হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সবজির বাজার স্থিতিশীল, বাড়লো মুরগি-ডিম-মরিচের দাম

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ৪ আগস্ট ২০২৩, ১২:০৭ অপরাহ্ন

ঢাকা, ০৪ আগস্ট – বাজারে নিত্যপণ্যের দাম গত কয়েক মাস ধরেই চড়া। মাঝে দফায় দফায় বেড়েছে সব ধরনের শাক-সবজির দাম। তবে গত দুয়েক সপ্তাহে অপরিবর্তিত রয়েছে সবজির দাম। যদিও তা ক্রেতার নাগালে রয়েছে এমনটি বলা যাবে না, তবে দামও বাড়েনি।

কাঁচা মরিচ নিয়ে বেশ লঙ্কাকাণ্ড হয়েছিল, সর্বোচ্চ দামে পৌঁছায় এবার। পরে আমদানি ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফলন ভালো হওয়া দাম কমে ১৬০ টাকায় আসে। সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও কেজিতে ৪০ টাকা বেড়েছে।

কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা করে বেড়েছে মুরগির দাম। এছাড়া দাম বেড়েছে ডিম, ইলিশ মাছের। এদিকে, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে গরু ও খাসির মাংসসহ অন্যান্য মাছ।

আরও পড়ুন

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নাজির আলমগীরের প্রভাবে দুর্নীতিবান্ধব উখিয়া ভূমি অফিস! টাকায় হয় ‘অসাধ্য সাধন’

শুক্রবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

সকালে দেখা যায় যে, টিঅ্যান্ডটি বাজার, কলোনি বাজার, ফকিরাপুল বাজার, খিলগাঁও বাজার, মালিবাগ রেললাইন সংলগ্ন এবং মালিবাগ বাজারে প্রতিকেজি বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কচুর লতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কচুর মুখি ৮০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, ঢ়্যাঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা, গাজর (দেশি) ৮০ থেকে ৯০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ধন্দুল-চিচিংগা ৫০ টাকা, আলু ৪০ টাকা কেজিতে। জালি ৪০ টাকা পিস, লাউ ৪০ থেকে ৬০ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে। কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৬০ থেকে ৩৬০ টাকা। প্রতি ডজনে ১০ টাকা বেড়ে ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়।

মুরগি বিক্রেতা বোরহান উদ্দিন বলেন, মোকামে (পাইকার) মুরগির দাম বেশি তাই খুচরায় দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে দাম কম ছিল তাই ১৮০ টাকা কেজিতে ব্রয়লার বিক্রি করেছিলাম আজ আবার দাম বেশি হওয়ায় খুচরা বিক্রিতেও দাম বেড়েছে।

সোহাগি আক্তার নামে এক ক্রেতা বলেন, গত সপ্তাহে একটা পণ্যের দাম কমছে তো আজ বাড়ছে। আর কোনো পণ্যের দাম একবার বাড়লে আর কমছে না। সে তুলনায় আমাদের আয় বাড়ছে না, এভাবে দরদাম বাড়ায় আমাদের টিকে থাক কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, ইলিশে ভরা মৌসুমেও দাম চড়া। তবে গত সপ্তাহে দাম কমে ৫০০ গ্রাম ইলিশ ৯০০ টাকায় পাওয়া গেলেও আজ তা হাজার থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। জাটকা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা কেজি দরে। রুই-কাতলসহ অন্যান্য মাছ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। অপরিবর্তিত রয়েছে গরুর মাংস, খাসির মাংসের দাম।

মাছ বিক্রেতা জসিম উদ্দিন বলেন, এখন ইলিশ মাছ নদীতে কম ধরা পড়ছে এ কারণে দাম বেশি। আড়তে অনেক বেশি দাম হওয়ায় অনেকেই মাছ আনার সাহস করছেন না। কারণ আনার পর যদি বেশি দামে ক্রেতা না কেনেন।

সূত্র: জাগো নিউজ

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সবজির বাজার স্থিতিশীল, বাড়লো মুরগি-ডিম-মরিচের দাম

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সবজির বাজার স্থিতিশীল, বাড়লো মুরগি-ডিম-মরিচের দাম

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ আগস্ট ২০২৩, ১২:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ০৪ আগস্ট – বাজারে নিত্যপণ্যের দাম গত কয়েক মাস ধরেই চড়া। মাঝে দফায় দফায় বেড়েছে সব ধরনের শাক-সবজির দাম। তবে গত দুয়েক সপ্তাহে অপরিবর্তিত রয়েছে সবজির দাম। যদিও তা ক্রেতার নাগালে রয়েছে এমনটি বলা যাবে না, তবে দামও বাড়েনি। কাঁচা মরিচ নিয়ে বেশ লঙ্কাকাণ্ড হয়েছিল, সর্বোচ্চ দামে পৌঁছায় এবার। পরে আমদানি ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফলন ভালো হওয়া দাম কমে ১৬০ টাকায় আসে। সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও কেজিতে ৪০ টাকা বেড়েছে। কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা করে বেড়েছে মুরগির দাম। এছাড়া দাম বেড়েছে ডিম, ইলিশ মাছের। এদিকে, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে গরু ও খাসির মাংসসহ অন্যান্য মাছ। শুক্রবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। সকালে দেখা যায় যে, টিঅ্যান্ডটি বাজার, কলোনি বাজার, ফকিরাপুল বাজার, খিলগাঁও বাজার, মালিবাগ রেললাইন সংলগ্ন এবং মালিবাগ বাজারে প্রতিকেজি বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কচুর লতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কচুর মুখি ৮০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, ঢ়্যাঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা, গাজর (দেশি) ৮০ থেকে ৯০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ধন্দুল-চিচিংগা ৫০ টাকা, আলু ৪০ টাকা কেজিতে। জালি ৪০ টাকা পিস, লাউ ৪০ থেকে ৬০ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে। কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৬০ থেকে ৩৬০ টাকা। প্রতি ডজনে ১০ টাকা বেড়ে ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। মুরগি বিক্রেতা বোরহান উদ্দিন বলেন, মোকামে (পাইকার) মুরগির দাম বেশি তাই খুচরায় দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে দাম কম ছিল তাই ১৮০ টাকা কেজিতে ব্রয়লার বিক্রি করেছিলাম আজ আবার দাম বেশি হওয়ায় খুচরা বিক্রিতেও দাম বেড়েছে। সোহাগি আক্তার নামে এক ক্রেতা বলেন, গত সপ্তাহে একটা পণ্যের দাম কমছে তো আজ বাড়ছে। আর কোনো পণ্যের দাম একবার বাড়লে আর কমছে না। সে তুলনায় আমাদের আয় বাড়ছে না, এভাবে দরদাম বাড়ায় আমাদের টিকে থাক কঠিন হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, ইলিশে ভরা মৌসুমেও দাম চড়া। তবে গত সপ্তাহে দাম কমে ৫০০ গ্রাম ইলিশ ৯০০ টাকায় পাওয়া গেলেও আজ তা হাজার থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। জাটকা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা কেজি দরে। রুই-কাতলসহ অন্যান্য মাছ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। অপরিবর্তিত রয়েছে গরুর মাংস, খাসির মাংসের দাম। মাছ বিক্রেতা জসিম উদ্দিন বলেন, এখন ইলিশ মাছ নদীতে কম ধরা পড়ছে এ কারণে দাম বেশি। আড়তে অনেক বেশি দাম হওয়ায় অনেকেই মাছ আনার সাহস করছেন না। কারণ আনার পর যদি বেশি দামে ক্রেতা না কেনেন। সূত্র: জাগো নিউজ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×