টেকনাফে চাকরির প্রলোভনে ডেকে এনে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িত ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫ এর সদস্যরা।এসময় তাদের কাছ থেকে সুইচ গিয়ার চাকু,লাঠি,লোহার রড,ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক (টমটম) ও নিহত ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন,টেকনাফ নতুন পল্লান পাড়ার মোহাম্মদ ইসলামের ছেলে মোঃ ইয়াছিন ওরফে সাইফুল(৩২),একই এলাকার সৈয়দ করিমের ছেলে মোঃ ইয়াছিন ওরফে কালু (১৮) ও নজির আহমদের ছেলে সাহাব উদ্দিন(৩১)।
র্যাব-১৫ কক্সবাজার ক্যাম্পের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মো:কামরুল হাসান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান,দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ অপহরণ চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন অ্যাপসের মাধ্যমে বিদেশে পাঠানো কিংবা খামারে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সহজ-সরল যুবকদের অপহরণ করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় রাঙামাটির সুজন চাকমাকে চাকরির প্রলোভনে টেকনাফে ডেকে আনে চক্রটি।
গত ৩০আগস্ট সকালে শাপলা চত্বর থেকে তাকে ইজিবাইক (টমটম) করে নিয়ে যায় অপহরণকারীরা।
টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
পরে ৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। নির্যাতনে তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হলেও ৩১আগস্ট রাতে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় শাপলা চত্বরে ফেলে পালিয়ে যায় অপহরণকারীরা। এরপরদিন ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সুজন চাকমা।
তিনি আরও জানান,এ ঘটনায় টেকনাফ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।পরে র্যাব-১৫ এর গোয়েন্দা তৎপরতায় টেকনাফের নতুন পল্লান পাড়া থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপহরণচক্রের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।র্যাব জানায়,এ চক্রের মূল হোতা আয়াত উল্লাহ এখনো পলাতক রয়েছে।
তিনি আরও জানান,উদ্ধারকৃত ইজিবাইক ও অন্য আলামতসহ গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।




মন্তব্য করুন