হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

১৮ জনের বেশি আরএসও সদস্যকে হত্যার দাবি জানিয়ে জুনুনির ভিডিও বার্তা!

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩, ০৯:০৮ অপরাহ্ন

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সীমান্তের তুমব্রুর শূন্যরেখা এলাকায় গত ১৮ জানুয়ারি বিবদমান দুই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপ আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও আরাকান সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন আরসা কমান্ডার ইন চিফ আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনি।

শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে মো. সৈয়দ আলম নামে ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে আসেন তিনি।
ভিডিওতে আরসা কমান্ডার ইন চিফ আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনি দাবি করেছেন— ১৮ জানুয়ারির ওই সংঘর্ষে আরএসও’র ১৮ জনের বেশি সদস্য নিহত হয়েছেন। তবে এসময় আরসার একজন সদস্যও নিহত হয়নি বলে দাবি করেন জুনুনি।

এসময় আরসা প্রধান বলেন, ‘গত ১৮ জানুয়ারি ভোরে সীমান্তের তুমব্রুর শূন্যরেখায় আমাদের রোহিঙ্গা ভাইবোনদের ওপর যে হামলা হয়েছে ও ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে এটা নিয়ে আমি অনেক চিন্তিত ছিলাম। আসলে প্রকৃত ঘটনা জানানোর জন্য আমি ফেসবুক লাইভে এসেছি। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে ওই দিন আরএসও সদস্যরা বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের কোনারপাড়া নো-ম্যান্স ল্যান্ডের আশ্রয় শিবিরে থাকা রোহিঙ্গাদের হুমকি ও মারধরের চেষ্টা করে। এই খবরে আমি এবং দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। তাদের কাছ থেকে জিজ্ঞাসা করার চেষ্টা করি। তারপর তারা আমাদের সামনে রোহিঙ্গাদের মারধরের চেষ্টা করে। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা হলে আরএসও সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। আমরাও আমাদের জীবন রক্ষাতে পাল্টা গুলি ছুঁড়ি।’

তারপরের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আরসা প্রধান আরো বলেন, ‘আরএসও সদস্যরা রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা করবে সেটা আগে থেকে পরিকল্পনা করে আসছিল। যেটি আমরা বুঝতে পারেনি। তাদের কাছে ভারী অস্ত্র ছিল যেটি আমাদের কাছে ছিল না। তবে তা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে আমার দলের সদস্যরা কৌশলে সারাদিন যুদ্ধ করে। যেটিতে আমরা আলহামদুলিল্লাহ সফল হয়েছি। তাদের ৩টি পরিকল্পনা ছিল। যেগুলো আমাদের কাছে ধরা পড়ে। তারা মনে করেছিল আমরা তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করবো। কিন্তু আমরা করিনি। উল্টো আমরা তাদের কাবু করেছি।’

আরও পড়ুন

উখিয়ায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম, তিন ঘণ্টা ধরে সড়ক অবরোধ, আটকা কয়েক হাজার যানবাহন

ভিডিওতে আরসা প্রধান ভিডিও বার্তার এক পর্যায়ে উখিয়ায় র‌্যাবের হাতে আটক দুই জঙ্গির ঘটনাকে নাটক বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে তাদের আটক করে এনে কুতুপালং ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় এনে আরসা সদস্যসহ আমাকে ফাঁসানোর জন্য র‌্যাব এই ঘটনা ঘটিয়েছে।’

ওই ভিডিওতে দেখা যায়, একটি বিদেশি পিস্তল তার সামনে রেখে তার ব্যক্তিগত দেহরক্ষী পাশে নিয়ে শূন্যরেখার হামলা ও র‌্যাবের দুই জঙ্গি আটক নিয়ে বর্ণনা দিচ্ছেন আরসা প্রধান।

প্রসঙ্গত, আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনির জন্ম পাকিস্তানের করাচিতে। বাবা গোলাম শরীফ। সাত ভাই ও দুই বোনের মধ্যে অষ্টম তিনি। ৬ বছর বয়সে চলে যান সৌদি আরবের রিয়াদে। ইসলামি শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে শিক্ষকতা করেন মক্কা ও রিয়াদে। কিন্তু ২০১৩ সালে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি-আরসা’র প্রধান হিসেবে যোগ দেন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

১৮ জনের বেশি আরএসও সদস্যকে হত্যার দাবি জানিয়ে জুনুনির ভিডিও বার্তা!

