হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

শহীদ সেনা দিবসের নাম পরিবর্তনের দাবি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ০১ মার্চ – শহীদ সেনা দিবসের নাম পরিবর্তন করে ‘পিলখানা গণহত্যা দিবস’ রাখার দাবি জানানো হয়েছে।

শনিবার (১ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জেলবন্দি বিডিআর সদস্যদের পরিবারবর্গ কর্তৃক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়।

আরও পড়ুন

অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই

সংবাদ সম্মেলনে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় নিহত সেনা কর্মকর্তারা সেনা কর্মকর্তা হিসেবে শহীদ হননি, বরং তারা বিডিআরের পদস্থ কর্মী হিসেবে শহীদ হয়েছেন। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর বহু বিডিআর জওয়ান নির্যাতিত হয়ে মারা গেছেন এবং সরকার এখনও তাদের মৃত্যুর সঠিক পরিসংখ্যান, তালিকা বা পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রকাশ করেনি। বরং আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক ভুয়া তথ্য প্রচার করা হয়েছে, যেমন বলা হয়েছে যে, তারা স্ট্রোকে বা করোনায় মারা গেছেন।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ভারত এবং আওয়ামী লীগের জড়িত থাকার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিডিআরের সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মইনুল হাসানও একই অভিযোগ করেছেন। এই ঘটনার সময় বাইরে থেকে ২০-২১ জনের একটি দল পিলখানায় ঢুকে ছিল এবং তাদের মদদে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। তবে সরকার এখনো এই বিষয় নিয়ে যথাযথ তদন্ত করেনি এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

তিনি আরও বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করতে একটি স্বাধীন গণতদন্ত কমিশন গঠন করা হোক। বিডিআরের সদস্যরা যারা নিরপরাধ, তাদের বিরুদ্ধে অবিচার করা হয়েছে এবং তাদের পরিবারগুলি আজও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন। তারা বিচারের দাবি জানাচ্ছে এবং রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কমপেনসেশন ও ক্ষতিপূরণের দাবি করছেন।

১. পূর্ববর্তী রায় বাতিল করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

২. নতুন তদন্ত কমিশনের কার্যক্রম স্বাধীন ও নিরপেক্ষ হতে হবে এবং গোপন শর্ত বাতিল করতে হবে।

৩. মিথ্যা অভিযোগে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের পুনর্বহাল ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ০১ মার্চ ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

শহীদ সেনা দিবসের নাম পরিবর্তনের দাবি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

শহীদ সেনা দিবসের নাম পরিবর্তনের দাবি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ০১ মার্চ – শহীদ সেনা দিবসের নাম পরিবর্তন করে ‘পিলখানা গণহত্যা দিবস’ রাখার দাবি জানানো হয়েছে।শনিবার (১ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জেলবন্দি বিডিআর সদস্যদের পরিবারবর্গ কর্তৃক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় নিহত সেনা কর্মকর্তারা সেনা কর্মকর্তা হিসেবে শহীদ হননি, বরং তারা বিডিআরের পদস্থ কর্মী হিসেবে শহীদ হয়েছেন। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর বহু বিডিআর জওয়ান নির্যাতিত হয়ে মারা গেছেন এবং সরকার এখনও তাদের মৃত্যুর সঠিক পরিসংখ্যান, তালিকা বা পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রকাশ করেনি। বরং আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক ভুয়া তথ্য প্রচার করা হয়েছে, যেমন বলা হয়েছে যে, তারা স্ট্রোকে বা করোনায় মারা গেছেন।পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ভারত এবং আওয়ামী লীগের জড়িত থাকার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিডিআরের সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মইনুল হাসানও একই অভিযোগ করেছেন। এই ঘটনার সময় বাইরে থেকে ২০-২১ জনের একটি দল পিলখানায় ঢুকে ছিল এবং তাদের মদদে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। তবে সরকার এখনো এই বিষয় নিয়ে যথাযথ তদন্ত করেনি এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।তিনি আরও বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করতে একটি স্বাধীন গণতদন্ত কমিশন গঠন করা হোক। বিডিআরের সদস্যরা যারা নিরপরাধ, তাদের বিরুদ্ধে অবিচার করা হয়েছে এবং তাদের পরিবারগুলি আজও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন। তারা বিচারের দাবি জানাচ্ছে এবং রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কমপেনসেশন ও ক্ষতিপূরণের দাবি করছেন।১. পূর্ববর্তী রায় বাতিল করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।২. নতুন তদন্ত কমিশনের কার্যক্রম স্বাধীন ও নিরপেক্ষ হতে হবে এবং গোপন শর্ত বাতিল করতে হবে।৩. মিথ্যা অভিযোগে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের পুনর্বহাল ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে।সূত্র: ঢাকা পোস্টএনএন/ ০১ মার্চ ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×