হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সাগর পাড়ি দিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় ১৮৪ জন রোহিঙ্গা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩, ০১:০৭ অপরাহ্ন


জাকার্তা, ২৭ মার্চ – মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশ ও বাংলাদেশের টেকনাফের শরণার্থী শিবির থেকে ১৮৪ জন রোহিঙ্গা নাগরিক নৌপথে ইন্দোনেশিয়ার উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় আচেহ প্রদেশে পৌঁছেছেন। তাদের মধ্যে অনেক নারী ও শিশু রয়েছে। রোববার (২৬ মার্চ) গভীর রাতে রোহিঙ্গাদের বহনকারী নৌকাগুলো পূর্ব আচেহ জেলায় পৌঁছায়।

জানা যায়, পূর্ব আচেহের পিউরেউলাক উপজেলার শহরের স্থানীয় বাসিন্দারা সোমবার (২৭ মার্চ) সকালে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ এসে দেখতে পায়, অবৈধভাবে প্রবেশ করা রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৯৪ জন পুরুষ, ৭০ জন নারী ও ২০টি শিশু রয়েছে।

আরও পড়ুন

সিলেট নগরীতে যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা

স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্র কামিল বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, রোববার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৩ টার দিকে রোহিঙ্গারা এখানে পৌঁছান। ঠিক কতগুলো নৌকায় করে তারা পূর্ব আচেহতে এসেছেন তা জানা যায়নি। তারা সবাই শারীরিকভাবে সবাই সুস্থ রয়েছে।

মায়ানমারে প্রবলভাবে নির্যাতিত হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলমানরা প্রতি বছর দীর্ঘ এবং ব্যয়বহুল সমুদ্র ভ্রমণে, প্রায়ই নিম্নমানের নৌকায়, মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছানোর প্রয়াসে তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে থাকে।

পিউরেউলাক উপজেলার প্রশাসক নাসরি বলেন, আমরা যখন এসব রোহিঙ্গাকে কূলে দেখতে পাই, তখন সমুদ্রে কোনো নৌকা ছিল না। শরণার্থীদের কয়েকজনকে শারীরিকভাবে বেশ দুর্বল দেখা যায়। তারা সম্ভবত টানা কয়েকদিন না খেয়ে ছিলেন।

পূর্ব আচেহ’র সামাজিক বিষয়ক সংস্থা সাহারানির এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানায়, অন্তত পাঁচ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অন্যদের আশ্রয়, খাবার ও চিকিৎসার জন্য স্থানী মসজিদে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানিয়েছে, তারা ইন্দোনেশিয়ায় নতুন আগত রোহিঙ্গাদের তথ্য সংগ্রহ করছে।

স্থানীয় কর্মকর্তারা শরণার্থীদের আশ্রয়ের বিষয়ে ইউএনএইচসিআর ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সাথে আলোচনা করছেন বলে জানা গেছে।

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ২ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে প্রবেশের চেষ্টা করেছেন। ঝুকিপূর্ণ এসব যাত্রায় গত বছর অন্তত ২০০ রোহিঙ্গা মারা গেছে বা নিখোঁজ হয়েছে।

সূত্র: জাগো নিউজ
আইএ/ ২৭ মার্চ ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সাগর পাড়ি দিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় ১৮৪ জন রোহিঙ্গা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সাগর পাড়ি দিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় ১৮৪ জন রোহিঙ্গা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩, ০১:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] জাকার্তা, ২৭ মার্চ – মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশ ও বাংলাদেশের টেকনাফের শরণার্থী শিবির থেকে ১৮৪ জন রোহিঙ্গা নাগরিক নৌপথে ইন্দোনেশিয়ার উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় আচেহ প্রদেশে পৌঁছেছেন। তাদের মধ্যে অনেক নারী ও শিশু রয়েছে। রোববার (২৬ মার্চ) গভীর রাতে রোহিঙ্গাদের বহনকারী নৌকাগুলো পূর্ব আচেহ জেলায় পৌঁছায়। জানা যায়, পূর্ব আচেহের পিউরেউলাক উপজেলার শহরের স্থানীয় বাসিন্দারা সোমবার (২৭ মার্চ) সকালে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ এসে দেখতে পায়, অবৈধভাবে প্রবেশ করা রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৯৪ জন পুরুষ, ৭০ জন নারী ও ২০টি শিশু রয়েছে। স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্র কামিল বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, রোববার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৩ টার দিকে রোহিঙ্গারা এখানে পৌঁছান। ঠিক কতগুলো নৌকায় করে তারা পূর্ব আচেহতে এসেছেন তা জানা যায়নি। তারা সবাই শারীরিকভাবে সবাই সুস্থ রয়েছে। মায়ানমারে প্রবলভাবে নির্যাতিত হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলমানরা প্রতি বছর দীর্ঘ এবং ব্যয়বহুল সমুদ্র ভ্রমণে, প্রায়ই নিম্নমানের নৌকায়, মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছানোর প্রয়াসে তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে থাকে। পিউরেউলাক উপজেলার প্রশাসক নাসরি বলেন, আমরা যখন এসব রোহিঙ্গাকে কূলে দেখতে পাই, তখন সমুদ্রে কোনো নৌকা ছিল না। শরণার্থীদের কয়েকজনকে শারীরিকভাবে বেশ দুর্বল দেখা যায়। তারা সম্ভবত টানা কয়েকদিন না খেয়ে ছিলেন। পূর্ব আচেহ’র সামাজিক বিষয়ক সংস্থা সাহারানির এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানায়, অন্তত পাঁচ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অন্যদের আশ্রয়, খাবার ও চিকিৎসার জন্য স্থানী মসজিদে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানিয়েছে, তারা ইন্দোনেশিয়ায় নতুন আগত রোহিঙ্গাদের তথ্য সংগ্রহ করছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা শরণার্থীদের আশ্রয়ের বিষয়ে ইউএনএইচসিআর ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সাথে আলোচনা করছেন বলে জানা গেছে। ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ২ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে প্রবেশের চেষ্টা করেছেন। ঝুকিপূর্ণ এসব যাত্রায় গত বছর অন্তত ২০০ রোহিঙ্গা মারা গেছে বা নিখোঁজ হয়েছে। সূত্র: জাগো নিউজআইএ/ ২৭ মার্চ ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×