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

১৮ জনের বেশি আরএসও সদস্যকে হত্যার দাবি জানিয়ে জুনুনির ভিডিও বার্তা!

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
Print Image
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সীমান্তের তুমব্রুর শূন্যরেখা এলাকায় গত ১৮ জানুয়ারি বিবদমান দুই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপ আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও আরাকান সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন আরসা কমান্ডার ইন চিফ আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনি। শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে মো. সৈয়দ আলম নামে ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে আসেন তিনি। ভিডিওতে আরসা কমান্ডার ইন চিফ আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনি দাবি করেছেন— ১৮ জানুয়ারির ওই সংঘর্ষে আরএসও’র ১৮ জনের বেশি সদস্য নিহত হয়েছেন। তবে এসময় আরসার একজন সদস্যও নিহত হয়নি বলে দাবি করেন জুনুনি। এসময় আরসা প্রধান বলেন, ‘গত ১৮ জানুয়ারি ভোরে সীমান্তের তুমব্রুর শূন্যরেখায় আমাদের রোহিঙ্গা ভাইবোনদের ওপর যে হামলা হয়েছে ও ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে এটা নিয়ে আমি অনেক চিন্তিত ছিলাম। আসলে প্রকৃত ঘটনা জানানোর জন্য আমি ফেসবুক লাইভে এসেছি। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে ওই দিন আরএসও সদস্যরা বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের কোনারপাড়া নো-ম্যান্স ল্যান্ডের আশ্রয় শিবিরে থাকা রোহিঙ্গাদের হুমকি ও মারধরের চেষ্টা করে। এই খবরে আমি এবং দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। তাদের কাছ থেকে জিজ্ঞাসা করার চেষ্টা করি। তারপর তারা আমাদের সামনে রোহিঙ্গাদের মারধরের চেষ্টা করে। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা হলে আরএসও সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। আমরাও আমাদের জীবন রক্ষাতে পাল্টা গুলি ছুঁড়ি।’ তারপরের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আরসা প্রধান আরো বলেন, ‘আরএসও সদস্যরা রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা করবে সেটা আগে থেকে পরিকল্পনা করে আসছিল। যেটি আমরা বুঝতে পারেনি। তাদের কাছে ভারী অস্ত্র ছিল যেটি আমাদের কাছে ছিল না। তবে তা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে আমার দলের সদস্যরা কৌশলে সারাদিন যুদ্ধ করে। যেটিতে আমরা আলহামদুলিল্লাহ সফল হয়েছি। তাদের ৩টি পরিকল্পনা ছিল। যেগুলো আমাদের কাছে ধরা পড়ে। তারা মনে করেছিল আমরা তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করবো। কিন্তু আমরা করিনি। উল্টো আমরা তাদের কাবু করেছি।’ ভিডিওতে আরসা প্রধান ভিডিও বার্তার এক পর্যায়ে উখিয়ায় র‌্যাবের হাতে আটক দুই জঙ্গির ঘটনাকে নাটক বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে তাদের আটক করে এনে কুতুপালং ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় এনে আরসা সদস্যসহ আমাকে ফাঁসানোর জন্য র‌্যাব এই ঘটনা ঘটিয়েছে।’ ওই ভিডিওতে দেখা যায়, একটি বিদেশি পিস্তল তার সামনে রেখে তার ব্যক্তিগত দেহরক্ষী পাশে নিয়ে শূন্যরেখার হামলা ও র‌্যাবের দুই জঙ্গি আটক নিয়ে বর্ণনা দিচ্ছেন আরসা প্রধান। প্রসঙ্গত, আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনির জন্ম পাকিস্তানের করাচিতে। বাবা গোলাম শরীফ। সাত ভাই ও দুই বোনের মধ্যে অষ্টম তিনি। ৬ বছর বয়সে চলে যান সৌদি আরবের রিয়াদে। ইসলামি শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে শিক্ষকতা করেন মক্কা ও রিয়াদে। কিন্তু ২০১৩ সালে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি-আরসা’র প্রধান হিসেবে যোগ দেন।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×