হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে জাইকার প্রেসিডেন্ট, মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস

শহিদুল ইসলাম::

শহিদুল ইসলাম::

শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন

জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন।

শনিবার সকালে তাঁরা ক্যাম্পে চলমান মানবিক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি), সরকারি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

আরআরআরসির কার্যালয় জানিয়েছে, এই সফরের মাধ্যমে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক (এফডিএমএন) এবং কক্সবাজারের আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা ও টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও জোরালো হয়েছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সাল থেকে জাইকা কক্সবাজারে ঋণ, অনুদান ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে প্রায় ৩৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এই অর্থ স্থানীয় সরকারব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, স্বাস্থ্যসেবা, দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা, জীবিকা উন্নয়ন, মৎস্য খাত, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) এবং নগর উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় করা হয়েছে।রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায়ও জাইকা বিভিন্নভাবে সহায়তা দিয়ে আসছে।

আরও পড়ুন

ইনানীতে চার দিনেও নেভেনি গ্যাসের আগুন, ১৪৪ ধারা জারি

এর মধ্যে রয়েছে আরআরআরসিকে কারিগরি সহায়তা প্রদান, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, জাতিসংঘের স্বেচ্ছাসেবক (ইউএন ভলান্টিয়ার) মোতায়েন এবং লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিবিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা।

সফরকালে জাইকার প্রতিনিধিদল ক্যাম্পে চলমান মানবিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে বৈঠকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য মৌলিক সেবার মানোন্নয়ন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই সহায়তা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এক বিবৃতিতে আরআরআরসি জাইকার দীর্ঘদিনের সহযোগিতা ও বাংলাদেশের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

কমিশনার বলেন, জাইকার সঙ্গে এই অংশীদারত্ব ভবিষ্যতেও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের সমন্বয় আরও শক্তিশালী করবে এবং কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য আরও টেকসই, সহনশীল ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বর্তমানে কক্সবাজারের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে। তাদের মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি জাতিসংঘ, জাইকাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ও দাতা দেশ দীর্ঘদিন ধরে সহায়তা দিয়ে আসছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে জাইকার প্রেসিডেন্ট, মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে জাইকার প্রেসিডেন্ট, মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস

প্রতিবেদক: শহিদুল ইসলাম:: | প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
Print Image
জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। শনিবার সকালে তাঁরা ক্যাম্পে চলমান মানবিক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি), সরকারি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আরআরআরসির কার্যালয় জানিয়েছে, এই সফরের মাধ্যমে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক (এফডিএমএন) এবং কক্সবাজারের আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা ও টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও জোরালো হয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সাল থেকে জাইকা কক্সবাজারে ঋণ, অনুদান ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে প্রায় ৩৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এই অর্থ স্থানীয় সরকারব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, স্বাস্থ্যসেবা, দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা, জীবিকা উন্নয়ন, মৎস্য খাত, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) এবং নগর উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় করা হয়েছে।রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায়ও জাইকা বিভিন্নভাবে সহায়তা দিয়ে আসছে। এর মধ্যে রয়েছে আরআরআরসিকে কারিগরি সহায়তা প্রদান, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, জাতিসংঘের স্বেচ্ছাসেবক (ইউএন ভলান্টিয়ার) মোতায়েন এবং লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিবিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা। সফরকালে জাইকার প্রতিনিধিদল ক্যাম্পে চলমান মানবিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে বৈঠকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য মৌলিক সেবার মানোন্নয়ন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই সহায়তা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এক বিবৃতিতে আরআরআরসি জাইকার দীর্ঘদিনের সহযোগিতা ও বাংলাদেশের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। কমিশনার বলেন, জাইকার সঙ্গে এই অংশীদারত্ব ভবিষ্যতেও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের সমন্বয় আরও শক্তিশালী করবে এবং কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য আরও টেকসই, সহনশীল ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বর্তমানে কক্সবাজারের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে। তাদের মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি জাতিসংঘ, জাইকাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ও দাতা দেশ দীর্ঘদিন ধরে সহায়তা দিয়ে আসছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×