হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সাবেক উপদেষ্টাদের দুর্নীতির প্রমাণ প্রকাশের চাপে বর্তমান মুখ্য সচিব আবদুস সাত্তার

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ৭ মার্চ – অন্তর্বর্তী সরকারের আট উপদেষ্টা ও দুই সচিবের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতির প্রমাণ নিজের কাছে থাকার দাবি করে গত বছর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন এ বি এম আবদুস সাত্তার। তৎকালীন সময়ে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব ছিলেন এবং বর্তমানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। যেহেতু তিনি এখন প্রশাসনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত এবং দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন, তাই সেই অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ ও বিচারের দাবি নতুন করে সামনে এসেছে।

এ প্রসঙ্গে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান জানিয়েছেন যে অভিযোগ উত্থাপনের সময়ই তথ্যপ্রমাণ জমা দেওয়া উচিত ছিল। এখন যেহেতু আবদুস সাত্তার প্রশাসনের শীর্ষ পদে আছেন, তাই দুদকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সেই প্রমাণ সরবরাহ করা তাঁর দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন যে সরকারি কর্মকর্তাদের সামনে করা ওই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করতে না পারলে নানা প্রশ্ন উঠতে পারে এবং দুদকেরও উচিত বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা। গত বছরের ৮ আগস্ট রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে আবদুস সাত্তার দাবি করেছিলেন যে উপদেষ্টাদের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া কোনো নিয়োগ বা বদলি হয় না।

আরও পড়ুন

টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

তিনি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকার কথা উল্লেখ করে বলেছিলেন যে একজন উপদেষ্টার পিয়নের অ্যাকাউন্টে চারশ কোটি এবং এপিএসের অ্যাকাউন্টে দুইশ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। ওই বক্তব্যে তিনি স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ কয়েকজনের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন। সে সময় সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক বিবৃতিতে ওই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও একে সাত্তারের ব্যক্তিগত বক্তব্য বলে উল্লেখ করেছিলেন। বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের বিরাশি ব্যাচের কর্মকর্তা আবদুস সাত্তারকে আওয়ামী লীগ সরকার অবসরে পাঠালেও পরে তিনি ভূতপূর্ব সচিব হিসেবে পদোন্নতি পান এবং বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে কর্মরত আছেন। তাঁর সেই আলোচিত বক্তব্যের জেরে অভিযুক্ত আট উপদেষ্টার নাম প্রকাশ ও তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

এস এম/ ৭ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সাবেক উপদেষ্টাদের দুর্নীতির প্রমাণ প্রকাশের চাপে বর্তমান মুখ্য সচিব আবদুস সাত্তার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সাবেক উপদেষ্টাদের দুর্নীতির প্রমাণ প্রকাশের চাপে বর্তমান মুখ্য সচিব আবদুস সাত্তার

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ৭ মার্চ – অন্তর্বর্তী সরকারের আট উপদেষ্টা ও দুই সচিবের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতির প্রমাণ নিজের কাছে থাকার দাবি করে গত বছর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন এ বি এম আবদুস সাত্তার। তৎকালীন সময়ে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব ছিলেন এবং বর্তমানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। যেহেতু তিনি এখন প্রশাসনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত এবং দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন, তাই সেই অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ ও বিচারের দাবি নতুন করে সামনে এসেছে।এ প্রসঙ্গে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান জানিয়েছেন যে অভিযোগ উত্থাপনের সময়ই তথ্যপ্রমাণ জমা দেওয়া উচিত ছিল। এখন যেহেতু আবদুস সাত্তার প্রশাসনের শীর্ষ পদে আছেন, তাই দুদকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সেই প্রমাণ সরবরাহ করা তাঁর দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন যে সরকারি কর্মকর্তাদের সামনে করা ওই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করতে না পারলে নানা প্রশ্ন উঠতে পারে এবং দুদকেরও উচিত বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা। গত বছরের ৮ আগস্ট রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে আবদুস সাত্তার দাবি করেছিলেন যে উপদেষ্টাদের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া কোনো নিয়োগ বা বদলি হয় না।তিনি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকার কথা উল্লেখ করে বলেছিলেন যে একজন উপদেষ্টার পিয়নের অ্যাকাউন্টে চারশ কোটি এবং এপিএসের অ্যাকাউন্টে দুইশ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। ওই বক্তব্যে তিনি স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ কয়েকজনের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন। সে সময় সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক বিবৃতিতে ওই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও একে সাত্তারের ব্যক্তিগত বক্তব্য বলে উল্লেখ করেছিলেন। বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের বিরাশি ব্যাচের কর্মকর্তা আবদুস সাত্তারকে আওয়ামী লীগ সরকার অবসরে পাঠালেও পরে তিনি ভূতপূর্ব সচিব হিসেবে পদোন্নতি পান এবং বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে কর্মরত আছেন। তাঁর সেই আলোচিত বক্তব্যের জেরে অভিযুক্ত আট উপদেষ্টার নাম প্রকাশ ও তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।এস এম/ ৭ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×