ঢাকা, ১৭ জানুয়ারি – ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশের পর এবার সংবাদ সম্মেলন করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের শরীক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) চরমোনাই জোট নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, যারা তাদের সঙ্গে একমত হতে পারবেন, তাদের নিয়েই দলটি সামনে এগোবে।
সিলেট নগরীতে যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা
তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশ নিতে ১০টি দল এক হয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এরই মধ্যে ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশ আলাদাভাবে নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। যারা ঐক্যমতে থাকতে পারবে, তাদের নিয়েই তারা নির্বাচনী প্রচারণা চালাবে।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য এখনও জোটের দরজা খোলা রয়েছে। আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, তারা আবার জোটে ফিরে আসবে এবং সবাই একসঙ্গে নির্বাচনের পথ পাড়ি দেবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, আসন সমঝোতার বিষয়ে শুরু থেকেই এনসিপি ৩০টি আসনের কথা বলে আসছে এবং এখনও সেই অবস্থানেই আছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, জুমার নামাজের পর বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের একটি সংগঠনের দায়িত্বশীল নেত্রীর বক্তব্যের বরাতে যে মন্তব্য করেছেন, তা সঠিক নয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিষয়টি নিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রেস ব্রিফিং চলাকালেই তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট করা হয়েছিল। পাশাপাশি গাজী আতাউর রহমান যে মন্তব্য করেছেন—‘আল্লাহর আইন ও ইসলামী আদর্শ থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভিন্ন পথে চলে গেছে’—এ বক্তব্যও সঠিক নয় বলে দাবি করা হয়।
জামায়াতের বিবৃতিতে বলা হয়, জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির উদ্দেশ্যেই এমন মন্তব্য করা হয়েছে বলে তারা মনে করে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে পরিচালিত একটি ইসলামী সংগঠন।
গাজী আতাউর রহমানের আরেকটি অভিযোগের প্রসঙ্গে জামায়াত জানায়, তারা সব সময় রাজনৈতিক শিষ্টাচার মেনে পারস্পরিক সম্মান ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আচরণ করে থাকে এবং কারও সঙ্গে শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ করে না।
এনএন/ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬




মন্তব্য করুন