হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ফ্যাক্ট-চেকারদের ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৪১ অপরাহ্ন


ওয়াশিংটন, ০৭ ডিসেম্বর – ফ্যাক্ট-চেকার, কনটেন্ট মডারেটর, কমপ্লায়েন্স বা অনলাইন নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতৃত্বাধীন প্রশাসন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের কর্মকর্তাদের ইতোমধ্যে এই বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছে।

বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, তথ্যের নিয়ন্ত্রণ ও ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যানে মার্কিন পররাষ্ট্রদপ্তরের নির্দেশের একটি স্মারক ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স হাতে পেয়েছে। নতুন এই ভিসা বিধি-নিষেধ প্রযুক্তি খাতের কর্মীদের, বিশেষ করে ভারতসহ কয়েকটি দেশের আবেদনকারীদের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মার্কিন পররাষ্ট্রদপ্তরের ওই স্মারকে কনস্যুলার কর্মকর্তাদেরকে ‘‘সুরক্ষিত মতপ্রকাশের সেন্সরশিপ বা সেন্সরশিপের প্রচেষ্টায় জড়িত কিংবা তাদের সহযোগীদের’’ ভিসা আবেদন বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর এই নির্দেশনা সাংবাদিক ও পর্যটক ভিসাসহ সব ধরনের ভিসার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।’’

তবে এইচ-১বি ভিসার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে নতুন এই বিধি-নিষেধ কার্যকরে জোর দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসা সাধারণত প্রযুক্তি ও সংশ্লিষ্ট খাতে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের দেওয়া হয়। মার্কিন এই ভিসার বেশিরভাগই পান ভারত-চীনসহ বিশ্বের হাতেগোনা কয়েকটি দেশের প্রযুক্তিকর্মীরা।

ভিসার আবেদনকারীদের পেশাগত ইতিহাস, লিংকডইন প্রোফাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। এর মাধ্যমে তথ্য যাচাই, কনটেন্ট মডারেশন, ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি অথবা কমপ্লায়েন্স-সংশ্লিষ্ট কাজে ভিসার আবেদনকারীরা জড়িত ছিলেন কি না তা খতিয়ে দেখা হবে। এসব কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিললে আবেদনকারী মার্কিন ভিসার অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন নতুন এই ভিসা নির্দেশনাকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষা হিসেবে দাবি ধরেছে। ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির ক্যাপিটল হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি বিবেচনায় নীতিটি তৈরি করা হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রদপ্তরের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘‘আমরা কথিত ফাঁস হওয়া নথি নিয়ে মন্তব্য করি না। তবে এটা স্পষ্ট, আমাদের প্রশাসন আমেরিকানদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং বিদেশিদের সেন্সর করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা এমন বিদেশিদের সমর্থন করি না, যারা যুক্তরাষ্ট্রে এসে সেন্সরের ভূমিকা পালন করতে চায়। বিদেশিদের দিয়ে এমন সেন্সরশিপ করানো আমেরিকান জনগণকে অপমান ও ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

পার্টনারহিরোর ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালিস গগুয়েন হান্সবার্গার মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এনপিআরকে বলেছেন, ‘‘ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি কাজকে সেন্সরশিপের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা আমাকে বিস্মিত করছে। ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি একটি বিস্তৃত ক্ষেত্র; যা শিশু সুরক্ষা, শিশু-সম্পর্কিত অপরাধমূলক কনটেন্ট প্রতিরোধ, প্রতারণা, জালিয়াতি ও শোষণ ঠেকানোসহ জীবনরক্ষাকারী গুরুত্বপূর্ণ কাজের অন্তর্ভুক্ত। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোতে বৈশ্বিক কর্মীদের উপস্থিতি আমেরিকানদের আরও নিরাপদ রাখে।’’

