হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সূচকে বাংলাদেশের পাঁচ ধাপ উন্নতি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ২০ নভেম্বর – মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন ঝুঁকি নিরূপণ ইনডেক্স-২০২৩ প্রকাশ করেছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক দ্য ব্যাসেল ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স বাসেল অ্যান্টি মানি লন্ডারিং (এএমএল)। এতে পাঁচ ধাপ উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের।

সোমবার (২০ নভেম্বর) বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন

অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৩ নভেম্বর সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক দ্য ব্যাসেল ইনস্টিটিউট অন গভর্নেন্স বিশ্বের ১৫২টি দেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন ঝুঁকি নিরূপণ করে এ ইনডেক্স প্রকাশ করে। এই তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের পাঁচ ধাপ উন্নতি হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে বাংলাদেশের ৮ ধাপ উন্নতি হয়েছিল।

মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের সূচকে ২০২৩ সালে বাংলাদেশের অবস্থা হলো ৪৬ নম্বরে। আগের বছর ২০২২ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪১ নম্বরে। নতুন সূচক মোতাবেক সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের মধ্যে রয়েছে ১. হাইতি, ২. শাদ, ৩. মিয়ানমার, ৪. কঙ্গো। সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ আইসল্যান্ড ১৫২তম স্থানে রয়েছে। এ ছাড়া এই তালিকায় চীনের অবস্থান ২৭, পাকিস্তান ৬১ ও শ্রীলঙ্কা ৬২তম অবস্থানে রয়েছে। আর প্রভাবশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ১১৯ ও যুক্তরাজ্য রয়েছে ১৪০তম স্থানে। ২০২২ সালের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এটি তৈরি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, দ্য ব্যাসেল ইনস্টিটিউট অন গভার্নেন্স গত ১২ বছর ধরে কোনো একটি দেশের যে ৫টি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে ব্যাসেল এএমএল ইনডেক্স নির্ধারণ করে থাকে সেগুলো হলো- মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার পরিপালন (৬৫ শতাংশ); ঘুষ ও দুর্নীতি (১০ শতাংশ); আর্থিক স্বচ্ছতা ও মানদণ্ড (১০ শতাংশ); স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা (৫ শতাংশ); এবং আইনগত ও রাজনৈতিক ঝুঁকি (১০ শতাংশ)।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
আইএ/ ২০ নভেম্বর ২০২৩

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সূচকে বাংলাদেশের পাঁচ ধাপ উন্নতি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সূচকে বাংলাদেশের পাঁচ ধাপ উন্নতি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২০ নভেম্বর – মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন ঝুঁকি নিরূপণ ইনডেক্স-২০২৩ প্রকাশ করেছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক দ্য ব্যাসেল ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স বাসেল অ্যান্টি মানি লন্ডারিং (এএমএল)। এতে পাঁচ ধাপ উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। সোমবার (২০ নভেম্বর) বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৩ নভেম্বর সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক দ্য ব্যাসেল ইনস্টিটিউট অন গভর্নেন্স বিশ্বের ১৫২টি দেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন ঝুঁকি নিরূপণ করে এ ইনডেক্স প্রকাশ করে। এই তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের পাঁচ ধাপ উন্নতি হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে বাংলাদেশের ৮ ধাপ উন্নতি হয়েছিল। মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের সূচকে ২০২৩ সালে বাংলাদেশের অবস্থা হলো ৪৬ নম্বরে। আগের বছর ২০২২ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪১ নম্বরে। নতুন সূচক মোতাবেক সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের মধ্যে রয়েছে ১. হাইতি, ২. শাদ, ৩. মিয়ানমার, ৪. কঙ্গো। সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ আইসল্যান্ড ১৫২তম স্থানে রয়েছে। এ ছাড়া এই তালিকায় চীনের অবস্থান ২৭, পাকিস্তান ৬১ ও শ্রীলঙ্কা ৬২তম অবস্থানে রয়েছে। আর প্রভাবশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ১১৯ ও যুক্তরাজ্য রয়েছে ১৪০তম স্থানে। ২০২২ সালের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এটি তৈরি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, দ্য ব্যাসেল ইনস্টিটিউট অন গভার্নেন্স গত ১২ বছর ধরে কোনো একটি দেশের যে ৫টি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে ব্যাসেল এএমএল ইনডেক্স নির্ধারণ করে থাকে সেগুলো হলো- মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার পরিপালন (৬৫ শতাংশ); ঘুষ ও দুর্নীতি (১০ শতাংশ); আর্থিক স্বচ্ছতা ও মানদণ্ড (১০ শতাংশ); স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা (৫ শতাংশ); এবং আইনগত ও রাজনৈতিক ঝুঁকি (১০ শতাংশ)। সূত্র: বাংলাদেশ জার্নালআইএ/ ২০ নভেম্বর ২০২৩

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×