হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বন্দরবাজার ফাঁড়িতে রায়হান হত্যা: প্রধান আসামি বরখাস্ত এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১১ পূর্বাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: সিলেট, ২৯ অক্টোবর – সিলেটের বহু আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় বরখাস্তকৃত উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। দীর্ঘ ৬ বছরের বিচারপ্রক্রিয়া ও ৬১ …


সিলেট, ২৯ অক্টোবর – সিলেটের বহু আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় বরখাস্তকৃত উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। দীর্ঘ ৬ বছরের বিচারপ্রক্রিয়া ও ৬১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায়ে ২ জনকে যাবজ্জীবন এবং ৩ জনকে ৭ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে হেফাজতে নির্যাতন চালিয়ে রায়হান আহমদকে হত্যার ঘটনায় বহুল প্রতীক্ষিত রায় ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল মজিদ মুন্সী এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মুমিনুল ইসলাম মোমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন

উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়েছে কারবারিরা

১৩৬ পৃষ্ঠার এই রায়ের পাঠ দুপুর আড়াইটায় শুরু হয়ে শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৩টায়।

আদালতের সাজা এক নজরে:

মৃত্যুদণ্ড: বরখাস্তকৃত এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া (প্রধান আসামি)।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (২ জন): কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও কনস্টেবল হারুন অর রশীদ।

৭ বছর কারাদণ্ড (৩ জন): বরখাস্তকৃত এএসআই আশেক এলাহী, বরখাস্তকৃত এএসআই হাসান উদ্দিন এবং স্থানীয় সংবাদকর্মী আব্দুল্লাহ আল নোমান।

রায় কার্যকর নিয়ে রায়হানের মায়ের আশঙ্কা ও আকুল আকুতি

রায় ঘোষণার পর রায়হানের মা স্বস্তি প্রকাশ করলেও সাজা কার্যকর হওয়া নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, মূল অভিযুক্ত আকবরসহ বেশিরভাগ আসামি জামিনে মুক্ত হয়ে বর্তমানে পলাতক। আকবরসহ পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দেশে ফিরিয়ে এনে রায় দ্রুত কার্যকর করার জোর দাবি জানান তিনি।

মামলার পিছনের প্রেক্ষাপট

ঘটনার সূত্রপাত: ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর রাতে সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে এনে নির্মম নির্যাতন করা হয় রায়হান আহমদকে। পরদিন ১১ অক্টোবর ভোরে তিনি মারা যান।

গ্রেপ্তার ও তদন্ত: ঘটনার পর রায়হানের স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে তদন্তে নির্যাতনের সত্যতা পায় পিবিআই। ওই বছরের ৯ নভেম্বর কানাইঘাট সীমান্ত থেকে প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২১ সালের ৫ মে পিবিআই আদালতে ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয়।

জামিন ও পলাতক: দীর্ঘ দিন কারাগারে থাকার পর ২০২৫ সালের ১০ আগস্ট উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান বরখাস্ত এসআই আকবর। পরদিন কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ হেফাজতে বর্বর নির্যাতনের বিরুদ্ধে এই রায় একটি বড় বার্তা দিলেও পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করাটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এনএন/ ২৯ অক্টোবর ২০২৬


❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: বন্দরবাজার ফাঁড়িতে রায়হান হত্যা: প্রধান আসামি বরখাস্ত এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: সিলেট, ২৯ অক্টোবর – সিলেটের বহু আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় বরখাস্তকৃত উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে মৃত্যু। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বন্দরবাজার ফাঁড়িতে রায়হান হত্যা: প্রধান আসামি বরখাস্ত এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বন্দরবাজার ফাঁড়িতে রায়হান হত্যা: প্রধান আসামি বরখাস্ত এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১১ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] সিলেট, ২৯ অক্টোবর – সিলেটের বহু আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় বরখাস্তকৃত উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। দীর্ঘ ৬ বছরের বিচারপ্রক্রিয়া ও ৬১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায়ে ২ জনকে যাবজ্জীবন এবং ৩ জনকে ৭ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে হেফাজতে নির্যাতন চালিয়ে রায়হান আহমদকে হত্যার ঘটনায় বহুল প্রতীক্ষিত রায় ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল মজিদ মুন্সী এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মুমিনুল ইসলাম মোমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।১৩৬ পৃষ্ঠার এই রায়ের পাঠ দুপুর আড়াইটায় শুরু হয়ে শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৩টায়।আদালতের সাজা এক নজরে:মৃত্যুদণ্ড: বরখাস্তকৃত এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া (প্রধান আসামি)।যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (২ জন): কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও কনস্টেবল হারুন অর রশীদ।৭ বছর কারাদণ্ড (৩ জন): বরখাস্তকৃত এএসআই আশেক এলাহী, বরখাস্তকৃত এএসআই হাসান উদ্দিন এবং স্থানীয় সংবাদকর্মী আব্দুল্লাহ আল নোমান।রায় কার্যকর নিয়ে রায়হানের মায়ের আশঙ্কা ও আকুল আকুতিরায় ঘোষণার পর রায়হানের মা স্বস্তি প্রকাশ করলেও সাজা কার্যকর হওয়া নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, মূল অভিযুক্ত আকবরসহ বেশিরভাগ আসামি জামিনে মুক্ত হয়ে বর্তমানে পলাতক। আকবরসহ পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দেশে ফিরিয়ে এনে রায় দ্রুত কার্যকর করার জোর দাবি জানান তিনি।মামলার পিছনের প্রেক্ষাপটঘটনার সূত্রপাত: ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর রাতে সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে এনে নির্মম নির্যাতন করা হয় রায়হান আহমদকে। পরদিন ১১ অক্টোবর ভোরে তিনি মারা যান।গ্রেপ্তার ও তদন্ত: ঘটনার পর রায়হানের স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে তদন্তে নির্যাতনের সত্যতা পায় পিবিআই। ওই বছরের ৯ নভেম্বর কানাইঘাট সীমান্ত থেকে প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২১ সালের ৫ মে পিবিআই আদালতে ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয়।জামিন ও পলাতক: দীর্ঘ দিন কারাগারে থাকার পর ২০২৫ সালের ১০ আগস্ট উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান বরখাস্ত এসআই আকবর। পরদিন কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।পুলিশ হেফাজতে বর্বর নির্যাতনের বিরুদ্ধে এই রায় একটি বড় বার্তা দিলেও পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করাটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এনএন/ ২৯ অক্টোবর ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×