হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বৈশ্বিক খাদ্য ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সংস্কারে প্রধান উপদেষ্টার ৬ প্রস্তাব

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:০১ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১৩ অক্টোবর – ক্ষুধার জন্য অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব গড়তে ৬ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) ইতালির রাজধানী রোমে বিশ্ব খাদ্য ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রস্তাবনাগুলো তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন

ইনানীতে নিয়ন্ত্রণহীন গ্যাসের আগুন ঘিরে আতঙ্ক, বিদ্যুৎহীন ৩ হাজার ৮০০ পরিবার

বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টার দিকে রোমে বিশ্ব খাদ্য ফোরামের সদর দফতরে প্রবেশ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় অন্তর্বর্তী সরকার প্রধানকে স্বাগত জানান ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা। দেয়া হয় ঊষ্ণ সংবর্ধনা।

সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ব খাদ্য ফোরামের সমাবেশে দেয়া বক্তৃতায় তিনি বলেন, ক্ষুধা অভাবের কারণে হয় না। এটি আমাদের তৈরি অর্থনৈতিক কাঠামোর ব্যর্থতার কারণে হয়। আমাদের অবশ্যই ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে হবে।

বিশ্বব্যাপী খাদ্য ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সংস্কারে অধ্যাপক ইউনূস বলেন –

তৃতীয়ত, সরবরাহ চেইন স্থিতিশীল ও ধাক্কা মোকাবেলায় সক্ষম করার জন্য আঞ্চলিক খাদ্য ব্যাংক গঠন করতে হবে।

চতুর্থত, বিশেষ করে তরুণ ও নারী উদ্যোক্তা, কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে, উপযুক্ত অর্থায়ন ও অবকাঠামোসহ স্থানীয় উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে।

পঞ্চমত, বৈশ্বিক বাণিজ্য যেন খাদ্য নিরাপত্তাকে সমর্থন করে, বাধা না দেয়- সেজন্য রফতানি নিষেধাজ্ঞা বন্ধ করতে হবে।

সবশেষ, গ্লোবাল সাউথ ও গ্রামীণ তরুণদের জন্য, ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা ধান উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি, যা আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য। আমরা বিশ্বের শীর্ষ ধান, শাকসবজি ও মিঠাপানির মাছ উৎপাদনকারী দেশগুলোর একটি। আমাদের কৃষকেরা ফসল চাষের ঘনত্ব ২১৪ শতাংশে উন্নীত করেছেন। আমরা ১৩৩টি জলবায়ু-সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করেছি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে মুনাফাভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কোটি কোটি মানুষকে পেছনে ফেলে গেছে। আমাদের নতুন ধরনের ব্যবসা প্রবর্তন করতে হবে- সামাজিক ব্যবসা, যা ব্যক্তিগত মুনাফাহীন কিন্তু সমস্যা সমাধানে নিবেদিত।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রস্তাবিত ‘থ্রি জিরো ওয়ার্ল্ড’ গড়ার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরে বলেন, জিরো ওয়েলথ কনসেনট্রেশন-বিশ্ব দারিদ্র্যমুক্ত করতে সম্পদ বিকেন্দ্রীকরণ; জিরো আনএমপ্লওয়মেন্ট- সবার জন্য উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ এবং জিরো নেট কার্বন ইমিশনস- জলবায়ু রক্ষা।

তিনি বলেন, এটি কোনো স্বপ্ন নয়, পৃথিবীকে বাঁচাতে এটি একমাত্র বাস্তব প্রয়োজন।

লিখিত বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক দেখিয়েছে দরিদ্র নারীরাও হতে পারেন সফল উদ্যোক্তা। গ্রামীণ ডানোন শিশুদের পুষ্টিহীনতার বিরুদ্ধে লড়ছে। বিশ্বের নানা দেশে গড়ে ওঠা অন্যান্য সামাজিক ব্যবসাও মানুষ ও সমাজকে ক্ষমতায়িত করছে। এগুলো তত্ত্ব নয়, বাস্তব উদাহরণ।

তিনি বলেন, তরুণ, নারী, কৃষক, কৃষি উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবকদের সহায়তায় সামাজিক ব্যবসা তহবিল গঠন করতে হবে। এই ধরনের উদ্যোক্তাবান্ধব আইনি ও আর্থিক কাঠামো তৈরি করতে হবে-বাধা নয়, সহায়তা হিসেবে।

তরুণদের ভূমিকার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আজকের তরুণরা আগের মতো নেই। তারা সৃজনশীল। তাদের হাতে এমন প্রযুক্তি আছে যা মাত্র ২০ বছর আগেও কল্পনা করা যেতো না।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
এনএন/ ১৩ অক্টোবর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বৈশ্বিক খাদ্য ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সংস্কারে প্রধান উপদেষ্টার ৬ প্রস্তাব

