হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

হাদি হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয় ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ২৮ ডিসেম্বর – ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় একের পর এক নতুন তথ্য বেরিয়ে আসছে। তদন্তে জানা গেছে, ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে পরিকল্পনা করে প্রকাশ্যে গুলি করে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করা হয়। তদন্তকারীরা ধারণা করছেন, হত্যার পিছনে দেশ-বিদেশের কয়েকটি গ্রুপের সমন্বয় কাজ করেছে।

তদন্ত সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের মূল সন্দেহভাজন শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ ২১ জুলাই সিঙ্গাপুরে গিয়ে কয়েকজন পলাতক আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে বৈঠক করে। পাঁচদিন পর ২৬ জুলাই দেশে ফেরার আগেই পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয় বলে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য থেকে ধারণা পাওয়া গেছে। সিঙ্গাপুর গিয়ে ফয়সাল নিজেকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা পরিচয়ে প্রবেশ করেন এবং মালয়েশিয়া সীমান্তে গিয়ে বৈঠক করে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ফয়সালের ভ্রমণ তথ্য পাওয়া গেছে, তদন্ত সে অনুযায়ী এগোছে। তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত এখনই বলা যাচ্ছে না।

তদন্তে উঠে এসেছে, দেশে ফেরার পর স্ত্রী সাহেদা পারভীনকে ফয়সাল ইঙ্গিত দেন সামনে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যখন দেশে থাকা কঠিন হবে। পরিবারের জন্য একটি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৩০ লাখ টাকা রাখা আছে বলেও স্ত্রীকে জানান তিনি। একই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে ফয়সালের প্রেমিকা মারিয়া আক্তারের জিজ্ঞাসাবাদেও। হত্যার আগের রাতেই সাভারের মধুমতি মডেল টাউনে ফয়সাল, মোটরসাইকেলচালক আলমগীর ও মারিয়া সময় কাটান। সেদিন রাতে ফয়সাল মারিয়াকে বলেন, আগামীকাল এমন কিছু হবে, যা দেশ কাঁপিয়ে দেবে। তবে মারিয়া ঘটনার সম্পক্ততার অস্বীকার করে জানান, মূল ঘটনা সম্পর্কে ধারণা ছিলো না।

হত্যার পর ফয়সাল ও আলমগীরকে ভারতে পালিয়ে যেতে সহায়তা করে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুরের সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী (বাপ্পী)। তার ভগ্নিপতি আমিনুল ইসলামও সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। দুইজনকেই শনাক্ত করেছে পুলিশ। দালাল ফিলিপ স্নাল সীমান্তপথে পালিয়ে যাওয়ার সহযোগিতা করে। এর তার মাধ্যমে হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে হত্যার রাতেই ফয়সাল-আলমগীর ভারতে প্রবেশ করে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ১১ জনকে ডিবি ও র‍্যাব গ্রেপ্তার করেছে।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
এনএন/ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

হাদি হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয় ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

হাদি হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয় ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২৮ ডিসেম্বর – ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় একের পর এক নতুন তথ্য বেরিয়ে আসছে। তদন্তে জানা গেছে, ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে পরিকল্পনা করে প্রকাশ্যে গুলি করে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করা হয়। তদন্তকারীরা ধারণা করছেন, হত্যার পিছনে দেশ-বিদেশের কয়েকটি গ্রুপের সমন্বয় কাজ করেছে।তদন্ত সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের মূল সন্দেহভাজন শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ ২১ জুলাই সিঙ্গাপুরে গিয়ে কয়েকজন পলাতক আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে বৈঠক করে। পাঁচদিন পর ২৬ জুলাই দেশে ফেরার আগেই পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয় বলে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য থেকে ধারণা পাওয়া গেছে। সিঙ্গাপুর গিয়ে ফয়সাল নিজেকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা পরিচয়ে প্রবেশ করেন এবং মালয়েশিয়া সীমান্তে গিয়ে বৈঠক করে বলে জানা গেছে।ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ফয়সালের ভ্রমণ তথ্য পাওয়া গেছে, তদন্ত সে অনুযায়ী এগোছে। তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত এখনই বলা যাচ্ছে না।তদন্তে উঠে এসেছে, দেশে ফেরার পর স্ত্রী সাহেদা পারভীনকে ফয়সাল ইঙ্গিত দেন সামনে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যখন দেশে থাকা কঠিন হবে। পরিবারের জন্য একটি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৩০ লাখ টাকা রাখা আছে বলেও স্ত্রীকে জানান তিনি। একই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে ফয়সালের প্রেমিকা মারিয়া আক্তারের জিজ্ঞাসাবাদেও। হত্যার আগের রাতেই সাভারের মধুমতি মডেল টাউনে ফয়সাল, মোটরসাইকেলচালক আলমগীর ও মারিয়া সময় কাটান। সেদিন রাতে ফয়সাল মারিয়াকে বলেন, আগামীকাল এমন কিছু হবে, যা দেশ কাঁপিয়ে দেবে। তবে মারিয়া ঘটনার সম্পক্ততার অস্বীকার করে জানান, মূল ঘটনা সম্পর্কে ধারণা ছিলো না।হত্যার পর ফয়সাল ও আলমগীরকে ভারতে পালিয়ে যেতে সহায়তা করে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুরের সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী (বাপ্পী)। তার ভগ্নিপতি আমিনুল ইসলামও সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। দুইজনকেই শনাক্ত করেছে পুলিশ। দালাল ফিলিপ স্নাল সীমান্তপথে পালিয়ে যাওয়ার সহযোগিতা করে। এর তার মাধ্যমে হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে হত্যার রাতেই ফয়সাল-আলমগীর ভারতে প্রবেশ করে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ১১ জনকে ডিবি ও র‍্যাব গ্রেপ্তার করেছে।সূত্র: আরটিভি নিউজএনএন/ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×