চলতি বছর মার্কিন প্রশাসন বিদেশি সাংবাদিকদের ভিসা সীমিত করেছে। দেশটির সরকারি ওয়েবসাইট থেকে জলবায়ু পরিবর্তন-সংশ্লিষ্ট তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে। এমনকি হোয়াইট হাউসের ব্রিফিংয়েও কিছু সাংবাদিককে নিষিদ্ধ এবং কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ফ্যাক্ট-চেকারদের ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ফ্যাক্ট-চেকারদের ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৪১ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ওয়াশিংটন, ০৭ ডিসেম্বর – ফ্যাক্ট-চেকার, কনটেন্ট মডারেটর, কমপ্লায়েন্স বা অনলাইন নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতৃত্বাধীন প্রশাসন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের কর্মকর্তাদের ইতোমধ্যে এই বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছে।বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, তথ্যের নিয়ন্ত্রণ ও ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যানে মার্কিন পররাষ্ট্রদপ্তরের নির্দেশের একটি স্মারক ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স হাতে পেয়েছে। নতুন এই ভিসা বিধি-নিষেধ প্রযুক্তি খাতের কর্মীদের, বিশেষ করে ভারতসহ কয়েকটি দেশের আবেদনকারীদের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।মার্কিন পররাষ্ট্রদপ্তরের ওই স্মারকে কনস্যুলার কর্মকর্তাদেরকে ‘‘সুরক্ষিত মতপ্রকাশের সেন্সরশিপ বা সেন্সরশিপের প্রচেষ্টায় জড়িত কিংবা তাদের সহযোগীদের’’ ভিসা আবেদন বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর এই নির্দেশনা সাংবাদিক ও পর্যটক ভিসাসহ সব ধরনের ভিসার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।’’তবে এইচ-১বি ভিসার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে নতুন এই বিধি-নিষেধ কার্যকরে জোর দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসা সাধারণত প্রযুক্তি ও সংশ্লিষ্ট খাতে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের দেওয়া হয়। মার্কিন এই ভিসার বেশিরভাগই পান ভারত-চীনসহ বিশ্বের হাতেগোনা কয়েকটি দেশের প্রযুক্তিকর্মীরা।ভিসার আবেদনকারীদের পেশাগত ইতিহাস, লিংকডইন প্রোফাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। এর মাধ্যমে তথ্য যাচাই, কনটেন্ট মডারেশন, ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি অথবা কমপ্লায়েন্স-সংশ্লিষ্ট কাজে ভিসার আবেদনকারীরা জড়িত ছিলেন কি না তা খতিয়ে দেখা হবে। এসব কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিললে আবেদনকারী মার্কিন ভিসার অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন।ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন নতুন এই ভিসা নির্দেশনাকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষা হিসেবে দাবি ধরেছে। ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির ক্যাপিটল হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি বিবেচনায় নীতিটি তৈরি করা হয়েছে।মার্কিন পররাষ্ট্রদপ্তরের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘‘আমরা কথিত ফাঁস হওয়া নথি নিয়ে মন্তব্য করি না। তবে এটা স্পষ্ট, আমাদের প্রশাসন আমেরিকানদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং বিদেশিদের সেন্সর করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা এমন বিদেশিদের সমর্থন করি না, যারা যুক্তরাষ্ট্রে এসে সেন্সরের ভূমিকা পালন করতে চায়। বিদেশিদের দিয়ে এমন সেন্সরশিপ করানো আমেরিকান জনগণকে অপমান ও ক্ষতিগ্রস্ত করবে।পার্টনারহিরোর ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালিস গগুয়েন হান্সবার্গার মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এনপিআরকে বলেছেন, ‘‘ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি কাজকে সেন্সরশিপের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা আমাকে বিস্মিত করছে। ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি একটি বিস্তৃত ক্ষেত্র; যা শিশু সুরক্ষা, শিশু-সম্পর্কিত অপরাধমূলক কনটেন্ট প্রতিরোধ, প্রতারণা, জালিয়াতি ও শোষণ ঠেকানোসহ জীবনরক্ষাকারী গুরুত্বপূর্ণ কাজের অন্তর্ভুক্ত। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোতে বৈশ্বিক কর্মীদের উপস্থিতি আমেরিকানদের আরও নিরাপদ রাখে।’’চলতি বছর মার্কিন প্রশাসন বিদেশি সাংবাদিকদের ভিসা সীমিত করেছে। দেশটির সরকারি ওয়েবসাইট থেকে জলবায়ু পরিবর্তন-সংশ্লিষ্ট তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে। এমনকি হোয়াইট হাউসের ব্রিফিংয়েও কিছু সাংবাদিককে নিষিদ্ধ এবং কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।সূত্র: ঢাকা পোস্টএনএন/ ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×