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বৈশ্বিক খাদ্য ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সংস্কারে প্রধান উপদেষ্টার ৬ প্রস্তাব

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:০১ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৩ অক্টোবর – ক্ষুধার জন্য অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব গড়তে ৬ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।সোমবার (১৩ অক্টোবর) ইতালির রাজধানী রোমে বিশ্ব খাদ্য ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রস্তাবনাগুলো তুলে ধরেন।বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টার দিকে রোমে বিশ্ব খাদ্য ফোরামের সদর দফতরে প্রবেশ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় অন্তর্বর্তী সরকার প্রধানকে স্বাগত জানান ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা। দেয়া হয় ঊষ্ণ সংবর্ধনা।সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ব খাদ্য ফোরামের সমাবেশে দেয়া বক্তৃতায় তিনি বলেন, ক্ষুধা অভাবের কারণে হয় না। এটি আমাদের তৈরি অর্থনৈতিক কাঠামোর ব্যর্থতার কারণে হয়। আমাদের অবশ্যই ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে হবে।বিশ্বব্যাপী খাদ্য ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সংস্কারে অধ্যাপক ইউনূস বলেন –তৃতীয়ত, সরবরাহ চেইন স্থিতিশীল ও ধাক্কা মোকাবেলায় সক্ষম করার জন্য আঞ্চলিক খাদ্য ব্যাংক গঠন করতে হবে।চতুর্থত, বিশেষ করে তরুণ ও নারী উদ্যোক্তা, কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে, উপযুক্ত অর্থায়ন ও অবকাঠামোসহ স্থানীয় উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে।পঞ্চমত, বৈশ্বিক বাণিজ্য যেন খাদ্য নিরাপত্তাকে সমর্থন করে, বাধা না দেয়- সেজন্য রফতানি নিষেধাজ্ঞা বন্ধ করতে হবে।সবশেষ, গ্লোবাল সাউথ ও গ্রামীণ তরুণদের জন্য, ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।তিনি বলেন, আমরা ধান উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি, যা আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য। আমরা বিশ্বের শীর্ষ ধান, শাকসবজি ও মিঠাপানির মাছ উৎপাদনকারী দেশগুলোর একটি। আমাদের কৃষকেরা ফসল চাষের ঘনত্ব ২১৪ শতাংশে উন্নীত করেছেন। আমরা ১৩৩টি জলবায়ু-সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করেছি।প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে মুনাফাভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কোটি কোটি মানুষকে পেছনে ফেলে গেছে। আমাদের নতুন ধরনের ব্যবসা প্রবর্তন করতে হবে- সামাজিক ব্যবসা, যা ব্যক্তিগত মুনাফাহীন কিন্তু সমস্যা সমাধানে নিবেদিত।ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রস্তাবিত ‘থ্রি জিরো ওয়ার্ল্ড’ গড়ার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরে বলেন, জিরো ওয়েলথ কনসেনট্রেশন-বিশ্ব দারিদ্র্যমুক্ত করতে সম্পদ বিকেন্দ্রীকরণ; জিরো আনএমপ্লওয়মেন্ট- সবার জন্য উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ এবং জিরো নেট কার্বন ইমিশনস- জলবায়ু রক্ষা।তিনি বলেন, এটি কোনো স্বপ্ন নয়, পৃথিবীকে বাঁচাতে এটি একমাত্র বাস্তব প্রয়োজন।লিখিত বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক দেখিয়েছে দরিদ্র নারীরাও হতে পারেন সফল উদ্যোক্তা। গ্রামীণ ডানোন শিশুদের পুষ্টিহীনতার বিরুদ্ধে লড়ছে। বিশ্বের নানা দেশে গড়ে ওঠা অন্যান্য সামাজিক ব্যবসাও মানুষ ও সমাজকে ক্ষমতায়িত করছে। এগুলো তত্ত্ব নয়, বাস্তব উদাহরণ।তিনি বলেন, তরুণ, নারী, কৃষক, কৃষি উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবকদের সহায়তায় সামাজিক ব্যবসা তহবিল গঠন করতে হবে। এই ধরনের উদ্যোক্তাবান্ধব আইনি ও আর্থিক কাঠামো তৈরি করতে হবে-বাধা নয়, সহায়তা হিসেবে।তরুণদের ভূমিকার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আজকের তরুণরা আগের মতো নেই। তারা সৃজনশীল। তাদের হাতে এমন প্রযুক্তি আছে যা মাত্র ২০ বছর আগেও কল্পনা করা যেতো না।সূত্র: বাংলাদেশ জার্নালএনএন/ ১৩ অক্টোবর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×