হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে নবান্নের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি, জারি কড়া নির্দেশিকা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩২ অপরাহ্ন


কলকাতা, ২৪ মার্চ – ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কোমর বেঁধে নামছে রাজ্য প্রশাসন। ভোট যাতে সম্পূর্ণ অবাধ, স্বচ্ছ এবং শান্তিপূর্ণ হয়, তা নিশ্চিত করতে রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতর ও আধিকারিকদের জন্য কড়া নির্দেশিকা জারি করলেন মুখ্যসচিব। গত ২২ মার্চ, রবিবার নবান্ন থেকে প্রকাশিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, নির্বাচনে কোনো প্রকার অশান্তি বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।

নির্বাচন প্রক্রিয়াকে কলঙ্কমুক্ত রাখতে মুখ্যসচিবের জারি করা এই নির্দেশিকায় মূলত ছয়টি বিষয়ের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ক্ষেত্রগুলিতে কোনো বিচ্যুতি ঘটলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হবে:

আরও পড়ুন

কক্সবাজার পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ২১ জন গ্রেপ্তার

১. হিংসামুক্ত পরিবেশ: নির্বাচনের দিন ঘোষণা থেকে ফল প্রকাশ পর্যন্ত কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক হিংসা সহ্য করা হবে না। অশান্তি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২. ভয়ভীতি প্রদর্শন বন্ধ: ভোটারদের ভয় দেখানো বা ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এলে তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে। প্রতিটি ভোটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

৩. প্রলোভনমুক্ত নির্বাচন: ভোটদাতাদের টাকা, উপহার বা অন্য কোনো উপঢৌকন দিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা যাবে না। নজরদারি টিম এই ধরনের লেনদেনের ওপর কড়া নজর রাখবে।

৬. ভোটারদের যাতায়াতে বাধা নয়: ‘সোর্স জ্যামিং’ বা ভোটারদের বাড়ি থেকে বেরোতে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে পুলিশি হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবেই ভোটারের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা যাবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে সাফ জানানো হয়েছে যে, নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি (Model Code of Conduct) যাতে কোনোভাবেই লঙ্ঘিত না হয়, সে দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। সরকারি আধিকারিক থেকে শুরু করে সমস্ত স্তরের কর্মচারীদের নিরপেক্ষ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্তব্যে গাফিলতি বা কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

নবান্ন জানিয়েছে, এই নির্দেশিকা প্রতিটি সরকারি দফতর, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা এবং স্থানীয় পুরসভা ও পঞ্চায়েত স্তরের প্রতিটি কর্মীর কাছে পৌঁছে দিতে হবে। নির্দেশিকাটি নিচুতলা পর্যন্ত পৌঁছানোর প্রমাণ হিসেবে আগামী ২৫ মার্চ বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট ইমেল আইডিতে (wblacompliance@gmail.com) কনফার্মেশন রিপোর্ট পাঠাতে বলা হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, বিগত নির্বাচনগুলির অভিজ্ঞতা এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগের কথা মাথায় রেখেই এবার আগেভাগে সতর্ক হচ্ছে রাজ্য সরকার। প্রতিটি ভোটার যাতে কোনো ভয় বা চাপের কাছে নতিস্বীকার না করে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটাই বর্তমান প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। মুখ্যসচিবের এই তৎপরতা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফেরাতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে নবান্নের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি, জারি কড়া নির্দেশিকা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে নবান্নের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি, জারি কড়া নির্দেশিকা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩২ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] কলকাতা, ২৪ মার্চ – ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কোমর বেঁধে নামছে রাজ্য প্রশাসন। ভোট যাতে সম্পূর্ণ অবাধ, স্বচ্ছ এবং শান্তিপূর্ণ হয়, তা নিশ্চিত করতে রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতর ও আধিকারিকদের জন্য কড়া নির্দেশিকা জারি করলেন মুখ্যসচিব। গত ২২ মার্চ, রবিবার নবান্ন থেকে প্রকাশিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, নির্বাচনে কোনো প্রকার অশান্তি বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।নির্বাচন প্রক্রিয়াকে কলঙ্কমুক্ত রাখতে মুখ্যসচিবের জারি করা এই নির্দেশিকায় মূলত ছয়টি বিষয়ের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ক্ষেত্রগুলিতে কোনো বিচ্যুতি ঘটলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হবে:১. হিংসামুক্ত পরিবেশ: নির্বাচনের দিন ঘোষণা থেকে ফল প্রকাশ পর্যন্ত কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক হিংসা সহ্য করা হবে না। অশান্তি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।২. ভয়ভীতি প্রদর্শন বন্ধ: ভোটারদের ভয় দেখানো বা ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এলে তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে। প্রতিটি ভোটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।৩. প্রলোভনমুক্ত নির্বাচন: ভোটদাতাদের টাকা, উপহার বা অন্য কোনো উপঢৌকন দিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা যাবে না। নজরদারি টিম এই ধরনের লেনদেনের ওপর কড়া নজর রাখবে।৬. ভোটারদের যাতায়াতে বাধা নয়: ‘সোর্স জ্যামিং’ বা ভোটারদের বাড়ি থেকে বেরোতে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে পুলিশি হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবেই ভোটারের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা যাবে না।বিজ্ঞপ্তিতে সাফ জানানো হয়েছে যে, নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি (Model Code of Conduct) যাতে কোনোভাবেই লঙ্ঘিত না হয়, সে দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। সরকারি আধিকারিক থেকে শুরু করে সমস্ত স্তরের কর্মচারীদের নিরপেক্ষ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্তব্যে গাফিলতি বা কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।নবান্ন জানিয়েছে, এই নির্দেশিকা প্রতিটি সরকারি দফতর, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা এবং স্থানীয় পুরসভা ও পঞ্চায়েত স্তরের প্রতিটি কর্মীর কাছে পৌঁছে দিতে হবে। নির্দেশিকাটি নিচুতলা পর্যন্ত পৌঁছানোর প্রমাণ হিসেবে আগামী ২৫ মার্চ বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট ইমেল আইডিতে (wblacompliance@gmail.com) কনফার্মেশন রিপোর্ট পাঠাতে বলা হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের ধারণা, বিগত নির্বাচনগুলির অভিজ্ঞতা এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগের কথা মাথায় রেখেই এবার আগেভাগে সতর্ক হচ্ছে রাজ্য সরকার। প্রতিটি ভোটার যাতে কোনো ভয় বা চাপের কাছে নতিস্বীকার না করে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটাই বর্তমান প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। মুখ্যসচিবের এই তৎপরতা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফেরাতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×