হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

হিজাব-নিকাব পরা ছাত্রীদের জন্য ঢাবির নতুন সিদ্ধান্ত

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ০৭ মার্চ – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষক, নারী কর্মকর্তা ও নারী কর্মচারীদের মাধ্যমে নেকাব ও হিজাব পরিহিত ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তাছাড়া পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্টিং বা বায়োমেট্রিক সিস্টেম চালুর সম্ভাব্যতার বিষয়টি যথাসময়ে যাচাই করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) উপাচার্যের সভাকক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ডিনস্ কমিটির এক সভায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই

ঢাবি জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা বিবেচনায় রেখে নারী শিক্ষক/নারী কর্মকর্তা/নারী কর্মচারীদের মাধ্যমে নেকাব ও হিজাব পরিহিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্তকরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনে নারী সহকারী প্রক্টরের সহযোগিতা নেওয়া হবে। পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্টিং বা বায়োমেট্রিক সিস্টেম চালুর সম্ভাব্যতার বিষয়টি যথাসময়ে যাচাই করা হবে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের তৃতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা চলাকালে তাহমিনা তামান্না নামের এক ছাত্রীর পরিচয় শনাক্তে নেকাব খুলতে বলেন বিভাগের এক শিক্ষক। পরে বিভাগের চেয়ারম্যান এসে তার নেকাব খুলতে বললে নেকাব খুলবেন না বলে জানান ওই ছাত্রী। পরে নারী শিক্ষকের উপস্থিতিতে তার নেকাব খুলে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

এ ঘটনায় সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের পরিচয় শনাক্তের সামগ্রিক সিস্টেমের বিরোধিতা করেন তাহমিনা তামান্না। এসময় তিনি তিন দফা দাবি জানান। দাবিগুলো হলো–

৩. ইতোপূর্বে নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘটিত প্রতিটি নিপীড়ন ও হেনস্তার যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে সব নিপীড়কের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ০৭ মার্চ ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

হিজাব-নিকাব পরা ছাত্রীদের জন্য ঢাবির নতুন সিদ্ধান্ত

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

হিজাব-নিকাব পরা ছাত্রীদের জন্য ঢাবির নতুন সিদ্ধান্ত

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ০৭ মার্চ – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষক, নারী কর্মকর্তা ও নারী কর্মচারীদের মাধ্যমে নেকাব ও হিজাব পরিহিত ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তাছাড়া পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্টিং বা বায়োমেট্রিক সিস্টেম চালুর সম্ভাব্যতার বিষয়টি যথাসময়ে যাচাই করা হবে বলে জানানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) উপাচার্যের সভাকক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ডিনস্ কমিটির এক সভায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।ঢাবি জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা বিবেচনায় রেখে নারী শিক্ষক/নারী কর্মকর্তা/নারী কর্মচারীদের মাধ্যমে নেকাব ও হিজাব পরিহিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্তকরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনে নারী সহকারী প্রক্টরের সহযোগিতা নেওয়া হবে। পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্টিং বা বায়োমেট্রিক সিস্টেম চালুর সম্ভাব্যতার বিষয়টি যথাসময়ে যাচাই করা হবে।প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের তৃতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা চলাকালে তাহমিনা তামান্না নামের এক ছাত্রীর পরিচয় শনাক্তে নেকাব খুলতে বলেন বিভাগের এক শিক্ষক। পরে বিভাগের চেয়ারম্যান এসে তার নেকাব খুলতে বললে নেকাব খুলবেন না বলে জানান ওই ছাত্রী। পরে নারী শিক্ষকের উপস্থিতিতে তার নেকাব খুলে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।এ ঘটনায় সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের পরিচয় শনাক্তের সামগ্রিক সিস্টেমের বিরোধিতা করেন তাহমিনা তামান্না। এসময় তিনি তিন দফা দাবি জানান। দাবিগুলো হলো–৩. ইতোপূর্বে নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘটিত প্রতিটি নিপীড়ন ও হেনস্তার যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে সব নিপীড়কের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।সূত্র: ঢাকা পোস্টএনএন/ ০৭ মার্চ ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×