ওয়াশিংটন, ০৭ এপ্রিল – পড়ালেখার ব্যয় মেটাতে সংবাদপত্র বিলি করাসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করতেন বলে জানিয়েছেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূত পিটার হাস। ‘চা উইথ পিটার’ নামের অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় সিজনের প্রথম পর্বে এ কথা জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে এআরএসএম শোভন নামের একজনের প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, ‘পিটারের সঙ্গে চা চক্রে আপনাকে দেখে ভালো লাগছে। শোভনের কাছ থেকে একটা প্রশ্ন এসেছে, যেটা আরও ব্যক্তিগত। সে আমাকে জিজ্ঞাসা করেছে, আমার শৈশবের অবিস্মরণীয় স্মৃতি কী।
সিলেট নগরীতে যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা
তিনি বলেন, ‘প্রশ্নটা আমাকে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। সেটি আমার জন্য খুব কঠিন হলেও আমি বলতে চাই, আসলে আমি হাই স্কুল ও কলেজে (বিশ্ববিদ্যালয়) লেখাপড়ার ব্যয় মেটানোর পাশাপাশি প্রতিদিনের খরচ জোগাতে দৃশ্যত অদ্ভুত কিছু কাজ করেছি। সেগুলোর মধ্যে খবরের কাগজ বিলি করা, লনের ঘাস কাটা, দারোয়ান, গামবল, ফ্যাক্টরিতে সবার সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে গামবল গোছানোসহ বিভিন্ন কাজ করেছি। আমি একটি গ্যাস স্টেশনে মাঝরাতের শিফটে কাজ করতাম।’
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘আমি গাড়ির মরিচা রোধে কাজ করেছি। একই সঙ্গে সম্ভাব্য শিক্ষার্থীদের আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্যুরেরও ব্যবস্থা করেছি। পড়ালেখার ক্রমবর্ধমান খরচ জোগাতে আমি এসব কাজ করেছি।’
এসব কাজ করতে গিয়ে অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে জানিয়ে পিটার হাস বলেন, ‘বিভিন্ন ধরনের মানুষের সঙ্গে ওঠাবসা, স্বাধীনতা, দায়িত্বজ্ঞানসহ অনেক কিছু শিখেছি। আর সে কারণেই এগুলো আমার শৈশবের অবিস্মরণীয় স্মৃতি। প্রশ্নটা করার জন্য শোভনকে অনেক ধন্যবাদ।’
সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
আইএ/ ০৭ এপ্রিল ২০২৩





মন্তব্য করুন