হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় রিমান্ডে কক্সবাজারের আশিক ও বাবু

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

বুধবার, ৫ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারে আলোচিত সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি আশিকুল ইসলাম (আশিক) ও মেহেদী হাসান বাবু’র ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর এবং বিকেলে পৃথক শুনানি শেষে জৈষ্ঠ্য বিচারিক হাকিম আবুল মনসুর সিদ্দীকি এ আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী সংস্থা ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছিল।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ।
তিনি জানান, এ মামলার বাকী পাঁচ আসামির রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে তারা কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়নি।

আশিককে মাদারীপুর থেকে গ্রেফতার করেছিল র‍্যাব। পরে তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হলে গত রোববার (২ জানুয়ারি) তাকে কক্সবাজার কারাগারে নিয়ে আসা হয়।

আরও পড়ুন

পোশাক খাতে গভীর ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচন: গুজবে কান না দিয়ে শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

অপরদিকে গতকাল সোমবার রাতে গ্রেফতার করা হয় মামলার দুই নম্বর আসামি মেহেদী হাসান বাবুকে। মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজারের ঘোনাপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে ট্যুরিস্ট পুলিশের একটি টিম। এ নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের আলোচিত এ মামলায় এজাহারনামীয় ৪ জনসহ মোট ৭ আসামিকে গ্রেফতার করা হলো।

এর আগে মামলার তিন নম্বর আসামি ইস্রাফিল হুদা (জয়) ও সন্দেহভাজন ৩ আসামি মেহেদী হাসান, মামুনুর রশীদ ও রেজাউল করিম সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতার করে ট্যুরিস্ট পুলিশ। অপরদিকে হোটেল ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটন ও আশিককে গ্রেফতার করে র‍্যাব।

উল্লেখ্য গত ২২ ডিসেম্বর স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে সৈকতের ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে ও পরে জিয়া গেস্ট ইন হোটেলে দুই দফা ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে আসামিদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে রাতে কক্সবাজারের কলাতলীর জিয়া গেস্ট ইন নামে একটি হোটেলে অভিযান চালায় র‍্যাব। এসময় হোটেল ম্যানেজারকে আটক করা হয়।

এ ঘটনার পরের দিন জড়িতদের শনাক্ত করে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৩ জনসহ মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন ভিকটিমের স্বামী।

এ মামলায় এখন পর্যন্ত প্রধান আসামি আশিকসহ মোট সাতজন গ্রেফতার হয়েছে। গ্রেফতার আসামিরা হলেন- শহরের বাহারছড়া এলাকার আশিকুল ইসলাম আশিক, মেহেদী হাসান বাবু, ইসরাফিল হুদা জয় ওরফে জয়া, ও জিয়া গেস্ট ইন হোটেলের ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটন, মেহেদী হাসান, মো মামুনুর রশিদ ও রেজাউল করিম শাহাবুদ্দিন।

উল্লেখ্য গত ২২ ডিসেম্বর স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে সৈকতের ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে ও পরে জিয়া গেস্ট ইন হোটেলে দুই দফা ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে আসামিদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে রাতে কক্সবাজারের কলাতলীর জিয়া গেস্ট ইন নামে একটি হোটেলে অভিযান চালায় র‍্যাব। এসময় হোটেল ম্যানেজারকে আটক করা হয়।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় রিমান্ডে কক্সবাজারের আশিক ও বাবু

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় রিমান্ডে কক্সবাজারের আশিক ও বাবু

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: বুধবার, ৫ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারে আলোচিত সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি আশিকুল ইসলাম (আশিক) ও মেহেদী হাসান বাবু’র ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর এবং বিকেলে পৃথক শুনানি শেষে জৈষ্ঠ্য বিচারিক হাকিম আবুল মনসুর সিদ্দীকি এ আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী সংস্থা ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, এ মামলার বাকী পাঁচ আসামির রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে তারা কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়নি। আশিককে মাদারীপুর থেকে গ্রেফতার করেছিল র‍্যাব। পরে তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হলে গত রোববার (২ জানুয়ারি) তাকে কক্সবাজার কারাগারে নিয়ে আসা হয়। অপরদিকে গতকাল সোমবার রাতে গ্রেফতার করা হয় মামলার দুই নম্বর আসামি মেহেদী হাসান বাবুকে। মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজারের ঘোনাপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে ট্যুরিস্ট পুলিশের একটি টিম। এ নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের আলোচিত এ মামলায় এজাহারনামীয় ৪ জনসহ মোট ৭ আসামিকে গ্রেফতার করা হলো। এর আগে মামলার তিন নম্বর আসামি ইস্রাফিল হুদা (জয়) ও সন্দেহভাজন ৩ আসামি মেহেদী হাসান, মামুনুর রশীদ ও রেজাউল করিম সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতার করে ট্যুরিস্ট পুলিশ। অপরদিকে হোটেল ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটন ও আশিককে গ্রেফতার করে র‍্যাব। উল্লেখ্য গত ২২ ডিসেম্বর স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে সৈকতের ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে ও পরে জিয়া গেস্ট ইন হোটেলে দুই দফা ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে আসামিদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে রাতে কক্সবাজারের কলাতলীর জিয়া গেস্ট ইন নামে একটি হোটেলে অভিযান চালায় র‍্যাব। এসময় হোটেল ম্যানেজারকে আটক করা হয়। এ ঘটনার পরের দিন জড়িতদের শনাক্ত করে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৩ জনসহ মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন ভিকটিমের স্বামী। এ মামলায় এখন পর্যন্ত প্রধান আসামি আশিকসহ মোট সাতজন গ্রেফতার হয়েছে। গ্রেফতার আসামিরা হলেন- শহরের বাহারছড়া এলাকার আশিকুল ইসলাম আশিক, মেহেদী হাসান বাবু, ইসরাফিল হুদা জয় ওরফে জয়া, ও জিয়া গেস্ট ইন হোটেলের ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটন, মেহেদী হাসান, মো মামুনুর রশিদ ও রেজাউল করিম শাহাবুদ্দিন। উল্লেখ্য গত ২২ ডিসেম্বর স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে সৈকতের ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে ও পরে জিয়া গেস্ট ইন হোটেলে দুই দফা ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে আসামিদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে রাতে কক্সবাজারের কলাতলীর জিয়া গেস্ট ইন নামে একটি হোটেলে অভিযান চালায় র‍্যাব। এসময় হোটেল ম্যানেজারকে আটক করা হয়।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×