নয়াদিল্লি, ২৮ অক্টোবর – ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে শেষ পর্যন্ত আঘাত হেনেছে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ (Very Severe Cyclonic Storm Arnab)। ঝড়ের কেন্দ্র বা মূল অংশের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশাসহ সংলগ্ন উপকূলীয় রাজ্যগুলোতে শুরু হয়েছে প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত এবং হাড়কাঁপানো দমকা হাওয়া।
স্থলভাগে আঘাত ও বাতাসের গতিবেগ
ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য বানানোর হুমকি ট্রাম্পের
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ১টা ২০ মিনিট থেকে ২টার মধ্যে নির্ধারিত সময়ের আগেই ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রভাগ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়ে।
আঘাত হানার স্থান: অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাতলা এবং বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূলীয় অঞ্চল দিয়ে ঝড়টির মূল অংশ অতিক্রম করছে।
বাতাসের তীব্রতা: ভারতের আবহাওয়া বিভাগের (IMD) মতে, অর্ণব ‘অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়’ হিসেবে আঘাত হানায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত রেকর্ড করা হচ্ছে, যা দমকা হাওয়া আকারে সর্বোচ্চ ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছ।
প্রক্রিয়া: স্থলভাগে আছড়ে পড়ার এই ল্যান্ডফল (Landfall) প্রক্রিয়া পরবর্তী ৩ ঘণ্টা ধরে অব্যাহত থাকবে।
বিমান চলাচল বিপর্যস্ত ও ব্যাপক প্রস্তুতি
ঘূর্ণিঝড়ের সরাসরি প্রভাব পড়েছে আকাশপথে পরিবহনে। অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ভুবনেশ্বরসহ দক্ষিণ ওড়িশায় বিমান চলাচল পুরোপুরি ব্যাহত হয়েছে। এছাড়া ঝড়ের গতিপথ ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে হায়দরাবাদ, বারানসী, প্রয়াগরাজ এবং গোরখপুরেও একাধিক বিমানের সূচিতে বিলম্ব ও গোলযোগ দেখা দিয়েছে।
অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্যে ২ হাজার ১৯৯টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষকে ইতোমধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষকে বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।
এনএন/ ২৮ অক্টোবর ২০২৬
❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন: ভারতে আছড়ে পড়ল তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’: অন্ধ্রপ্রদেশজুড়ে ঝোড়ো হাওয়া ও প্রবল বৃষ্টিপাত সম্পর্কিত তথ্য কী?
উত্তর: নয়াদিল্লি, ২৮ অক্টোবর – ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে শেষ পর্যন্ত আঘাত হেনেছে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ (Very Severe Cyclonic Storm । মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।




মন্তব্য করুন