হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চকরিয়ায় পৃথক দুটি হত্যাকাণ্ডে ভাতিজার হাতে চাচা ও গ্যারেজ মালিককে অপহরণের পর পিটিয়ে হত্যা

এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া::

এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া::

শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:১১ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ও বদরখালী ইউনিয়নে পৃথর্ক দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভাতিজার হাতে ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন বদরখালীর বাসিন্দা সিএনজি অটোরিকশা চালক হারুনর রশীদ (৪৫)।

অপরদিকে কাকারা ইউনিয়নে অপহরণের পর দৃবৃর্ত্তরা পিটিয়ে হত্যা করেছে গিয়াস উদ্দিন (৪২) নামে ইজিবাইক গ্যারেজ মালিককে। শনিবার সকালে চকরিয়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে নিহত দুইজনের লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

ঘটনার পর থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করতে না পারলেও ঘটনায় জড়িতদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে চকরিয়া থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার।

চকরিয়া থানা পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্র জানায়, শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে চকরিয়া উপজেলার উপকূলীয় বদরখালী ইউনিয়নের ফুলতলা এলাকায় সিএনজি অটোরিকশা চালক হারুনুর রশীদ ও বড় ভাই শেখ আহমদের মধ্যে জায়গার বিরোধ নিয়ে ঝগড়া হচ্ছিল। এ সময় শেখ আহমদের ছেলে সন্ত্রাসী খোকা অতর্কিত এসে চাচা হারুনুর রশীদকে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।
নিহত হারুণুর রশীদ (৪৫) বদরখালী ইউনিয়নের ফুলতলা গ্রামের ছাবের আহমদের পুত্র। এই ঘটনার পর থেকে বড় ভাই শেখ আহমদ ও তার ছেলে খোকা পলাতক রয়েছে।

আরও পড়ুন

অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই

অপরদিকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিন (৪২) নামের ইজিবাইক (টমটম) গ্যারেজের মালিককে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে দুবৃর্ত্তরা। পরে তাঁর লাশ ফেলে দেওয়া হয় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার মাতামুহুরী সেতুর কাছে সড়কের পাশে।

শনিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে গিয়াস উদ্দিনের লাশ সড়কের পাশে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশের খবর দেয়। পরে চকরিয়া পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে বিবস্ত্র অবস্থায় লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

অপহরণের পর খুনের শিকার গিয়াস উদ্দিন চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের দিঘির পাড়ের গোলাম কাদেরের ছেলে।

নিহ গিয়াস উদ্দিনের পরিবার সদস্যরা জানান- শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে স্থানীয় মিন্টুসহ মোটরসাইকেল যোগে চিরিঙ্গা পৌরশহরে যান গিয়াস উদ্দিন। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা জনৈক তৌহিদের নেতৃত্বে পাঁচজন মিলে কারগাড়ি নিয়ে মাতামুহুরী সেতু এলাকায় এসে মোটরসাইকেলকে ব্যারিকেড দেয়।

এ সময় কার গাড়িতে আগে থেকে উৎপেতে থাকা দুবৃর্ত্তরা নেমে মোটরসাইকেল আরোহী মিন্টুকে বন্দুকের ভয় দেখিয়ে দূরে দাঁড় করিয়ে রেখে গিয়াস উদ্দিনকে কার গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এর পর ‎মিন্টু ঘটনাস্থল থেকে গিয়ে বিষয়টি পরিবারকে জানায়।

‎নিহতের স্ত্রী জান্নাতুল নাঈম বলেন, ‘আমার স্বামীকে অপহরণের বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে জানানোর পরে থানায় অবগত করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করে। এরমধ্যে শনিবার ভোরে মহাসড়কের মাতামুহুরী সেতু এলাকা থেকে আমার স্বামীর লাশ উদ্ধার করেন চকরিয়া থানার পুলিশ।’

