হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

নামাজের ইমাম স্কটল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী – DesheBideshe

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন


এডিনবার্গ, ৩০ মার্চ – স্কটল্যান্ডের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হামজা ইউসুফ। সেই সঙ্গে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হামজা ইউসুফ স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটির সর্বকনিষ্ঠ নেতাও।

সোমবার ক্ষমতাসীন স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির (এসএনসি) নেতা নির্বাচিত হন। আর দলীয় প্রধান হিসেবে তিনিই স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার (প্রধানমন্ত্রী বা সরকারপ্রধান)। এর পর মঙ্গলবার স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার হিসেবে শপথ নেন তিনি।

আরও পড়ুন

ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজ না থাকায় ৬২৭ কোটি রুপি পর্যন্ত লোকসানের শঙ্কায় ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড

ইয়ানি শাফাক জানিয়েছে, মঙ্গলবার ফার্স্ট মিনিস্টার হিসেবে শপথ নেওয়ার পর স্কটিশ নেতার সরকারি বাসভবন বুট হাউসে উঠেছেন। সরকারি বাসভবনে প্রথম রাতেই নামাজে ইমামতি করেন তিনি।

সরকারি বাসভবনে প্রথম রাতের কিছু ছবি সামাজিকমাধ্যমে শেয়ার করেছেন হামজা নিজেই।

টুইটারে শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, ইউসুফ তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসে আছেন। ইউসুফের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন তার বাবা মুজাফফর ইউসুফ, মা শায়েস্তা ভুট্ট, স্ত্রী নাদিয়া এবং দুই মেয়ে।

অপর একটি ছবিতে তাকে নামাজে ইমামতি করতে দেখা যায়।

পোস্টে হামজা ইউসুফ লিখেছেন, ‘আজকের সংসদীয় ভোটের পর আমার পরিবার এবং আমি আমাদের প্রথম রাত বুট হাউসে কাটাচ্ছি। একটি বিশেষ মুহূর্ত, যা প্রথা অনুযায়ী একসঙ্গে ইফতারের পর বুট হাউসে আমার পরিবারের সদস্যদের প্রার্থনায় নেতৃত্ব দেওয়া’।

স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টারের সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে দুনিয়াজুড়ে বিশেষ করে পাকিস্তানসহ মুসলিম দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে।

৩৭ বছর বয়সি এ মুসলিম স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির (এসএনপি) তরুণ নেতা। ইউসুফের বাবা পাকিস্তানের নাগরিক। অন্যদিকে, তার মা কেনিয়াতে দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত একটি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬০ সালে তার দাদা-দাদি পাকিস্তান থেকে ব্রিটেনে পাড়ি জমান। যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে জন্ম নেন হামজা ইউসুফ।

২০১১ সালে তিনি প্রথমবার দেশটির এমপি নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি ইংরেজি ও উর্দুতে শপথ নেন।

২০১২ সালে স্কটিশ সরকারের একজন জুনিয়র মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন ইউসুফ। সেই সময়ে স্কটল্যান্ডে নিযুক্ত হওয়া সর্বকনিষ্ঠ এবং প্রথম জাতিগত সংখ্যালঘু মুসলিম মন্ত্রী হয়েছিলেন তিনি। এর পর ২০১৮ সালে বিচারবিষয়ক সচিব (সেক্রেটারি ফর জাস্টিস) হয়ে মন্ত্রিসভায় যোগ দেন এবং ২০২১ সালের মে মাসে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদে নিযুক্ত হন।

সূত্র: যুগান্তর
আইএ/ ৩০ মার্চ ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

নামাজের ইমাম স্কটল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী – DesheBideshe

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

নামাজের ইমাম স্কটল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী – DesheBideshe

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] এডিনবার্গ, ৩০ মার্চ – স্কটল্যান্ডের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হামজা ইউসুফ। সেই সঙ্গে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হামজা ইউসুফ স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটির সর্বকনিষ্ঠ নেতাও। সোমবার ক্ষমতাসীন স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির (এসএনসি) নেতা নির্বাচিত হন। আর দলীয় প্রধান হিসেবে তিনিই স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার (প্রধানমন্ত্রী বা সরকারপ্রধান)। এর পর মঙ্গলবার স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার হিসেবে শপথ নেন তিনি। ইয়ানি শাফাক জানিয়েছে, মঙ্গলবার ফার্স্ট মিনিস্টার হিসেবে শপথ নেওয়ার পর স্কটিশ নেতার সরকারি বাসভবন বুট হাউসে উঠেছেন। সরকারি বাসভবনে প্রথম রাতেই নামাজে ইমামতি করেন তিনি। সরকারি বাসভবনে প্রথম রাতের কিছু ছবি সামাজিকমাধ্যমে শেয়ার করেছেন হামজা নিজেই। টুইটারে শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, ইউসুফ তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসে আছেন। ইউসুফের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন তার বাবা মুজাফফর ইউসুফ, মা শায়েস্তা ভুট্ট, স্ত্রী নাদিয়া এবং দুই মেয়ে। অপর একটি ছবিতে তাকে নামাজে ইমামতি করতে দেখা যায়। পোস্টে হামজা ইউসুফ লিখেছেন, ‘আজকের সংসদীয় ভোটের পর আমার পরিবার এবং আমি আমাদের প্রথম রাত বুট হাউসে কাটাচ্ছি। একটি বিশেষ মুহূর্ত, যা প্রথা অনুযায়ী একসঙ্গে ইফতারের পর বুট হাউসে আমার পরিবারের সদস্যদের প্রার্থনায় নেতৃত্ব দেওয়া’। স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টারের সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে দুনিয়াজুড়ে বিশেষ করে পাকিস্তানসহ মুসলিম দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে। ৩৭ বছর বয়সি এ মুসলিম স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির (এসএনপি) তরুণ নেতা। ইউসুফের বাবা পাকিস্তানের নাগরিক। অন্যদিকে, তার মা কেনিয়াতে দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত একটি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬০ সালে তার দাদা-দাদি পাকিস্তান থেকে ব্রিটেনে পাড়ি জমান। যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে জন্ম নেন হামজা ইউসুফ। ২০১১ সালে তিনি প্রথমবার দেশটির এমপি নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি ইংরেজি ও উর্দুতে শপথ নেন। ২০১২ সালে স্কটিশ সরকারের একজন জুনিয়র মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন ইউসুফ। সেই সময়ে স্কটল্যান্ডে নিযুক্ত হওয়া সর্বকনিষ্ঠ এবং প্রথম জাতিগত সংখ্যালঘু মুসলিম মন্ত্রী হয়েছিলেন তিনি। এর পর ২০১৮ সালে বিচারবিষয়ক সচিব (সেক্রেটারি ফর জাস্টিস) হয়ে মন্ত্রিসভায় যোগ দেন এবং ২০২১ সালের মে মাসে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদে নিযুক্ত হন। সূত্র: যুগান্তরআইএ/ ৩০ মার্চ ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×