কুমিল্লা, ০৭ সেপ্টেম্বর – এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘কোনো হোন্ডা-গুণ্ডার রাজনীতি আর চলবে না। ‘১০টা হোন্ডা, ২০টা গুন্ডা নির্বাচন ঠাণ্ডা’ এদিন আমরা ৫ আগস্টে শেষ করে এসেছি। বিষয়টা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছিল যার পিছনে যত গুন্ডা, সে তত বড় নেতা। কিন্তু নেতৃত্ব ব্যাপারটা ভিন্ন। হোন্ডা-গুন্ডা দিয়ে নেতৃত্ব বাছাইয়ের সময় শেষ হয়ে গেছে। নেতৃত্ব তৈরি হবে নেতার গুণাবলি থেকে।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এনসিপির ‘উঠানে নতুন সংবিধান’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেবীদ্বার উপজেলার বড়কামতা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণখাড়া গ্রামে এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এনসিপি হল ইনসাফের পক্ষে। আপনি যদি ইনসাফের পক্ষে থাকেন তাহলে ধরে নিবো আপনি এনসিপির পক্ষের লোক। এসিপি করে বেইনসাফি কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। এনসিপির নেতা হয়ে বেইনসাফি কাজ করে প্রোগ্রামে হাজার হাজার লোক নিয়ে আসেন সেটা আমাদের দরকার নেই।’
তিনি বলেন, ‘সত্যের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প্রতিটা গ্রাম মহল্লা ইউনিয়ন ভিত্তিক সবাইকে এক হয়ে অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। অবিচার অনাচারের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এনসিপি সর্বদা সত্যের পক্ষে আছে। আপনারা সত্যের পথে থাকলে ন্যায়ের পথে থাকলে আমি হাসনাত আব্দুল্লাহ সর্বদা আপনাদের পাশে থাকবো। অপরাধ করতে শক্তির প্রয়োজন। রাজনৈতিক ব্যাকআপ নিয়ে স্থানীয়ভাবে নেতাকর্মীরা অপরাধী হয়ে ওঠে। গ্রাম পর্যায়ে মানুষজন যদি অন্যায়ের বিপক্ষে সংঘবদ্ধ হয়ে দাঁড়ায় তখন অপরাধীরা আর সাহস পাবে না।’
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘যারা অপরাধ দমন করবে তাদেরই অপরাধীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক। অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে থানায় যাবেন গিয়ে দেখবেন সেই অপরাধী পুলিশের সঙ্গে চা খায়। আপনি থানায় ঢুকতে পারবেন না। পুলিশের ও দোষ নেই, স্থানীয় এমপির কথা না শুনলে পুলিশকে খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি ট্রান্সফারের ভয় দেখায়।’




মন্তব্য করুন