‎গিয়াস উদ্দিনের মা আনোয়ারা বেগম কান্না করতে করতে জানান, মহাসড়কের পাশে স্থানীয় দিঘির পাড়ে আমার ছেলের টমটম গাড়ির চার্জিং স্টেশন রয়েছে। এখানে যেসব গাড়ি চার্জ দিতে আসে তাদেরকে টার্গেট করে আসছিলেন চকরিয়া পৌরসভার করাইয়াঘোনা থেকে আমাদের এলাকায় এসে নতুন বাড়ি করা সন্ত্রাসী ও গরুচোরের হোতা তৌহিদ। সে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক সংঘটিত করতে উঠতি বয়সের টোকাই ছেলেদের নিয়ে গ্যাং তৈরি করে। সেই গ্যাং দিয়ে তৌহিদ গরু চুরি, মানুষের বাড়িঘরে ডাকাতি, ছিনতাইসহ নানা অপকর্ম করে আসছিল।

নিহতের পরিবার সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, তৌহিদের নানাধরণের অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছিলেন গিয়াস উদ্দিন। ইতোপূর্বে তৌহিদের নেতৃত্বে গ্যাংটি হামলা করে গিয়াস উদ্দিনের ওপর। এই ঘটনায় থানায় মামলা করলে ক্ষিপ্ত হন সন্ত্রাসী তৌহিদ ও তার সহযোগীরা। মুলত এ ঘটনার জেরধরে গিয়াস উদ্দিনকে অপহরণের পর হত্যা করে লাশ মাতামুহুরী সেতুর কাছে ফেলে দিয়েছেন সন্ত্রাসীরা।

‎চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, স্থানীয়ভাবে পূর্বশত্রুতার ও পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এই দুটি খুনের ঘটনা ঘটেছে। টমটম গ্যারেজ মালিককে টর্চলাইট দিয়ে মাথায় আঘাতের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। অপরদিকে বদরখালীতে ভাতিজা কর্তৃক আপন চাচাকে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়েছে।

ওসি বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ দুটি উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। পৃথক এই খুনের ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তিসাপেক্ষে পরবর্তী মামলা রুজু করা হবে।

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) এএসপি অভিজিৎ দাশ বলেন, দুইটি হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে চলে গেছে। পুলিশ জড়িত এসব অপরাধীকে ধরতে অভিযান শুরু করেছে। আশাকরি সহসা ঘটনায় জড়িত ঘাতকরা পুলিশের হাতে ধরা পড়বে। ##

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

চকরিয়ায় পৃথক দুটি হত্যাকাণ্ডে ভাতিজার হাতে চাচা ও গ্যারেজ মালিককে অপহরণের পর পিটিয়ে হত্যা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চকরিয়ায় পৃথক দুটি হত্যাকাণ্ডে ভাতিজার হাতে চাচা ও গ্যারেজ মালিককে অপহরণের পর পিটিয়ে হত্যা

