হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বাঁকখালী নদীর সব অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ১২ জুন ২০২২, ১০:৩৬ অপরাহ্ন

কক্সবাজার শহরের কস্তুরাঘাট এলাকায় প্যারাবন কেটে বাঁকখালী নদী দখল করে গড়ে তোলা সব স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার সিদ্বান্ত নিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। রোববার (১২ জুন) জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কমিটির সভায়
এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ সিদ্ধান্তের পরই বিকেলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় ওইসব স্থাপনায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাসহ পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত স্থাপনা নির্মাণ বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার সহকারী কমিশনার (ভুমি) বলেন, ইতোমধ্যে সেখানকার স্থাপনাগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত সেখানে কোনো ধরনের স্থাপনা তৈরি বন্ধে মাইকিং করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দুই মাস আগেও সেখানে ঘন প্যারাবন ছিল। কিন্তু কেউ কেউ মালিকানাধীন জমি বলে দাবি করছেন, তাই জমির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

শনিবার (১১ জুন) ‘বাঁকখালী নদী দখল নিয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে উত্তেজনা’ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হয়। এরপরই নড়ে চড়ে বসে প্রশাসন।

এর আগে শনিবার দিনগত রাত ১২টার দিকে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে কক্সবাজার থানা পুলিশের সহযোগিতায় সদর সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো. জিল্লুর রহমান অভিযান চালিয়ে তিন শ্রমিককে আটক করে। এ সময় দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

কক্সবাজার শহরের পার্শ্ববর্তী খুরুশকুলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য কস্তুরাঘাট পয়েন্টে বাঁকখালী নদীর উপর ৫ দশমিক ৯৫ মিটার দৈর্ঘ্য একটি সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। এ সেতুটি নির্মিত হলে খুরুশকুল ও বৃহত্তর ঈদগাঁও অঞ্চলের সঙ্গে শহরের বিকল্প সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে। কিন্তু সেতুটি নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রভাবশালীরা সেতুর আশপাশ দখলে মেতে উঠেছে। প্রভাবশালীরা ইতোমধ্যে প্যারাবনের গাছপালা কেটে, নদী থেকে বালু তুলে তীরের বিস্তীর্ণ জলাভূমি ভরাট করে প্লট তৈরি করে সেখানে একের পর এক স্থাপনা নির্মাণ করছে। এসব দখল-বেদখলের ঘটনায় পরিবেশ অধিদপ্তর দখলদারদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে। তারপরও থেমে নেই দখল তৎপরতা।

সর্বশেষ শনিবার জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনান সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করতে গেলে সাবেক ছাত্রনেতা ও জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন মারুফের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ বাধা সৃষ্টি করে। পরে বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভুমি), সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং স্থাপনা নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেন। কিন্তু গভীর রাতে আবারও সেখানে দখল প্রক্রিয়া শুরু করে প্রভাবশালীরা।

তবে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনান দাবি করেন, এটি তাদের খতিয়ানভুক্ত জমি। ২০২১ সালে কেনা ৭ শতক জমি তার নামে খতিয়ানও আছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

বাঁকখালী নদীর সব অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বাঁকখালী নদীর সব অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুন ২০২২, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজার শহরের কস্তুরাঘাট এলাকায় প্যারাবন কেটে বাঁকখালী নদী দখল করে গড়ে তোলা সব স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার সিদ্বান্ত নিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। রোববার (১২ জুন) জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের পরই বিকেলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় ওইসব স্থাপনায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাসহ পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত স্থাপনা নির্মাণ বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার সহকারী কমিশনার (ভুমি) বলেন, ইতোমধ্যে সেখানকার স্থাপনাগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত সেখানে কোনো ধরনের স্থাপনা তৈরি বন্ধে মাইকিং করা হয়েছে। তিনি বলেন, দুই মাস আগেও সেখানে ঘন প্যারাবন ছিল। কিন্তু কেউ কেউ মালিকানাধীন জমি বলে দাবি করছেন, তাই জমির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শনিবার (১১ জুন) ‘বাঁকখালী নদী দখল নিয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে উত্তেজনা’ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হয়। এরপরই নড়ে চড়ে বসে প্রশাসন। এর আগে শনিবার দিনগত রাত ১২টার দিকে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে কক্সবাজার থানা পুলিশের সহযোগিতায় সদর সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো. জিল্লুর রহমান অভিযান চালিয়ে তিন শ্রমিককে আটক করে। এ সময় দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। কক্সবাজার শহরের পার্শ্ববর্তী খুরুশকুলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য কস্তুরাঘাট পয়েন্টে বাঁকখালী নদীর উপর ৫ দশমিক ৯৫ মিটার দৈর্ঘ্য একটি সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। এ সেতুটি নির্মিত হলে খুরুশকুল ও বৃহত্তর ঈদগাঁও অঞ্চলের সঙ্গে শহরের বিকল্প সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে। কিন্তু সেতুটি নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রভাবশালীরা সেতুর আশপাশ দখলে মেতে উঠেছে। প্রভাবশালীরা ইতোমধ্যে প্যারাবনের গাছপালা কেটে, নদী থেকে বালু তুলে তীরের বিস্তীর্ণ জলাভূমি ভরাট করে প্লট তৈরি করে সেখানে একের পর এক স্থাপনা নির্মাণ করছে। এসব দখল-বেদখলের ঘটনায় পরিবেশ অধিদপ্তর দখলদারদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে। তারপরও থেমে নেই দখল তৎপরতা। সর্বশেষ শনিবার জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনান সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করতে গেলে সাবেক ছাত্রনেতা ও জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন মারুফের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ বাধা সৃষ্টি করে। পরে বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভুমি), সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং স্থাপনা নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেন। কিন্তু গভীর রাতে আবারও সেখানে দখল প্রক্রিয়া শুরু করে প্রভাবশালীরা। তবে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনান দাবি করেন, এটি তাদের খতিয়ানভুক্ত জমি। ২০২১ সালে কেনা ৭ শতক জমি তার নামে খতিয়ানও আছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×