। চরম বেকায়দায় ও দুর্ভোগে দিন পার করছে এখানকার মানুষ।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

পেকুয়ায় প্রবল বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ২০ গ্রাম প্লাবিত, ভেঙে গেছে ১১টি সড়ক

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পেকুয়ায় প্রবল বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ২০ গ্রাম প্লাবিত, ভেঙে গেছে ১১টি সড়ক

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০২৪, ০৯:২২ অপরাহ্ন
Print Image
পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :: কক্সবাজারের পেকুয়ায় তিন দিনের প্রবল বৃষ্টি ও উজানে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার শিলখালী ও টইটং ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়ছে এসব ইউনিয়নের প্রায় ১০ হাজার মানুষ। পানির তোড়ে ভেঙে অন্তত ১১টি গ্রামীণ সড়ক। ধসে পড়েছে অন্তত ১২টি কাঁচা বসতঘর। পানিতে ভেসে দুই শতাধিক পুকুরের মাছ। তলিয়ে গেছে ধানের বীজতলা ও সবজি ক্ষেত। সরেজমিনে দেখা যায়, শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবনিয়া সড়কের অন্তত ১০টি স্থানে ভেঙে গেছে। জারুলবনিয়া স্টেশন এলাকায় পাহাড়ি ঢলের তোড়ে ৩০ফুট সড়ক ভেঙে মানুষের বসতঘরে পানি ঢুকেছে। ধসে পড়েছে মাটির দেয়ালের অন্তত ১২টি বসতঘর। একটি ধসে পড়া বসতঘরের মালিক নজির আহমদ (৫৬)। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর ছয়টার দিকে পাহাড়ি ঢলের পানি ঢুকে সব ভেসে নিয়ে গেছে। ঘরের দেয়াল ধসে পড়েছে। পরিবারের সদস্যরা কোনো রকম প্রাণ নিয়ে ফিরেছি। এদিকে শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবনিয়া, সেগুনবাগিচা, টুইন্যামোড়া, ভেটভেটি পাড়া, মাঝেরঘোনা, চেপ্টামোড়া, হেদায়াতাবাদ, মাতবরপাড়া, কাছারীমোড়া, টইটং ইউনিয়নের আলিগ্যাকাটা, সোনাইয়াকাটা, পন্ডিতপাড়া, রমিজপাড়া, ধনিয়াকাটা, সোনাইছড়ি, নতুনপাড়া, আব্দুল্লাহপাড়া, মাঝেরপাড়া, হাজীরবাড়ি, বাজারপাড়াসহ আরো বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার মানুষ এখন এক প্রকার গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে। শিলখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আহমদ শফি বলেন, পাহাড়ি ছড়া ছোট হয়ে যাওয়ায় ও ছড়া দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করায় ঢলের পানি উপচে এবং ভেঙে মানুষের বসতঘর প্লাবিত হচ্ছে। বৃষ্টি না কমলে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। শিলখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বলেন, অতি বৃষ্টির ফলে শিলখালীর জারুলবনিয়া সড়কের ১০টি স্থানে ভেঙে গেছে। অন্তত ১২টি বসতঘর ধসে পড়েছে। টইটং ইউপির সদস্য আবদুল জলিল বলেন, কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণে টইটংয়ে ডুবে গেছে অন্তত ১০-১২টি গ্রাম। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ধানের বীজতলা ও সবজি ফসল। বেশিরভাগ বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে। চরম বেকায়দায় ও দুর্ভোগে দিন পার করছে এখানকার মানুষ।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×