প্রতিবেদক: এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া:: | প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:১১ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ও বদরখালী ইউনিয়নে পৃথর্ক দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভাতিজার হাতে ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন বদরখালীর বাসিন্দা সিএনজি অটোরিকশা চালক হারুনর রশীদ (৪৫)। অপরদিকে কাকারা ইউনিয়নে অপহরণের পর দৃবৃর্ত্তরা পিটিয়ে হত্যা করেছে গিয়াস উদ্দিন (৪২) নামে ইজিবাইক গ্যারেজ মালিককে। শনিবার সকালে চকরিয়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে নিহত দুইজনের লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। ঘটনার পর থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করতে না পারলেও ঘটনায় জড়িতদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে চকরিয়া থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার। চকরিয়া থানা পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্র জানায়, শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে চকরিয়া উপজেলার উপকূলীয় বদরখালী ইউনিয়নের ফুলতলা এলাকায় সিএনজি অটোরিকশা চালক হারুনুর রশীদ ও বড় ভাই শেখ আহমদের মধ্যে জায়গার বিরোধ নিয়ে ঝগড়া হচ্ছিল। এ সময় শেখ আহমদের ছেলে সন্ত্রাসী খোকা অতর্কিত এসে চাচা হারুনুর রশীদকে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। নিহত হারুণুর রশীদ (৪৫) বদরখালী ইউনিয়নের ফুলতলা গ্রামের ছাবের আহমদের পুত্র। এই ঘটনার পর থেকে বড় ভাই শেখ আহমদ ও তার ছেলে খোকা পলাতক রয়েছে। অপরদিকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিন (৪২) নামের ইজিবাইক (টমটম) গ্যারেজের মালিককে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে দুবৃর্ত্তরা। পরে তাঁর লাশ ফেলে দেওয়া হয় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার মাতামুহুরী সেতুর কাছে সড়কের পাশে। শনিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে গিয়াস উদ্দিনের লাশ সড়কের পাশে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশের খবর দেয়। পরে চকরিয়া পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে বিবস্ত্র অবস্থায় লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। অপহরণের পর খুনের শিকার গিয়াস উদ্দিন চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের দিঘির পাড়ের গোলাম কাদেরের ছেলে। নিহ গিয়াস উদ্দিনের পরিবার সদস্যরা জানান- শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে স্থানীয় মিন্টুসহ মোটরসাইকেল যোগে চিরিঙ্গা পৌরশহরে যান গিয়াস উদ্দিন। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা জনৈক তৌহিদের নেতৃত্বে পাঁচজন মিলে কারগাড়ি নিয়ে মাতামুহুরী সেতু এলাকায় এসে মোটরসাইকেলকে ব্যারিকেড দেয়। এ সময় কার গাড়িতে আগে থেকে উৎপেতে থাকা দুবৃর্ত্তরা নেমে মোটরসাইকেল আরোহী মিন্টুকে বন্দুকের ভয় দেখিয়ে দূরে দাঁড় করিয়ে রেখে গিয়াস উদ্দিনকে কার গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এর পর ‎মিন্টু ঘটনাস্থল থেকে গিয়ে বিষয়টি পরিবারকে জানায়। ‎নিহতের স্ত্রী জান্নাতুল নাঈম বলেন, ‘আমার স্বামীকে অপহরণের বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে জানানোর পরে থানায় অবগত করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করে। এরমধ্যে শনিবার ভোরে মহাসড়কের মাতামুহুরী সেতু এলাকা থেকে আমার স্বামীর লাশ উদ্ধার করেন চকরিয়া থানার পুলিশ।’ ‎গিয়াস উদ্দিনের মা আনোয়ারা বেগম কান্না করতে করতে জানান, মহাসড়কের পাশে স্থানীয় দিঘির পাড়ে আমার ছেলের টমটম গাড়ির চার্জিং স্টেশন রয়েছে। এখানে যেসব গাড়ি চার্জ দিতে আসে তাদেরকে টার্গেট করে আসছিলেন চকরিয়া পৌরসভার করাইয়াঘোনা থেকে আমাদের এলাকায় এসে নতুন বাড়ি করা সন্ত্রাসী ও গরুচোরের হোতা তৌহিদ। সে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক সংঘটিত করতে উঠতি বয়সের টোকাই ছেলেদের নিয়ে গ্যাং তৈরি করে। সেই গ্যাং দিয়ে তৌহিদ গরু চুরি, মানুষের বাড়িঘরে ডাকাতি, ছিনতাইসহ নানা অপকর্ম করে আসছিল। নিহতের পরিবার সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, তৌহিদের নানাধরণের অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছিলেন গিয়াস উদ্দিন। ইতোপূর্বে তৌহিদের নেতৃত্বে গ্যাংটি হামলা করে গিয়াস উদ্দিনের ওপর। এই ঘটনায় থানায় মামলা করলে ক্ষিপ্ত হন সন্ত্রাসী তৌহিদ ও তার সহযোগীরা। মুলত এ ঘটনার জেরধরে গিয়াস উদ্দিনকে অপহরণের পর হত্যা করে লাশ মাতামুহুরী সেতুর কাছে ফেলে দিয়েছেন সন্ত্রাসীরা। ‎চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, স্থানীয়ভাবে পূর্বশত্রুতার ও পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এই দুটি খুনের ঘটনা ঘটেছে। টমটম গ্যারেজ মালিককে টর্চলাইট দিয়ে মাথায় আঘাতের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। অপরদিকে বদরখালীতে ভাতিজা কর্তৃক আপন চাচাকে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়েছে। ওসি বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ দুটি উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। পৃথক এই খুনের ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তিসাপেক্ষে পরবর্তী মামলা রুজু করা হবে। সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) এএসপি অভিজিৎ দাশ বলেন, দুইটি হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে চলে গেছে। পুলিশ জড়িত এসব অপরাধীকে ধরতে অভিযান শুরু করেছে। আশাকরি সহসা ঘটনায় জড়িত ঘাতকরা পুলিশের হাতে ধরা পড়বে। ##

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×